কেউ কি একটা মৌলিক খাদ্য রুটিন তৈরি করে দিতে পারবেন? যেটা অনুসরন করলে ১ মাসের মধ্যে ৪-৫ কেজি ওজন বাড়ানো যাবে। অনেক উপকার হতো এমন একটা খাদ্য রুটিন তৈরি করে দিতে পারলে। বিশেষ করে রুটিনটি যদি সাপ্তাহিক বা মাসিক হয় তাহলে আরো বেশি ভালো হয়। 
3155 views

3 Answers

আপনি সাপ্তাহিক বা মাসিক রুটিন অনুসরণ না করে বরং প্রত্যাহিক রুটিন অনুসরন করুন।তার জন্য আপনার প্রতিদিনের খাবারে চর্বি জাতীয় খাবারের পরিমাণ বেশী রাখুন।এছাড়াও আমিষ জাতীয় খাবার অর্থাৎ মাছ, মাংস, দুধ, ডিম বেশী পরিমাণে খান।আর আপনি একদিনে বেশী বার খাবার গ্রহণ করুন।অর্থাৎ একদিনের ৩ বারের খাবার আপনি ৬ বারে গ্রহণ করুণ।তাহলে আপনার ওজন তাড়াতাড়ি বৃদ্ধি পাবে।

3155 views

0 0 দ্রুত ওজন বাড়ানোর কিছু পদ্ধতি ও উপায়- ১. প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি যুক্ত খাবার গ্রহণ করুন। যেমন: বাদাম এবং শস্যদানা, চকোলেট, বাদামের মাখন, চিংড়ি, স্ট্রবেরী, কন্ডেনস্ড মিল্ক, ডিম, সয়াবিন, কিসমিস, খেজুর, নারকেল দুধ, বাদামী চাল, ওটমিল, বাটার বা তাহিনি, দই, কলা, অলিভ অয়েল, আঙুরের জুস, আনারস, আপেল, কমলা। দুগ্ধজাত খাবার এবং উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যথা মাছ, মাংস ইত্যাদি থাকতে হবে প্রতি বেলার খাদ্য তালিকায়। ২. বেশি সময় খাবার না খেয়ে থাকলে শরীরে খাদ্য ঘাটতি দেখা দিতে পারে ফলে ওজন বাড়ার বদলে উল্টো কমে যেতে পারে । কিছুতেই খালি পেটে থাকবেন না বরং সময়মত বেশি করে খাবার খেয়ে শরীরের খাদ্য ঘাটতি পুষিয়ে ফেলুন। ৩. অনেকেই ভাবেন যে বারবার খেলে ওজন বাড়বে। এটি মোটেও সঠিক না। বরং নিয়ম মেনে পেট ভরে খান। পেট ভরে খাওয়া হলে মেটাবলিজম হার কমে যায়, ফলে খাবারের ক্যালোরির অনেকটাই বাড়তি ওজন হয়ে শরীরে জমে। অল্প অল্প করে বারবার খাওয়াটা মেটাবলিজম বাড়িয়ে দেয়, ফলে ওজন কমে। ৪. আপনার যদি সবসময় খেতে ইচ্ছা না করে তাহলে খাবারগুলো ব্লেন্ড করেও খেতে পারেন। ড্রিংক হিসাবে কলা, খেজুর এর সাথে একটু মাখন, দুধ অথবা আম, পেস্তা বাদাম, স্ট্রবেরি, কমলা ইত্যাদি শ্রেষ্ঠ পুষ্টিকর উপাদান দিয়ে জুস তৈরি করে হাতের কাছে রাখুন। এগুলো আপনার শরীরের মাংস পেশীগুলোকে সুগঠিত করতে যথেষ্ট প্রোটিন সরবরাহ করবে। ৫. রাতের বেলা ঘুমাবার আগে অবশ্যই বেশ পুষ্টিকর কিছু খাবেন। ফলে খাবারের ক্যালোরিটা খরচ হবার সময় পাবে না, বাড়তি ওজন হিশাবে জমবে শরীরে। ঘুমাবার আগে প্রতিদিন এক গ্লাস ঘন দুধের মাঝে বেশ অনেকটা মধু মিশিয়ে খেয়ে নিবেন। ৬. এমন অনেক ফল আর সবজি আছে যা কিনা উচ্চ ক্যালোরি যুক্ত। যেমন- আম, কাঁঠাল, লিচু, কলা, পাকা পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া, মিষ্টি আলু, কাঁচা কলা ইত্যাদি। ফল ও সবজি খেলে স্বাস্থ্য জম্ন ভালো থাকবে, তেমনি ওজনও বাড়বে। ৭. দৈনিক ৮-৯ ঘণ্টা ঘুম এবং অন্যান্য বিষয়গুলো মেনে চললে আশা করা যায় আপনার ওজন বাড়ানোর লক্ষ্য পূরণ হবেই। ব্রেনের উপর কোনো চাপ নেবেন না।. . . . . আপনি পুরোপুরি টেনশন মুক্ত থাকার চেষ্টা করুন। আপনার সূসাস্থ কামনা করছি ।

3155 views

আপনি নিচের নিয়মটি অনুসরণ করতে পারেন। লাল আটার রুটি - ৩ টা (মাঝারি ও বড় আকারের), সবজি (যেকোন ধরনের উচ্চ প্রোটিনযুক্ত) -২ কাপ, ডিম -২ (সকাল এবং বিকাল), ফল- ২ দুপুরে -সবজি ভাজি (আলু বাদ)-১ কাপ, শাক- ১ কাপ, মাছ-১ টুকরা অথবা, ভাত ২-৩ কাপ, বিকাল - সন্ধ্যা - আপেল, কমলা, নাশপতি -১ টা ,ননীবিহীন দুধ -১ গ্লাস (বড় আকারের গ্লাস), ফলের সালাদ - ১ বাটি অথবা, ছোলা/ রাজমার সালাদ - ১ বাটি রাত - ভাত - দেড় কাপ, সবজি ভাজি (যেকোন ধরনের)-দেড় কাপ, মাছ-মুরগী- পরিমাণমতো , ডাল (ঘন) - ১ কাপ, সবুজ সালাদ -১ কাপ বেড টাইম দুধ।

3155 views

Related Questions