3 Answers

খরগোশ খাওয়াটা হালাল আর অক্টোপাস ,হাঙ্গর মাছ এদুটো খাওয়া হারাম।

4536 views Answered

খরগোশ খাওয়া হালাল! নবিজী খরগোশের গোশত খেয়েছেন। অক্টোপাস ও হাঙ্গর খাওয়া হারাম! কারণ এগুলো হিংস্র।

4536 views Answered

খরগোশ খাওয়া হালাল। কেননা, রাসূল (সঃ) খরগোশের গোশত খাওয়ার ব্যাপারে আদেশ দিয়েছেন। হাদীসের এরশাদ হলোঃ "ইবনে সাফওয়ান (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি দু'টি খরগোশ ধরলাম। কিন্তু তা যবেহ করার মত কিছুই পেলাম না। পরে আমি পাথর দিয়ে তাদের যবেহ করি। এরপর আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সঃ)-এর নিকট এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে তিনি আমাকে তা খাওয়ার আদেশ দেন।" (সুনানে আন-নাসায়ী, হাদিস নং ৪৩১৩)

ইসলামী শরীয়তে যে সকল প্রাণী ক্ষতিকর বলে প্রমাণিত এবং হারাম ঘোষিত, সেগুলো ব্যতীত সমস্ত প্রকার সামুদ্রিক প্রাণী খাওয়া হালাল। সুতরাং - এ দৃষ্টিতে তিমি মাছ, কাঁকড়া, কচ্ছপ, অক্টোপাস, শামকু, ঝিকুন, হাঙ্গর ইত্যাদি সবই হালাল প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত। তবে, ব্যাঙ খাওয়া সর্বসম্মতভাবে হারাম। কারণ ব্যাঙ হত্যার ব্যাপারে হাদিসে নিষেধাজ্ঞা বর্ণিত হয়েছে। আর, কুমিরের ব্যাপারটিও দ্বিমত পূর্ণ। জুমহুর বা অধিকাংশ আলেমদের মতে তা হারাম।

সর্বপ্রকার সামুদ্রিক প্রাণী খাওয়া যে হালাল, এ ব্যাপারে কুরআনে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ "তোমাদের জন্য সমুদ্রের শিকার ও সমুদ্রের খাদ্য হালাল করা হয়েছে তোমাদের উপকারার্থে।" (সূরা মায়িদাহ, আয়াত নং ৯৬)

এ ব্যাপারে হাদীসে রাসূলে করিম (সঃ) বলেনঃ "নদী বা সাগরের পানি পবিত্র, এবং পানিতে বসবাসকারী মৃত প্রাণীও খাওয়া বৈধ।" (তিরমিযী, হাদীস নং ৬৯) (আবু দাউদ, হাদীস নং ৮৩ - হাদিসটি আলবানী রহ. ইরওয়াউল গালীল গ্রন্থে সহীহ বলেছেন)

জনাব! ইসলামের অন্যতম মূলনীতি হলোঃ দুনিয়াবি সকল বস্তুই বৈধ, যতক্ষণ না ইসলামে সে ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা পাওয়া যায়। আর কাঁকড়া, কচ্ছপ, অক্টোপাস, শামুক, হাঙর ইত্যাদি খাওয়ার ব্যাপারে কুরআন-সুন্নাহ-এ কোনো নিষেধাজ্ঞা পাওয়া যায় না। সুতরাং, উপরোক্ত আলোচনা থেকে এ কথা প্রতীয়মান হল যে, উপরোক্ত সামুদ্রিক প্রাণী বৈধতার ব্যাপারে কোন বাধা নেই এবং এগুলোকে মাকরূহ বলাও প্রমাণ সাপেক্ষ নয়। তবে, কারও যদি তা খেতে রুচি না হয় তবে সেটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু এগুলোকে হারাম বা মাকরূহ বলার কোন যৌক্তিকতা নেই। 

4536 views Answered

Related Questions

Next steps