user-avatar

MdRiponrand1r1

◯ MdRiponrand1r1

প্রসাব করে অনেকক্ষন ঢিলা ব্যবহার করে। পানি ব্যবহার করার ২-৩ মিনিট পরে ১-২ ফোঁটা প্রসাব ঝরে। এই সমস্যার কারনে ঠিক মত। নামায পড়তে পারিনা। কিভাবে আমি এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারি। প্লীজ জানাবেন। এই সমস্যার জন্য যদি কোন ঔষধের নাম জানা থাকে তাহলে জানাবেন।
কুমিল্লা দাউদকান্দি মা টেলিকমে পাবেন। আপনি যেভাবে খুশি পরীক্ষা করে নিতে পারেন। এক কেজি নয়শত টাকা।
কিভাবে আমি এই রোগটি থেকে মুক্তি পেতে পারি। ভালো ঔষধের নাম জানা থাকলে বলবেন প্লীজ।
আমার জানামতে মেয়েদের লজ্জা বেশি। বিয়ের পর অনেক মেয়ের লজ্জা কিছুটা কমে যায়।
আপনার এই প্রশ্নের অনেক গুলো ব্যাখ্যা করা যাবে। আমি আপনাকে এক কথায় বলে দিবো। আল্লাহ এই পৃথিবীতে যা কিছু সৃষ্টি করেছেন শুধু মাত্র মানুষকে বিবেক বুদ্ধি দান করেছেন। তাই পাপের শাস্তি হবে। পৃথিবীর সবকিছুকে আল্লাহ তার হুকুম মানতে বাধ্য করেছেন। মানুষকে বাধ্য করা হয়নি।
এসব ঔষধ খেয়ে উপকারের চেয়ে ক্ষতি বেশি হয়। আপনি একজন হামদদের ডাক্তারের সাথে সমস্যা কথা বলে ঔষধ খান ভালো হবে।
ঔষধে পাশ প্রতিক্রিয়া থাকতেই পারে। আমি মনে করি ছোট বাচ্ছার জন্য ঔষধ এর চেয়ে। ছোট মাছ কচুর শাক এমন অনেক শাক সবজি ভালো হবে।
আপনি কাশি বা বুকের কফের জন্য। বাসক সিরাপ খেতে পারেন। বা বতমানে তুসকা সিরাপ এর পরিবতে তুসকা প্লাস সিরাপ পাওয়া যায়। আপনি তুসকা প্লাস সেবন করতে পারেন।
বিষ কতক্ষনে কাজ করবে তা নির্ভর করবে বিষের মাত্রার উপর। সব বিষ এক নয়। প্রথমে রোগীকে বমি করান। অচেতন রোগীকে বমি করানোর চেষ্টা করবেন না। যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হাসপাতালে  নিয়ে যান।
আপনি ঘুমানোর আগে। সূরা ফাতিহা ইখলাস এবং আয়তুল কুরসি পড়ে বুকে ফুঁ দিয়ে ঘুমাবেন। তাহলে শয়তান আপনাকে ধোকা দিতে পারবেন।
আপনি যে কোন সিম দিয়ে বিকাশ খুলতে পারেন। এতে কোন সমস্যা নাই। তবে আপনার এলাকায় যে সিমের নেটওয়াক ভালো সাভিস দেয়। সেই সিমে খুললে। ভালো হবে।
হোমা পাখি জন্মের পরেই। আকাশে উড়ে যেতে থাকে। উড়ে যেতে যেতে ডিম পাড়ে। আবার সেই ডিম মাটিতে পরার আগেই বাচ্ছা হয়ে উড়ে যায়।
হ্যাঁ তওবা করলে আল্লাহ আপনার দোয়া কবুল করতেও পারেন। আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল।
হস্তমৈথন করলে কবিরা গুনাহ হয়। হস্তমৈথন করলে যিনার গুনাহ হয়না।
মৃত্যুর ভয়াবহ যন্তনা যখন শুরু হয় মানুষ বাচতে চায়। যেমন যারা গলায় দড়ি দিয়ে আত্যাহত্যা করে। তারা রশিটি গলায় ফাঁস পরলে মানুষ হাত উপরে তুলতে চায় কিন্তু পারেনা।
মানুষ মারা যাওয়ার পর। কবর দেওয়া হয়। তারপর কবরের কাযক্রম শুরু।
মতভেদ আছে যেমন। মুসলিমদের কোরআন বা হাদিসে এরকম কোন প্রমান নেই। তাই মুসলিমরা এটা বিশ্বাস করেনা। অপর দিকে হিন্দুরা বিশ্বাস করে।
যে বিড়ালটি পোষে সে কিছু দিন একাকীত্ব ভোগ করে। অন্য প্রানী গুলো মারা গেলে যেমন মাটির নিচে পুতে ফেলে। এবং মৃত্যুর পর সবার দেহ মাটির সাথে মিশে যায়।
এগুলো জানতে না চাওয়াটাই ভালো
এটা নিয়ে মতভেদ আছে। কেউ বলে। মেরুদন্ডি প্রানীর প্রতিটা হাড়ের জোড়ায়। আবার কেউ বলে। প্রতিটা শিরা উপশিরায়।
কাচের টুকরো নিদিষ্ট জায়গায় মাটির নিচে পুতে ফেলা উত্তম। এমন একটি স্থানে পুতে ফেলতে হবে। যেখান মানুষের অসুবিদা হবেনা।
কাটা স্থানে স্যাভলন দিয়ে বা বায়োডিন দিয়ে পরিস্কার করে। জীবানু মুক্ত রাখা যায়
আপনি সবদা জিকির করবেন। জিকির করলে চিন্তা থেকে মুক্ত থাকা যায়। সবার সাথে হাসি খুশি থাকবেন। ভালো বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিবেন।
ব্যাংকে চাকরি অনেক ভালো। ফ্যামিলি নিয়ে ভাল ভাবে থাকতে পারবেন। যদি সততা এবং নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে পারেন। তাহলে জীবন যাপন হয়ত উচ্চ বিলাশী হবেনা। তবে খুব ভালো থাকবেন।
ট্যবলেট সাস্থের জন্য অনেক ক্ষতিকর। আপনি হামদদের চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করে ঔষধ খান। দাম কম কিছু ভালো মানের সিরাপ আছে। তাতেই ভালো হবে। ভুল করেও ট্যবলেট খাবেন না।