3 Answers
আপনার এথময়েড সাইনুসাইটিস থাকতে পারে।
অথবা, চোখো কোন সমস্যা থাকতে পারে।
আপনি, Menthol এর ২/৩ টি দানা হাফ লিটার গরম পানিতে দিয়ে তার ভাপ নিবেন দু নাক দিয়ে দিনে ২ বার টানা ১৫ দিন।
ইনশাআল্লাহ ঠিক হবে।
৫ দিনের ভেতর উন্নতি না হলে একজন মেডিসিন বিভাগের ভাল ডাক্তার দেখাবেন।
আপনার চোখে কোন প্রবলেম আছে কি? চোখে কোন প্রবলেম থাকলে সেটা মাথা ব্যথার কারণ| এখন চোখ ও মাথা ব্যথা করছে|ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন ধরণের ব্যথানাশক ঔষধ খাওয়া ঠিক হবে না| আপনি অতি দ্রুত ভালো কোন চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের চিকিৎসা গ্রহণ করেন|এটাই আপনার জন্য কল্যাণময় হবে|
মাথা ব্যাথা
পানি পান করা : পানি শূন্যতার কারণে অনেক সময় মাথা ব্যথা হতে পারে। তাই মাথা ব্যথা অনুভূত হলে প্রচুর পানি পান করতে হবে। পাশাপাশি তাজা ফলের রস ও পানি সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। তবে মাথা ব্যথার সময় চা এবং কফির মতো ক্যাফেইন সমৃদ্ধ খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে।
মাথা মালিশ করা : হাতের বৃদ্ধাঙ্গুল এবং তর্জনী দিয়ে হালকা চেপে মাথার যেখানে ব্যথা সেখানে মালিশ করলে আরাম পাওয়া যায়। আঙুল দিয়ে ব্যথার স্থানে সাত থেকে ১৫ সেকেন্ড চেপে ধরে রেখে ছেড়ে দিন। মালিশের ফলে পেশি শিথিল হয় এবং রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। তাই ব্যথা কমে আসে।
সময় মতো খাবার খান: সঠিক সময় পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার যারা খেয়ে থাকেন তাদের অযথা মাথা ব্যথা হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে। নিয়ম মাফিক কাজ চালানোর জন্য মস্তিষ্কের গ্লুকোজ প্রয়োজন হয় আর সময় মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি মস্তিষ্কে সরবরাহ না হলে হাইপোগ্লাইসেমিয়া হতে পারে, যার কারণে মাথা ব্যথা হয়। তাই প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
পর্যাপ্ত ঘুম: একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের দিনে ছয় থেকে আট ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। যদি ঘুমের সমস্যা হয় এবং পর্যাপ্ত সময় ঘুম না হয় তখন মাথা ব্যথা হতে পারে ।
চোখ ব্যথা
ঠাণ্ডা পানি:কনজাংটাইভ বা চোখের সাদা অংশের প্রসারিত রক্তনালীগুলোর কারণে চোখ লাল হয়ে থাকে। ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিয়ে চোখের এই যন্ত্রনাদায়ক রক্তনালীগুলো শিথিল করার মাধ্যমে লালভাব দূর করা যেতে পারে। এছাড়াও পরিষ্কার কাপড়ে বরফের টুকরা নিয়ে আক্রান্ত চোখে ব্যবহার করলেও উপকার পাওয়া যায়।
কান্না:চোখ ব্যথা সারাতে কান্নাকাটিও করতে পারেন। চোখের পানি মূলত হালকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এজেন্ট, যা চোখের ব্যকটেরিয়ার ধুয়ে ফেলতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি চোখ আদ্র রাখে, ফলে চোখে ঘর্ষণের ফলে তৈরি ব্যথা কম হয়।
অ্যাপল সাইডার ভিনিগার
একই পরিমাণ পানি ও অ্যাপল সাইডার ভিণিগার মিশিয়ে তুলার বলের সাহায্যে চোখের পাতায় মাখিয়ে নিতে হবে। অ্যাপল সাইডার ভিনিগারের মাইক্রোবায়াল উপাদান ব্যকটেরিয়া ধ্বংস করতে সহায়ক।
ঠাণ্ডা চামচ
বরফশীতল পানিতে দুতিন জোড়া চামচ ডুবিয়ে রাখে সেটা চোখের উপর ধরে রাখুন। চামচের ঠাণ্ডাভাব ফুরিয়ে গেলে চামচ পরিবর্তন করে নিতে হবে।
শসা
চোখের নিচের কালোদাগ ও ফোলাভাব দূর করতে সহায়ক এটা সবারই জানা। পাশাপাশি রূপচর্চায় যেভাবে ব্যবহার করা হয় সেভাবে ব্যবহার করলে চোখের ব্যথাও দূর করে এই সবজি।
গ্রিন টি ব্যাগ
চোখ ব্যথার সবচাইতে যন্ত্রনাদায়ক উপসর্গগুলো থেকে মুক্তি দেয় গ্রিন টি’য়ের অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস এবং অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল উপাদান। এক কাপ গরম পানিতে গ্রিন টি ব্যাগ ডুবিয়ে রাথতে হবে যতক্ষণ না গরম পানি ঘরের তাপমাত্রায় আসে। পরে কাপটি কয়েক মিনিট ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে নিতে হবে। তারপর টি ব্যাগ থেকে বাড়তি পানি বের করে নিয়ে টি ব্যাগটি বন্ধ চোখের উপর রাখতে হবে।
অ্যালোভেরা জেল
জ্বলা, প্রদাহ ও আরও অনেকরকম ত্বকের সমস্যা দূর করতে সহায়ক অ্যালোভেরা জেল। চোখ ব্যথার উপসর্গ দূর করতেও এটা কার্যকর। পাতা থেকে জেল বের করে তা কয়েক মিনিট ফ্রিজে ঠাণ্ডা করে চোখের পাতায় মাখতে পারেন।
দুধ ও মধু
দুধে আছে শীতলকারী উপাদান আর মধু একটি সুপরিচিত অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল এজেন্ট।
দুধ ও মধু একত্রে মিশিয়ে ব্যবহার করলে ব্যথা ও প্রদাহ কমে তাৎক্ষনিকভাবে। এক টেবিল-চামচ কুসুম গরম দুধে এক ফোঁটা মধু মিশিয়ে ড্রপারের সাহায্যে চোখে ব্যবহার করতে পারেন।