2 Answers
মনে করেন,আমি একটা মেশিন তৈরি করলাম।এবং ঐ মিশনে কোন জায়গাতে কি আছে তা বলতে আমার কোনো কষ্ট হবে না আবার ভূল ও হবে না।কারণ সেটার তৈরি করেছি আমি নিজে তাই ঐ বিষয়ে আমার চেয়ে অভিজ্ঞ কেউ থাকতে পারেনা।অনুরূপ ভাবে আল্লাহ সব কিছু সৃষ্টিকর্তা।এবং তিনি কুরান কে শ্রেষ্ট বিজ্ঞান এবং মুহাম্মাদ সাঃ কে শ্রেষ্ট বিজ্ঞানী করে তাকে সৃষ্টি করেছেন।কেনো করেছেন ,বলা যেতে পারে এগুলা মহান আল্লাহর নিদর্শন।
কুরআন ও হাদীস প্রসঙ্গঃ
পবিত্র কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে বিশ্বমানবতার মুক্তি, সৎ আর সত্যের পথ দেখানোর জন্য। অন্ধকারাচ্ছন্ন এক বিভীষিকাময় জাহেলিয়া সমাজে কুরআন এনেছিল আলোকময় সোনালি সকাল। সৃষ্টিকূলের ওপর যেমন স্রষ্টার সম্মান ও মর্যাদা অপরিসীম, তেমনি সকল বাণীর ওপর কুরআনের মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব অতুলনীয়।
আর হাদিসের উপদেশ মুসলমানদের জীবনাচরণ ও ব্যবহারবিধির অন্যতম পথনির্দেশ। কুরআন ইসলামের মৌলিক গ্রন্থ এবং হাদিসকে অনেক সময় কুরআনের ব্যাখ্যা হিসেবেও অভিহিত করা হয়। এজন্য কুরআন এবং হাদীসকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান বলা হয়।
আল্লাহ তায়ালা ও মুহাম্মাদ (সঃ) প্রসঙ্গঃ
আল্লাহর সমকক্ষ কেওই নয়। তাঁর কোন অংশীদার নেই।
তাঁর কোন সন্তান বা স্ত্রী নেই এবং তিনি কারও সন্তান নন।
তাঁর উপাসনা অথবা সহায়তা প্রার্থনার জন্যে কাউকে বা কিছুর মধ্যস্থতার প্রয়োজন নাই। তাঁর কাউকে উপাসনার প্রয়োজন হয় না।
তিনি সার্বভৌম অর্থাৎ কারো নিকট জবাবদিহি করেন না। তিনি কোন ব্যক্তি বা জিনিসের উপর নির্ভরশীল নন, বরং সকলকিছু তাঁর উপর নির্ভরশীল। তিনি কারো সহায়তা ছাড়াই সবকিছু সৃষ্টি ও নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। এককথায়,তাঁর অনুরূপ কেউ নেই। তাই তিনি মহাবিজ্ঞানী ৷ এবং তাঁর মতো পরাক্রমশালী ও বিজ্ঞানী পৃথিবীতে কেওই নেই।
বার্নার্ড লুইস বলেন, ইসলামে দুটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্রথা রয়েছে - মদিনায় রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে মুহাম্মাদ (সঃ) এবং মক্কায় বিদ্রোহী হিসেবে মুহাম্মাদ (সঃ)। নতুন সমাজব্যবস্থায় প্রবর্তিত হওয়া সময় তিনি ইসলামকে বড় ধরনের পরিবর্তন বলে মনে করতেন, যা অনেকটা বিপ্লবের মত। তাই তাকে ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী বলা হয়।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy