2 Answers
ইসলামের দৃষ্টিতে পত্রিকার রাশিফল দেখা বা পড়া যাবেনা। দৈনিক পত্রিকা গুলোতে রাশিফল নামের একটা কলাম থাকে। সেইখানে এক বিজ্ঞ লোক মানুষের ভাগ্য বর্ণনা করে থাকেন। দিনটি কেমন যাবে? কি কি হবে? কার জন্য কি শুভ? আসুন দেখি ইসলাম এই ভাগ্য গননা নিয়ে কি বলে? এই বিষয়ে নবিজির একটি হাদিস হলো, হজরত হাফসা (রাঃ) কর্তৃক বর্নিতঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যে গণকের কাছে যায় এবং কোন বিষয়ে জিজ্ঞাসা করে তার চল্লিশ দিন ও রাত্রির নামাজ গ্রহণযোগ্য হবে না। (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ৫৫৪০) এই থেকে বুজা যায় এটি কত মারাত্মক ভুল কাজ। মহান আল্লাহ বলেন, হে ঈমানদারগণ ! এ মদ, জুয়া, মূর্তি পূজার বেদী ও ভাগ্য নির্ণায়ক শরসমূহ এ সমস্তই হচ্ছে ঘৃণ্য শয়তানী কার্যকালাপ ৷ এগুলো থেকে দূরে থাকো, আশা করা যায় তোমরা সফলতা লাভ করবে৷ (সুরা মায়েদা-৯০) তিনি আরো বলেন, অদৃশ্যের কুঞ্জি তাঁহারই নিকট রহিয়াছে, তিনি ব্যতীত কেহ জানে না। (সূরা আন- আনআমঃ ৫৯) আরো ইরশাদ হয়েছে, বলুন! আল্লাহ ব্যতীত আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে কেউই অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান রাখে না। (সুরা আন-নামলঃ ৬৫) অতএব এটি একটি হারাম কাজ। আমাদের উচিত হয়ে এই রাশিফল থেকে দুরে থেকে এমন কি পত্রিকায় এই কলাম না পড়া।
ইসলাম এই রাশিফল বিশ্বাস করে না। একটা আয়াত দেখে আসি=>
আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়। আসমান ও যমীনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর। কে আছ এমন, যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া? দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোন কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন। তাঁর সিংহাসন সমস্ত আসমান ও যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে। আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান।
(সূরাঃ আল বাকারা, আয়াতঃ ২৫৫)
তার অনুমতি ছাড়া কারো সামর্থ্য নেই কিছু করে। আয়াতটি দেখলেই বুঝতে পারি।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy