2 Answers
১- ক্লান্তি ধীরে ধীরে আমাদের শরীরের নানা ক্ষতি করে। চুল পড়াতেও অনুঘটক হিসাবে কাজ করে শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি।
২- শরীরে ভিটামিনের অভাব হলে তা মাথার চুল ঝরতে শুরু করে।
৩- প্রোটিন শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। শরীরে প্রোটিনের অভাব হলেই চুল পড়ার সমস্যা হয়।
৪- অনেকে বংশগতভাবে চুল পড়ার শিকার হন। তবে তেমন শতাংশে অনেক কম।
৫- হরমোনের ক্ষেত্রে অনেকের হরমোনজনিত কারণে কমবয়সে চুল পড়ে যায়।
৬- শরীরে আয়রনের ঘাটতি হলে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা হয়। চুল পড়া ছাড়াও চামড়া খসখসে হওয়া, উজ্জ্বলতা হারানো, দুর্বলতা, মাথাধরা ইত্যাদি সমস্যা হয়।
৭- থাইরয়েডের সমস্যা হলে চুল পড়ার পাশাপাশি মাংসপেশিতে টান, শরীরের ওজন বেড়ে যায়।
৮- ভিটামিন বি-র অভাবেও চুল পড়তে পারে। শরীরে ভিটামিনের ঘাটতি কমাতে ডিম, শাক-সবজি ও মাছ খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে।
৯- বেশিমাত্রায় শরীরচর্চা ও ডায়েট কন্ট্রোল করাও চুল পড়ায় ইন্ধন যোগায়।
১০- মেডিকেসন চিকিত্সকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া অভ্যাস করলে, কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় চুল পড়ে যায়।
মূলত অধিকাংশ মানুষের চুল পড়ে ভিটামিন "ই" এর অভাবে। তাই পর্যাপ্ত ভিটামিন ই জাতীয় খাবার খান। *এছাড়া অত্যধিক টেনশন,বংশগত,মাথায় চর্মরোগ,চুলে পরিচর্যা না করায়ও চুল পড়ার কারন হিসেবে গন্য। *চুল পড়া রোধে কার্যকরী উপায় হলো: @মাথায় পেয়াজের রস দেওয়া ।এতে চুল পড়া রোধ,গোড়া মজবুত ও চীল গজাতে ভূমিকা রাখে। @ইক্যাপ খেতে পারেন @ভিটামিন ই জাতীয় খাদ্য গ্রহন। @পারলে মাথা ন্যারা করুন এতে চুল পড়া রোধ হবে।৮০% গ্যরান্টি দেব(অভিজ্ঞতা)