3 Answers

যে প্রেম গুলো শরীর নির্ভর সেগুলোই টিকে না। বর্তমানে প্রেমের নামে যা চলছে তা কোন ভাবেই সত্যিকারের ভালোবাসা নয়। এক্ষেত্রে বয়স নয় বরং মানসিকতাই দায়ী। তবে সমবয়সী প্রেম গুলো যেহেতু খুব বেশি শারীরিক হয়ে যায় খুব সহজেই, পরবর্তীতে তা আর স্থায়ী হচ্ছে না। সত্যিকারের ভালোবাসা কিন্তু বয়স মানে না।

2891 views

মনোবিজ্ঞানী চার্লস লিন্ডহোমের সংজ্ঞানুযায়ী প্রেম হল "একটি প্রবল আকর্ষণ যা কোন যৌন-আবেদনময় দৃষ্টিকোণ হতে কাওকে আদর্শ হিসেবে তুলে ধরে, এবং যাতে তা ভবিষ্যতে দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার মনোবাসনাও অন্তর্ভুক্ত থাকে।  সে ক্ষেত্রে তার যদি ভবিষ্যতে দীর্ঘস্থায়ী হবার ইচ্ছা থাকে তবে প্রেম টিকবে। আর যদি তার ইচ্ছাই না থাকে তাহলে সমবয়সী হোক বা পার্থক্য বয়সী তার প্রম টিকবেনা।

2891 views

সমবয়সী বিয়ে বা প্রেম দুটোই টিকে, যদি স্বামী-স্ত্রী বা প্রেমিক-প্রেমিকা উভয় উভয়কে নিজের চাইতেও অপরকে ভালোবাসে এবং পরস্পরের মধ‍্যে সত‍্যিকার ভালোবাসা বজায় থাকে। অনুরূপ, সমবয়সী বিয়ে বা প্রেম দুটোই টিকে না, যদি স্বামী-স্ত্রী বা প্রেমিক-প্রেমিকা উভয় উভয়কে নিজের চাইতেও অপরকে ভালো না বাসে এবং পরস্পরের মধ‍্যে সত‍্যিকার ভালোবাসা বজায় না থাকে। যারা সমবয়সী প্রেমিক-প্রেমিকা বা স্বামী-স্ত্রী, তারা যদি উভয়ই সাংসারিক বা সামাজিক দিকটি বাদ দিয়ে নিজেদের স্বাধীনমতো চলাফেরা করে এবং একে অপরকে গুরুত্ব না দেয়, তাহলে সে সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হয় না। যেহেতু মানুষের মধ‍্যে ভালো-মন্দ দুটোই থাকে বলে, সে মানুষ। সেহেতু কোনো স্বামী বা প্রেমিক যদি তার স্ত্রী বা প্রেমিকার মধ‍্যে কোন দোষ খু়ঁজে পায়, তাহলে তার উচিত তার স্ত্রী বা প্রেমিকার কোনো একটি ভালো গুণ বা ভালো কাজের কথা স্মরণ করে তাকে ক্ষমা করে দেওয়া। অনুরূপ, কোনো স্ত্রী বা প্রেমিকা যদি তার স্বামী বা প্রেমিকের মধ‍্যে কোন দোষ খু়ঁজে পায়, তাহলে তারও উচিত তার স্বামী বা প্রেমিকের কোনো একটি ভালো গুণ বা ভালো কাজের কথা স্মরণ করে তাকে ক্ষমা করে দেওয়া। সমবয়সী হোক আর অসমবয়সী হোক, মনোমালিন্য আর প্রতারণা সম্পর্ক নষ্ট করে এবং ত‍্যাগ ও বিশ্বাস সম্পর্ককে মজবুত করে। যেসব স্বামী-স্ত্রী বা প্রেমিক-প্রেমিকা অল্পতে সন্তুষ্ট থাকে, তাদের সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হয়। ধন‍্যবাদ।

2891 views

Related Questions