5 Answers
হ্যাঁ, অতিরিক্ত টেনশনের কারণে জ্বর আসে। প্রত্যক্ষভাবে নয়, পরোক্ষভাবে টেনশনের ফলে শরীরে বিরূপ প্রভাব পড়ে যার কারণে জ্বর আসতে পারে।
হ্যা জ্বর আসে তবে সরাসরি না। আমি যদি বলি সরাসরি জ্বর আসে তাহলে কেমন হলো জীবাণু প্রবেশ করলো না তাও জ্বর এলো। (আসলে সাধারণ নিয়মে জ্বর আসে না) আসলে অনেক সময় দেখা যায়। টেনশন করতে করতে এক পর্যায়ে তার মধ্যে কোন প্রক্রিয়ায় জীবাণু কখন প্রবেশ করল বুঝতেই পারে না। কিন্তু তার ভুলের কারণেই জ্বর আসে। সে কখন ভুল করেছিল বুঝতেই পারে না। এখানে আমরা টেনশনকে জ্বরের কারণ বলতে পারি না। তবে যুক্তিগত ভাবে বলতে পারি।
হ্যা অতিরিক্ত মানসিক চাপের জন্য শরীরে জ্বর আসে। এঈ অতিরিক্ত টেনশনের জন্যই মানুষ স্ট্রোক করে থাকে। তাঈ সবসময়ই চিন্তা মুক্ত থেকে সুন্দর ভাবে জীবন যাপন করুন ।
টেনশন বা দুশ্চিন্তা খুবই খারাপ একটা বিষয়, যেটা মানুষিক থেকে শারীরিক পর্যায়ে প্রভাবিত করে। তাই টেনশনের কারনে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। আর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে আমারা তাকে জ্বর বলে থাকি। টেনশন যদিও প্রথম প্রথম খুব একটা শারীরিক কোনো প্রভাব ফেলে না তবে এর মাত্রা যদি দীর্ঘস্থায়ী হয় তবে তা শরীরের উপরেও প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করে । যার ফলে শারীরিক অসুখ হয়। টেনশন হলেই শরীরের অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি উদ্দীপ্ত হয়ে ওঠে, সেখান থেকে 'অ্যাড্রিনালিন' নামে বিশেষ এক প্রকার জৈব রাসায়নিক পদার্থ ক্ষরিত হয়। এছাড়াও টেনশন বা অ্যাংজাইটির ফলে শরীরের কোষ থেকে হিস্টামিন, সেরাটোনিন ও অন্যান্য রাসায়নিক দ্রব্য নিঃসৃত হয়। এই জৈব-রাসায়নিকগুলোর অধিকাংশই প্রোটিনজাতীয়, এগুলোর রাসায়নিক গঠন বিশ্লেষণ করলে অ্যামিনো অ্যাসিড শৃঙ্খল খুঁজে পাওয়া যায়। সুতরাং, টেনশন মানসিক অবস্থা হলেও শরীরকে কতগুলো রাসায়নিক ক্ষরণে উদ্দীপ্ত করে। এর ফলস্বরূপ হতে পারে বুক ধড়ফড় করা, ঘাম হওয়া, খিদে কমে যাওয়া, ডায়রিয়া, ঘুম কমে যাওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, গায়ে র্যাশ বা অ্যালার্জি হতে পারে, হাত-পা কাঁপা। আমাদের পুরো শরীরই এক্টা রাসায়নিক আধারে আচ্ছাদিত। তাই দুশ্চিন্তার ফলে নানা রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে আপনার জ্বর হওয়া স্বাভাবিক।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy