5 Answers
বিদ্যুৎ এমন এক জিনিস যা দিয়ে বর্তমানে পুরো পৃথিবী আলোকিত।কিন্তু যিনি এই ভয়ংকর বিদ্যুৎকে জন্ম দেন,তিনিই সবার প্রথম বিদ্যুতের শকে মারা যান।বিদ্যুৎ যদি কারো শরীরে প্রবেশ করে তার শরীরের রক্ত শুষে নেয়।কারন বিদ্যুৎ পজিটিভ অর্থাৎ আধান শক্তি।আর আমাদের শরীর নেগেটিভ অর্থাৎ নিধন শক্তি।তাই বেশি সময় পর্যন্ত বিদ্যুৎস্পর্শ করলে মানুষের মৃত্যু হয়।শুধু মানুষ নয় অন্যান্য প্রানিও।আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
বিদ্যুৎ স্পর্শ করলে মানব শরীরে বৈদ্যুতিক ইলেকট্রন চলাচল করতে পারে যা, মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। তাই বিদ্যুৎ স্পর্শ করলে মানুষ মারা যায়।
মানুষের শরীরে তাপমাত্রা প্রবাহের শক্তি খুবই কম। মানুষের শরীরে বেশি তাপমাত্রা প্রবাহিত হতে পারেনা। বিদ্যুতের তাপমাত্রা খুবই বেশি।যা মানুষের শরীরে প্রবাহিত হতে পারে না।তাই স্পস করলেই মানুষ সহ্য করতে পারে না।বেশি ভোল্টেজের বিদ্যুত হলে মারাও যায়
মানুষের শরীরের ৭০% ই পানি তাই মানুষ বিদ্যুতের জন্য সুপরিবাহক। যখন এই কারেন্ট মানুষের দেহে চলাচল করে তখন আমাদের দেহের হার্টবিটকে বাধা দেয়,হার্টকে নিজের মত চলতে দেয়না। তাই হার্ট এটাক হয় অনেক সময় ।এছাড়া শরীর পুড়ে যাওয়া,ব্রেন ড্যামেজ এমনকি শ্বাস-প্রশ্বাসেও সমস্যা দেখা দেয়। যার ফলে মানুষ মারা যেতে পারে। [50+ ভোল্টের ওপরে মানুষ বিদ্যুৎ পৃষ্ট হয়।]