1 Answers
আসলে মায়ের পেটে যখন বাচ্চা আসে চার সপ্তাহের সময় বাচ্চার ভ্রূণে থাইরয়েড গ্রন্থির জন্ম হয় এবং সাত সপ্তাহে কাজ শুরু করে। গর্ভধারণের কারণে মায়ের শরীরে প্রয়োজনের তুলনায় আয়োডিন কমে যায়, , ফলে থাইরয়েড হরমোন প্রয়োজনের তুলনায় কম তৈরি হতে পারে। বাচ্চার মস্তিষ্ক তৈরিতে ও বুদ্ধিমত্তার জন্য প্রয়োজনীয় থাইরয়েড হরমোন রক্তে থাকা জরুরি। মা থেকে ভ্রূণে টি ফোর হরমোন রক্তের মাধ্যমে যায়, তাই মায়ের থাইরয়েড হরমোনের মাত্রা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। গর্ভাবস্থায় থাইরয়েড হরমোন কম থাকলে থাইরয়েড হরমোন স্বল্পতার কারনে (হাইপোথাইরয়েডিজম) মা ও বাচ্চা দু'জনের স্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ।
মায়ের হাইপোথাইরয়েডিজম থাকলে ও বন্ধ্যত্বজনিত সমস্যার পাশাপাশি বাচ্চা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া মায়ের শারীরিক দুর্বলতা, অস্বাভাবিক ওজন বেড়ে যাওয়া, মন খারাপ থাকা, চুল পড়ে যাওয়া, শরীরের চামড়া মোটা ও খসখসে হওয়া, গলার স্বর বসে যাওয়া, শরীরে ব্যথা হওয়া, শীত খারাপ লাগা ও মাংশপেশির সংকোচন হতে পারে।
আর মায়ের পেটের বাচ্চার ওজন কম হতে পারে, জন্মগত ত্রুটি অতিরিক্ত, নবজাতকের জন্ডিস, বাচ্চার দুর্বলতা, জিহ্বা বের হয়ে থাকা, কান্নার শব্দ মোটা হয়ে আসা, চামড়া মোটা হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। পরবর্তী সময়ে বাচ্চার শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
সময়মতো জানতে পারলে এ রোগের চিকিৎসা খুবই সহজ ও স্বল্পমূল্যে সম্ভব। তাই চিকিৎসা গ্রহন করুন।
বিস্তারিত তথ্যের জন্য,,,,, ,,
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy