4 Answers
ব্রণ হবার কারণ আমাদের ত্বকের ব্লাক হেডস যা আমাদের ত্বক বন্ধ করে দেয়। যার ফলে আমাদের ব্রণ হয়। আপনি যা করতে পারেন-
- প্রতিদিন পরিমাণ মতো পানি পান করুন।
- লেবু ও মধু মুখে ব্যাবহার করুন। মানে ১ ফোটা লেবুরসের সাথে একটু খানি মধু মিশিয়ে মুখে নিন।
- রোজ ভালো ফেসওয়াস দিয়ে মুখ ধুইবে।যা আমার/আপনার ত্বক নরম রাখবে।
- তেল জাতীয় খাবার খাবেন না।
- প্রতিদিন বা ২দিনে একবার শ্যাম্পু করুন।এতে মাথা ও মুখের ত্বক ভালো থাকবে।
সবার আগে জেনে নিতে হবে ব্রণ হয় কি কারণে। চর্মবিশেষজ্ঞরা নিম্নোক্ত কারণ গুলোকে ব্রণের জন্য দায়ী বলেছেন।
যে কারণে ব্রণ হয় :
# হরমনের পরিবর্তন
# ত্বকে ধুলোময়লা জমে থাকা
# বংশগত কারণ
# ত্বকে ভিটামিনের অভাব
# কোষ্ঠকাঠিন্য।
এবার উপরোক্ত কারণ গুলো থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করুন। আর বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করতে পারেন।
ব্রণ থেকে বাচার উপায়
:
তৈলাক্ত ত্বকেই ব্রণের সংক্রমণ বেশি হয়। তাই সবসময় মুখ পরিষ্কার রাখুন। বাইরে থেকে ঘরে ফিরে ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিন। দিনে কমপক্ষে দু’বার গোসল করুন। প্রতিদিন অন্তত তিন-চার বার মুখ ধোয়ার অভ্যাস করুন। ব্রণের উৎপাত অনেকটা কমে যাবে।
মুখে সাবান ব্যবহার না করে ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। ত্বকে নিয়মিত ময়দা, দুধ ও মধুর পেস্ট লাগান, ব্রণের দাগ চলে যাবে এবং ত্বক উজ্বল হবে।
মুখে ব্রণ দেখা দিলে তা নখ দিয়ে খোঁটাখুঁটি করা একদম ঠিক না। এতে ত্বকে ব্রণের দাগ স্থায়ী হয়ে যাবে এবঙ সহজে নির্মূল হবে না।
যা খাবেন :
১. তৈলাক্ত খাবার, ভাজাপোড়া খাবার এড়িয়ে চলুন।
২. বেশি করে শাকসবজি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।
৩. পেট পরিষ্কার রাখা খুবই জরুরি। অনেক সময় কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণে ত্বকে ব্রণ দেখা দেয়।
৪. নিয়মিত সবুজ শাকসবজি আর টাটকা ফলমূল খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে প্রতিকার পাওয়া যায়।
৫. প্রতিদিন পরিমিত পানি খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।
তৈলাক্ত ত্বক, ত্বকের অযত্ন ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে ব্রণের সমস্যা হয়। ব্রণের সমস্যা বেশি হলে সমাধানের জন্য ডার্মাটোলজিস্টের পরামর্শ অবশ্যই নিতে হবে। তবে এর আগে ব্রণ দূর করতে কিছু ঘরোয়া উপায় মেনে দেখতে পারেন।
ব্রণ দূর করার কিছু উপায় জানিয়েছে জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।
পেঁপে ব্রণ দূর করার উপাদান হিসেবে চমৎকার। এটি ত্বক থেকে বাড়তি তেল দূর করে এবং মুখের মৃত কোষ দূর করতে সাহায্য করে।
পাঁচটি ছোট পেঁপের টুকরো ব্ল্যান্ড করুন।
পেঁপের এই পেস্ট ব্রণের মধ্যে লাগান।
৩০ মিনিট এভাবে রাখার পর ধুয়ে ফেলুন।
ব্রণ না কমা পর্যন্ত প্রতিদিন এটি ব্যবহার করুন।
বরফ
বরফ দিয়ে ব্রণের চিকিৎসা শুরু করতে পারেন। বরফের ঠান্ডাভাব ব্রণ কমাতে সাহায্য করবে।
প্রথমে ত্বককে ভালোভাবে পরিষ্কার করুন।
একটি বরফের টুকরোকে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে কয়েক মিনিট ব্রণের ওপর রাখুন। বরফ সরাসরি ত্বকে লাগাবেন না।
পাঁচ মিনিট বিরতি দিয়ে আবার ব্যবহার করুন।
ডিমের সাদা অংশ
ডিমের ভিটামিন, এমাইনো এসিড, প্রোটিন ব্রণের ওপর কাজ করে। তবে এ ক্ষেত্রে কেবল ডিমের সাদা অংশটুকু ব্যবহার করবেন।
মুখ ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করুন।
দুটি ডিমের সাদা অংশ বের করে নিন।
নরম ব্রাশ বা হাত দিয়ে ব্রণের মধ্যে সাদা অংশ লাগান।
পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করে আবার ডিমের সাদা অংশ দিন।
কিছুক্ষণ রাখার পর মুখ ধুয়ে হালকা ধাঁচের কোনো ক্রিম ব্যবহার করুন।
তিনটি সর্বোত্তম উপায়ে আপনি আপনার মুখের ব্রণ দূর করতে পারেনঃ ১। ব্রণ হলে নিমপাতা বা নিমফলের বীচি পানিসহ বেঁটে ৪-৫ দিন ব্রণে ব্যবহার করা উচিত। ২। শিমুলের ছাল বেঁটে ব্রণের উপর লাগালে ব্রণ সেরে যায়। ৩। ব্রণ ও ব্রণের চুলকানিতে চিরতার ক্বাথ তৈরি করে প্রত্যহ সকালে মিছরী চূর্ণসহ খাওয়া উচিত। ধন্যবাদ।
ব্রণ দূর করার উপায় 1। লেবু, গোলাপ জল, মধু, শশার রস মিশিয়ে দাগে লাগিয়ে রাখুন এবং সপ্তাহে ২-৩ দিন ব্যবহার করুন। 2। লেবু এবং হলুদ ও পেস্ট করা গোলাপ একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে মেখে নিন এবং ১৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। 3। নিম পাতা বেটে ব্রণে লাগাতে পারেন।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy