1 Answers

প্রামাণ ও দলিল হিসেবে কুরআনের অবস্থান সর্বাগ্রে। ইসলামের অনুসারীরা বিশ্বাস করেন, কুরআন সকল প্রকার বিতর্ক, সন্দেহ, সংশয় ও ত্রুটির উর্ধ্বে। তবে, অবতরণের পর থেকেই সর্বযুগেই বিরুদ্ধবাদীরা কুরআনের বিভিন্ন সমালোচনা করে আসছেন।

পবিত্র কুরআন সম্পর্কে 'রয় জে গ্লোবার' বলেন, ২৪ ঘণ্টার ছয় দিনে এই মহাবিশ্ব মোটেও সৃষ্টি হয় নি। বরং তা কোটি কোটি বছর যাবৎকালের জটিল ভৌত ও রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট হয়েছে। অথচ, আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন, তিনি ছয়দিনে এ পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন।

এসম্পর্কে ড. মরিস বুকাইলি তাঁর বিখ্যাত 'বাইবেল, কুরআন ও বিজ্ঞান' বইতে উপর্যুক্ত বিষয়টি সবিস্তারে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আরবিতে 'দিন' বোঝাতে যে শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে- তা হচ্ছে, 'আইয়্যাম'। 'আইয়াম' শব্দটি আরবি 'ইয়াওম' শব্দের বহুবচন।'ইয়াওম' শব্দের অর্থ 'দিন'। এটি হতে পারে ২৪ ঘণ্টার একেকটি দিন, আবার হতে পারে ২৪ ঘণ্টার চেয়ে বেশি দীর্ঘ বা সুদীর্ঘ সময়। আর মহাবিশ্ব ও পৃথিবী ছয়টি সুদীর্ঘ সময়ের মেয়াদে সৃষ্টি হয়েছে- এমন মন্তব্য বিজ্ঞানের সাথে অসামঞ্জস্য সৃষ্টি করে না।

কুরআন বিভিন্ন জায়গায় সাত আকাশের দাবি করার পাশাপাশি এক স্থানে এটিও দাবি করেছে যে, আমাদের পৃথিবীর মতো মোট ৭ টি পৃথিবী আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন। সমালোচকগণের দ্বারা এই আয়াত বৈজ্ঞানিকভাবে ত্রুটিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

2753 views