নিজের কাছে কোনো কিছুই ভালো না লাগা থেকে কীভাবে মুক্তি পাওয়া যায়?
আমি ২০১৮ সালে কখনোই স্বস্তি বোধ করতে পারি নাই। আমি জানি না যে আমার কি হয়েছে। আমার ভালো লাগে না। কারো সাথে কথা বলতে মনে চায় না। একা থাকতে মনে চায়। বলতে পারি না আমার কি হয়েছে। আমি এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চাই। আমার পারিবারিক ও ব্যাক্তিগত জীবনেও কোনো সমস্যা নেই। আমাকে কি করতে হবে এজন্য। আপনাদের সাহায্যে লাগবে।
এছাড়াও আমাকে নাকি মরার মতো লাগে। আমার চেহারায় নাকি মরা মরা ভাব। দুই জনের কথা শুনে খুব খারাপ লাগলোঃ
π তরে বাইম মাছের মতো মরা দেহা যায়।
π ঐ মরা আমরার সাথে কথা কইস না।
আমি এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চাই।
6 Answers
আপনি শরীয়তসম্মত জীবন যাপন করুন।আল্লাহর ইবাদতে মশগুল থাকুন।পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ুন।মসজিদে যাবার অভ্যাস গড়ে তুলুন।আর স্বাস্থ্য ভালো করার জন্য পুষ্টকর খাবার খান।সুষম খাবার খান।
কিছু নিয়ম মেনে দেখতে পারেন হয়তো কাজে আসবে * যে কাজটি করতে ভালো লাগছে না, আপাতত সেটা করবেন না। মন ভালো থাকলে কাজটি এমনিতেই ভালো হবে। * পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে রাগ না করে তাঁদের বুঝিয়ে বলুন। * বন্ধুমহলেও রাগ না করে তাঁদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করতে পারেন, হয়তো আপনার এমন আচরণে বন্ধুরাও অনেকটা দূরে সরে গেছেন। সেই দূরত্বটা নিজে থেকেই কমিয়ে আনার চেষ্টা করুন। * সঠিক সময়ে খাবার এবং ঘুমের অভ্যাস করুন। খাবার তালিকায় সবজি এবং যথেষ্ট পরিমাণে পানি রাখুন। আর ঘুমটা হতে হবে কমপক্ষে ৬ ঘণ্টার। * ইয়োগা কিংবা নিয়মিত শরীরচর্চার ফলেও বিষণ্নতা কেটে যাবে। এ ছাড়া শরীরে রক্তপ্রবাহ এবং মাংসপেশি ঠিক থাকবে। বেশি কিছু না হলে প্রতিদিন সন্ধ্যায় অন্তত এক ঘণ্টা হাঁটার অভ্যাস করুন। * অবসরে কোথাও বেড়িয়ে আসুন। চাইলে প্রতি সপ্তাহেই কোথাও ঘুরে আসতে পারেন। এতে মনের একঘেয়েমি কেটে উঠবে সহজেই। * সমস্যাগুলোকে তালিকাভুক্ত করুন। নিজেকে জিজ্ঞেস করুন, আপনি কী করতে চান বা কোন ব্যাপারগুলো আপনাকে বাধা দিচ্ছে। নিজের কাজে দৃঢ়তা বজায় রাখুন। * চাইলে কাউন্সেলরের সঙ্গেও কথা বলতে পারেন। এতে ব্যাপারটা অনেক সহজ হয়ে উঠবে। * তাহলে এবার মনটা প্রফুল্ল করেই ফেলুন!
"কোন কিছুই ভালো লাগেনা।" এটা এক ধরণের মানসিক রোগ। আপনার সমস্যাটি সমাধানের জন্য একজন মানসিক বিশেষজ্ঞর সাথে যোগাযোগ করুন। অথবা দৈনিক পাঁচওয়াক্ত নামাজ পড়ুন। কুরআন তিলাওয়াত করুন। ঘরের মধ্যে একা বসে না থেকে বন্ধুদের সাথে ঘুরাঘুরি করুন।
জীবনের এই সময়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।তাই নতুন কিছু আর বলব না।কারণ উপরের উত্তরগুলোতে যেসব কথা মেনে চলার কথা বলা হয়েছে সেগুলো মেনে চললে অনেক উপকার হবে।আপনার পড়ালেখায় মন দেওয়ার চেষ্টা করুন।এবয়সে সবার সাথে মিলেমিশে থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।তবে খারাপ বন্ধুদের থেকে দূরে থাকুন।।
আপনি ত আসলেই একা,,, সবাইকে ত ভালবাসেন আল্লাহর আদেশ পালনের জন্য,, কারন আল্লাহ মা বাবার কথা বলেছেন,, আত্মিয়দের সাথে ভাল ব্যাবহার করতে বলেছেন,, এমন কি রাসুল স) বলেছেন আত্মিয়তার সম্পর্ক ছিন্ন কারি জান্নাতে প্রবেশ করবে না,, এরকম ভাবে সৎ বন্দুদের সাথে মিশতে বলেছেন,, এসব করবেন কেবল আল্লাহর জন্য অন্য কিছুর জন্যই নয়,, এমন কি ধন্যবাদ পাওয়ার জন্যও নয়,,, , আর আল্লাহর নিষেধ থেকে দূরে থাকুন,,১০০০ গজ,, , দেখবেন আপনার কত শান্তি,, রাতে একা একা জংগল দিয়ে হাটবেন তবুও শান্তি,,, কারন আপনার মন থেকেই এই কথা বের হয়ে আসবে,, হে আল্লাহ তুমি আমায় শত বিপদ দাও কিন্তু আমার সাথে থেকো,,, তুমি যদি অভিবাভক হও আর কিছুই ভয় নাই, সব ত তোমারই,, জিন, জায়গা জমি সোনা রুপা,, এগুলো ত তোমারই,, এভাবে যেখানে ঔষধ দেয়া দরকার সেখানে দিন,,, , তাছাড়া অন্যান্য জায়গায় ঔষধ দিলে সামান্য শান্তি পাবেন ঠিকই কিন্তু বেশি দিন ঠিকসই হবে না,, যেমন আপনি যদি কাউকে খুশি করার জন্য অনেক টাকা খরচ করে থাকেন তাহলে সে সাময়িক খুশি হবে, কিন্তু এ খুশিতে আপনার সামান্য পরিমান লাভ হবে না,, কারন আল্লাহর সুত্র সামনে আসছে, ইন্না মায়াল উসরি ইয়ুসরান,, নিশ্চই কষ্টের সাথে সস্তি আছে।, তাই আসল পথটা বেচে নিন,, দুনিয়ায় টাকার পাহাড় বানানো আসল পথ নয়,,,কারন এসব ছেড়ে চলে যেতে হবে।,,,, ,, কথা শেষ হবে না,, তাই আর লিখলাম না
পরিশ্রম করুন । এমন কিছু কাজ করুন যা আগে করেন নি । এবংং সফলতা অর্জন করুন । ভাল লাগবে । আসলে এ বয়সে শরীরে অধিক শক্তি লক্ষ করা যায় এবং কোনকিছু করতে মনে চাই কিন্তু করা যায়না তাই এমন মনে হয় । বেড়াতে যান বাকি কথা উপরে বলাই আছে ।