মেরুদন্ড সমস্যা?
2 Answers
@বালিশের নিচের দিকে লক্ষ্য রাখুন
ঘুমের সময় মাথায় বালিশ নিয়ে ঘুমানোর সামান্য ত্রুটির কারণেও মেরুদণ্ডের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। বালিশ বেশি উঁচু হলে মেরুদণ্ডে চাপ পড়ে। তাই বালিশ এমনভাবে নির্বাচন করুন যাতে শোয়ার সময় মেরুদণ্ড সোজা থাকে। চিৎ হয়ে ঘুমানোর অভ্যাস থাকলে হাঁটুর নিচে আরেকটি বালিশ রাখুন। কাত হয়ে ঘুমানোর অভ্যাস থাকলে হাঁটুর মাঝে বালিশ রাখার চেষ্টা করুন।
@সতর্কতার সাথে ব্যায়াম করুন।
অনেকেই ব্যায়াম করেন সুস্বাস্থ্যের জন্য। কিন্তু বেশিভাগ সময়েই ব্যায়ামের সঠিক নিয়ম পালন করতে দেখা যায় না অনেককে। ব্যায়াম করার সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন। মেরুদণ্ডে বেশি চাপ পড়ে এমন ব্যায়াম করা থেকে বিরত থাকুন।
@একটানা একভাবে বসে থাকবেন না।
কাজের সময় আমরা একটানা একভাবে বসে কতোক্ষণ সময় পার করি তা আমরা অনেকেই হিসাব করি না। কিন্তু একটানা একভাবে বসে থাকা আমাদের মেরুদণ্ডের মারাত্মক ক্ষতি করে। তাই কাজের ফাঁকে উঠে দাঁড়াবেন কিংবা খানিকক্ষণ হাঁটবেন। নিতান্তই না পারলে একটু পর পর বসার স্টাইল পরিবর্তন করুন।
@বেশি ব্যথা হলে চিকিৎসক এর পরামর্শ নিন।
১। বিশ্রামঃ সম্পূর্ণ বেড রেস্ট। ব্যাথানাশক মেডিসিন সেবন করা যেতে পারে। ২। সার্জারিঃ অপারেশন এর মাধ্যমে স্থানচ্যুত ডিস্ক অপসারণ করা যায়। তবে সব ক্ষেত্রে সার্জারি করার দরকার পড়ে না। ৩। কেমোনিউক্লিওলাইসিসঃ ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে প্রোটিওলাইটিক এনজাইম দিয়ে ডিস্ক অপসারণ করা যায়। এটা তেমন ইফেক্টিভ না। ৪। রিহ্যাবিলিটেশনঃ কিছু নিয়ম মেনে চলতে বলা হয় এই ক্ষেত্রে। যেমন, ক) সামনে ঝুকে কোন কাজ দীর্ঘ সময় ধরে না করা, খ) মেরুদন্ডের স্বাভাবিক বাঁক ঠিক রেখে চলা, গ) বেশি নরম বিছানায় (ফোমের বিছানা) না ঘুমানো, ঘ) অস্বস্তিকর ভাবে বসে দীর্ঘ সময় যাতায়াত না করা। বিশ্রাম নিলে আর যথাযথ ভাবে চিকিৎসকের নির্দেশ মেনে চললে অধিকাংশ রোগী অপারেশন ছাড়াই সুস্থ জীবন যাপন করতে পারে।