3 Answers

আপনি সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন। নিয়মিত বিশ্রাম নিন। দৈনিক ৭-৮ ঘন্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন। বিশুদ্ধ পানি পান করুন। খাদ্যতালিকায় উচ্চ প্রোটিনযুক্ত ও সুষম খাবার গ্রহণ করুন। আশা করি উপকার পাবেন।

2709 views

সুস্বাস্থ্য, শরীরের শক্তি ও মাংস বৃদ্ধির জন‍্য খাবার ও করণীয়ঃ নিয়মিত বেশি বেশি পানি পান করুন, কারণ শরীরের জন‍্য পানির প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি। মাংস খেলে মাংস বাড়ে। তাই আপনার সাপ্তাহিক খাদ‍্য তালিকায় মাংসকে রাখুন। প্রতি শনি, সোম ও বুধ এই ৩ দিন দুপুর ও রাতে মাছ দিয়ে ভাত খাবেন। প্রতি রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতি এই ৩ দিন দুপুর ও রাতে মুরগীর গোশত দিয়ে ভাত খাবেন। প্রতি শুক্রবার দুপুর ও রাতে গরুর গোশত দিয়ে ভাত খাবেন। প্রতিদিন সকালে ডিম ভাজি, আলু ভাজি বা শাক-সবজি দিয়ে ভাত খাবেন। প্রতিদিন সকালে ১টি সিদ্ধ ডিম ও রাতে ১টি সিদ্ধ ডিম খাবেন। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আধা গ্লাস গাভীর দুধ ও রাতে ঘুমানোর পূর্বে আধা গ্লাস গাভীর দুধ খাবেন। নিয়মিত পানি, সুষম ও পুষ্টিকর খাবার খান। সতেজ ফল-মূল, সবুজ শাক-সবজি, টাটকা মাছ ও গোশত খান। মধু, দুধ, ডিম, কালোজিরা খান। সকালের খাবার সকাল ৮টায়, দুপুরের খাবার দুপুর ২টায় ও রাতের খাবার রাত ৮টায় গ্রহণ করুন। রাত ১০টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত ৬ঘন্টা বিশ্রাম নিন। খাবার ও ঘুমের প্রতি যত্নবান হলে এবং নিয়মিত গোশত খেলে (মাছ, মুরগী ও গরুর গোশত), আপনার শরীরের শক্তি ও মাংস বেড়ে যাবে এবং আপনি সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হবেন। এভাবে আপনি আপনার মুখের মাংস বাড়াতে পারেন। ধন‍্যবাদ।

2709 views

স্বাস্থ্য গঠনের সহজ পাঁচটি উপায়।

শরীরচর্চা: সাধারণ হাঁটাহাঁটি দিয়েই শরীরচর্চা শুরু করতে পারেন। দৌড়ানোর চাইতে হাঁটায় হাঁটুর উপর চাপ পড়ে কম। মাত্র ১০ মিনিট হাঁটলেই বাড়বে কর্মক্ষমতা এবং বিপাকীয় ক্ষমতা। বাইরে হাঁটা সম্ভব না হলে ট্রেডমিল’, ‘ইলিপ্টিকল মেশিনব্যবহার করতে পারেন।

পর্যাপ্ত পানি: শরীরের দৈনিক পানির চাহিদা পূরণ করা অত্যন্ত জরুরি। হজমের কাজ, অভ্যন্তরীণ অঙ্গের ঠিকমতো কাজ করা, হাড়ের জোড় শক্ত রাখা সবকিছুতেই পানি দরকার। এছাড়া ত্বক ভালো রাখতে, শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ বের করতেও সহায়ক পানি। আর শরীরচর্চা করলে পানি পানের পরিমাণ বাড়াতে হবে। ভারি ব্যায়াম করার পর ইলেক্ট্রোলাইটয়ের অভাব পূরণ করতে এনার্জি ড্রিংকসের পরিবর্তে ডাবের পানি খাওয়া অনেক ভালো। অন্যান্য পানীয় ক্ষেত্রে বাড়তি চিনি ও ক্যালরির কথা মাথায় রাখতে হবে। সেক্ষেত্রে ফলের সরবত উপকারী বিকল্প।  

আলো-বাতাস: সূর্যের আলোতে রয়েছে বেশ কিছু স্বাস্থ্যগুণ, বিশেষত ভিটামিন ডি। যা শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণে সহায়ক, শক্ত হাড় গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন ডি-এর অভাবে ক্যান্সার, স্থূলতা, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়বেটিস, দুশ্চিন্তা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিয়ে পারে। ক্যালসিয়ামের শোষণে ভিটামিন-ডির ভূমিকা অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয় রোধ করে। তবে সূর্যের আলোই ভিটামিনি-ডি এর একমাত্র উৎস নয়। প্যাকেটজাত দুগ্ধজাত খাবার, কড লিভার ওয়েল, ডিম, স্যামন ও টুনা মাছ ইত্যাদিতেও থাকে ভিটামিন-ডি।

ঘুম ও বিশ্রাম: ঘুমকে কখনই অবহেলা করা উচিত নয়। জীবন যতই ব্যস্ত হোক না কেনো, শরীরকে অবশ্যই বিশ্রাম দিতে হবে। অন্যথায় হতে পারে অবসাদ, দুশ্চিন্তা, অস্থিরতা। মাত্র কয়েক রাত পূর্ণাঙ্গ ঘুম না হলে তা আপনার মানসিক অবস্থা, বিবেক ও স্মৃতিশক্তির উপর প্রভাব ফেলবে। দীর্ঘদিন ধরে এই অবস্থা চলতে থাকলে মানসিক চাপ ও হৃদরোগের মতো শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই রাত জেগে কাজ না করে বরং পর্যাপ্ত ঘুমিয়ে সকালে ফুরফুরে মেজাজে কাজ সারতে চেষ্টা করুন। এতে কাজও হবে, শরীরও ভালো থাকবে।

প্রাকৃতিক খাবার: তাজা ফল, সবজি, আমিষ, শষ্যজাতীয় খাবার শরীরের জন্য সবচাইতে ভালো। বাজারের রুটি, পাউরুটি- হোল গ্রেইনহওয়ার দাবি করলেও এদের মধ্যে বেশিরভাগেই থাকে বাড়তি চিনি ও প্রিজারভেটিভ। খাবার স্বাস্থ্যকর রাখতে যতটা সম্ভব বেইক করে খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। খাবার কেনার সময় তাদের পুষ্টি উপাদানের তালিকায় চোখ বুলিয়ে নিতে পারেন।

সূত্র:

2709 views

Related Questions