4 Answers
সহজলভ্য ব্যায়াম করুন
ব্যায়াম শুধু আপনার শরীরকেই সচল করে না, এটি আপনার মস্তিষ্ককেও সচল রাখে। স্থূলতা এবং অতিরিক্ত ওজন আপনার ব্রেইনের জন্যও ক্ষতিকর। নিয়মিত ব্যায়াম না করলে কিংবা শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো সচল না থাকলে রক্তবাহী নালীগুলো চর্বি জমে। ফলে স্বাভাবিক রক্তচলাচল ব্যহত হয়। মস্তিষ্কে রক্তের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবারাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়। যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে মস্তিষ্কের কোষগুলোও। তাই নিয়মিত ব্যায়াম করুন, সচল রাখুন আপনার শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো
মানসিক চাপ কমিয়ে আনুন, বিষন্নতা বা দুঃখ দূর করুন রাগ, ক্ষোভ বা উদ্বেগ আপনার ব্রেনকে কিছু সময়ের জন্য স্থবির করে দেয়, যা আপনার স্মরণশক্তি কমে যাওয়ার ক্ষেত্রে যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে পারে। মানসিক চাপের মধ্যে বিষন্নতা সবচেয়ে মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। বিষণ্নতা আপনার মনোযোগ দেয়ার ক্ষমতা ক্ষমিয়ে ফেলে এবং রক্তে করটিসলের লেভেল বাড়িয়ে দেয়। করটিসেলের লেভেল বেড়ে গেলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা কমে যায়, বিশেষ করে হিপ্পোক্যাম্পাসের। যেখানে শর্টটার্ম মেমোরি সংরক্ষিত থাকে। তাই বিষণ্নতা সহ সকল মানসিক চাপ যতদূর সম্ভব কমিয়ে ফেলুন।
পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন
একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনিক আট ঘন্টা ঘুমানো প্রয়োজন। একটা চমৎকার ঘুম আপনার মস্তিষ্ককে অধিক কার্যকরী করে তোলে। ঘুমের সময় সাম্প্রতিক সময়ের তথ্যগুলোকে মস্তিষ্কসংরক্ষণ করতে থাকে। আর ঘুমকে বলা হয় মেমোরি চার্জার। ঘুমের সময় আপনার মেমোরি পরবর্তী স্মৃতি ধরার জন্য প্রস্তুত হয়। তাই নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুমের মাধ্যমে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে পারেন।
পুষ্টিকর ও সুষম খাবার খান
মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য অবশ্যই আপনাকে ভিটামিন যুক্ত পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। তাজা ফলমূল, গাঢ় সবুজ শাকসবজি, মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, গমের রুটি প্রভৃতি প্রোটিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন। পরিমান মতো বিশুদ্ধ পানি পান করুন। প্রচুর চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করুন। বিশেষ করে বাসি-দূষিত খাবার খাবেন না। ওগুলো স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। আর ধূমপান ও মাদক সেবন থেকে বিরত থাকুন। এগুলো আপনার মস্তিষ্কের জন্য ভয়ানক ক্ষতিকর।
বিশেষ খেলা বা গেম
ব্রেইন গেমস খেলায় মনোযোগ দিতে হবে। নানা ধরনের ব্রেইন গেমস নিয়মিত চর্চায় রাখতে হবে। বাস্তবিত ব্রেইন গেমসেও যথাসম্ভব সব কাজে মাথা খাটাতে হবে। অর্থাৎ সম্ভাব্য সবকিছুতে অংশগ্রহণ করতে হবে। রুবিক্স কিউব, সুডোকু, পাজল ইত্যাদি মেলান। এতে মেধা ও বুদ্ধি তীক্ষ্ণ হবে। আর এগুলো একবার দুইবার নয়। প্রতিদিন মেলানোর অভ্যাস করুন। প্রতিটি বিষয় পর্যবেক্ষণ করার ক্ষমতা আয়ত্ত্বে আনুন। এটাও মেধার পরিচয়।
আপনার মেধা শক্তিকে চর্চার মধ্যে রাখুন। যেমন-মনোযোগের সাথে পড়া ও মনে রাখার চেষ্টা করুন।মনোযোগ না থাকলে আপনি কখনই নিজের মেধা বা স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করতে পারবেন না। কোথাও শুনেছিলাম নারকেল খেলে নাকি বুদ্ধি বা স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়। আপনি প্রতিদিন অল্প পরিমাণে নারিকেল খেতে পারেন। মধু পান করলেও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়। অতিরিক্ত না খেয়ে একটু পরিমাণ মতো খাবেন। আপনি সতেজ শাক-সবজি, গাজর,ফল, বাদাম খাবেন এতে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পাবে। যতটা সম্ভব মাংস ও মাখন এড়িয়ে চলবেন। মাংস মাখন খেলে স্মৃতিশক্তি হ্রাস পেতে পারে।
আপনি বলেছেন, আপনার স্মৃতিশক্তি দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে, যা যা করলে তা ঠিক হবে বা স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পাবেঃ ১। হস্তমৈথুনের অভ্যাস থাকলে, তা চিরদিনের জন্য বাদ দিতে হবে। ২। নিয়মিত পানি, সুষম ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। ৩। নিয়মিত ডিম, দুধ ও মধু খান। ৪। সতেজ ফল-মূল ও সবুজ শাকসবজি খান। ৫। প্রতিদিন সকালে ডিমভাজি দিয়ে ভাত বা রুটি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এই অভ্যাসটি আপনার স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ভালো কাজ করবে। ধন্যবাদ।
সবচেয়ে বড় কথা হলো মনকে দুশ্চিন্তা থেকে দূরে রাখুন।কোন নেশাজাতীয় দ্রব্য গ্রহণ করলে ছেড়ে দেন।বেশি করে মিষ্টিজাতীয় খাবার খান।বেশি করেদুধ ডিম খাবেন।বাদ দেওয়া যাবেনা।নিয়মাফিক সবকিছু করুন।সুষম পরিমাণে ঘুমান।ব্যয়াম করবেন নিয়মিত।আর ফেসবুক এসব কিছু থাকলে বেশি ব্যবহার করবেননা।কম ব্যবহার করুন।তাহলেই হবে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy