মনে মনে বা মনগড়া কিছু চাইলে স্রষ্টা কি কবুল করেন?

মনে মনে কিছু চাইলে বা আনন্দ সহিত কিছু স্রষ্টার কাছে চাইলে স্রষ্টা কি তা কবুল করে নেন
2967 views

6 Answers

হ্যাঁ! কবুল করতে পারেন।

2967 views Answered

আল্লাহ তাআলার কাছে মনে মনে বা আনন্দের সহিত কিছু চাইলে-ও তা কবুল করে নেন। তবে কিছু চাওয়া বা দোআ বা যিকির আছে, যা লোক মাঝে প্রচলিত অথচ তা সহীহ সুন্নাহর অনুকূল নয়, অথবা তা মনগড়া যা ত্যাগ করে সহীহ সুন্নাহ ভিত্তিক যিকির ও দুআ পড়া কর্তব্য।

2967 views Answered

যদি আপনি সেটা একদম খাঁটি মনে চান অর্থাৎ আপনি যদি একদম হৃদয় থেকে চেয়ে থাকেন তাহলে সেটা সৃষ্টিকর্তার কাছে কবুল হওয়ার সম্ভাবনা সবথেকে বেশি।এটা বলা যাবে না যে কবুল হবেই।মনগড়া কিছু চাইলে সেটা কবুল হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম।

2967 views Answered

আল্লাহ তায়লার কাছে সহিহ নিয়তে চাইলে সকল কিছুই  কবুল করেনেন।

2967 views Answered

আল্লাহর কাছে যে ভাবে যা চাইবেন তাই কবুল করবেন আল্লাহ সবসময় তার বান্দাদের দোয়া কবুল করেন। আমরা মনে করি যে আল্লাহ আমাদের দোয়া কবুল করেন না, কিন্তু আসলে তিনি আমাদের দোয়া কবুল করেন। আল্লাহ বলেন:' তোমরা আমাকেই স্মরণ কর, আমিও তোমাদেরকে স্মরণ করব।'(২:১৫২) 'এবং যখন আমার বান্দারা আমার সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করে, তখন তাদেরকে বলে দাও: নিশ্চয় আমি সন্নিকটবর্তী; কোনো আহ্বানকারী যখনই আমাকে আহবান করে তখনই আমি তার আহবানএ সাড়া দিয়ে থাকি'। (২:১৮৬) দোয়া মূলত তিনটি পরিস্থিতে থাকতে পারে। কেউ দোয়া করলে সে দোয়া তিনটা অবস্থার যে কোনো একটি তে থাকতে পারে। ১) দোয়া দুনিয়াতেই কবুল করা হতে পারে। ২) আখেরাতে পুরষ্কার স্বরুপ উহা সঞ্চয় করে রাখা হবে,অথবা ৩) দুয়ার অনুরুপ একটি বিপদ থেকে মুক্তি দেয়া হবে। দুয়া কবুল হওয়ার প্রকাশ্য কিছু কারণ- ১) দুয়ার পুর্বে কিছু নেক আমল করা। ২) প্রথমে আল্লাহর উপযুক্ত প্রশংসা করে দুয়া শুরু করা। ৩) যে বিষয়ে দুয়া করা হবে তার সাথে সামঞ্জস্য রেখে আল্লাহর গুণাবলি চয়ন করে তার মাধ্যমে উসীলা করে দুয়া করা। ৪) অনুগ্রহ ও ভিক্ষার মাধ্যমে অনুনয় বিননয় প্রকাশ করে দুয়া চাওয়া। ৫) দুয়ার প্রথমে ও শেষে দুরুদ পাঠ করা। ৬) নিজের পাপের স্বীকারোক্তি করা ও আল্লাহর অনুগ্রহ স্বীকার করা। যে সমস্ত সময় সময় দুয়া কবুলের সম্ভাবনা রয়েছে: ১) রাতে ও দিনের মধ্যে ২) রাতের এক-তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকতে যখন আল্লাহ দুনিয়ার আকাশে নেমে আসেন। ৩) আযানের পর। ৪) ওযুর পর। ৫) সিজদায়ে গিয়ে। ৬) অত্যাচারিত ব্যাক্তির দুয়া ঈ সন্তানের জন্য মাতআ পিতার দুয়া কবুল হয়। ৭) কোনো মুসলিম ভাইয়ের অনুপস্থিতে তার জন্যে দুয়া করলে তা কবুল হয়। ৮) জুম্মার দিনে এক নির্দিষ্ট সময়ে দুয়া কবুল হয়। ৯) আরাফাত দিবসে, লাইলাতুল কদরে, ইফতারের সময় ও সাহরির সময় দুয়া কবুল হয়। দুয়া করার সময় অবশ্যই পুর্ণ ঈমান নিয়ে দুয়া কর্যে হবে।এই আশা রাখতে হবে যে আল্লাহ নিশ্চয় আমার দুয়া কবুল করবেন। নিজেকে হারাম থেকে দূরে রাখবেন, এতে দুয়া কবুলের সম্ভাবনা বেড়ে যায় ও বেশি বেশী করে তাওবা করবেন ও দুয়ার সময় কান্নাকাটি করবেন। হাত তুলে দুয়া করবেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,' আল্লাহর কাছে হাত তুলে দুয়া কর, কেননা আল্লাহ খালি হাত ফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন। আল্লহ বলেছেন, ' তোমাদের কাছে হয়ত কোন একটা বিষয় পছন্দসই নয়, অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আর হয়তোবা কোন একটি বিষয় তোমাদের কাছে পছন্দনীয়, অথচ তোমাদের জিন্যে অকল্যাণকর। আল্লাহ জানেন তোমরা জান না। (২:২১৬) হয়ত আপনি আল্লাহর কাছে একটি বাইকের জন্য দুয়া করলেন। কিন্তু আপনি তা পেলেন না। আপনার মনে হবে যে আল্লাহ আপনার দুয়া কবুল করেননি। কিন্তু আল্লাহ আপনার ভাল চান। তিনি জানেন যে আপনি বাইক চালালে দুর্ঘটনা ঘটাতে পারেন। কিন্তু আল্লাহ তা চান না আর সে কারণেই আল্লাহ আপনাকে বাইক দেন নি। অর্থাৎ আল্লাহ আপনার দুয়ায় সাড়া না দেয়ার মাধ্যমেই আপনার দুয়া কবুল করেছেন।!!! তাই হতাশ হবেন না। আল্লাহর কাছে সবসময় দুয়া করুন। নিশ্চয় কোন না কোন উপায়ে আপনার দুয়া কবুল হবেই!!!!

2967 views Answered

হ্যাঁ,কবুল হতে পারে।যারা খুব সৎ এবং ভালো কাজ করে,তারা মনে মনে কিছু চাইলে তা সহজে মহান আল্লাহ্ তায়ালা কবুল করেন।এছাড়া,যখন আপনার খারাপ কাজ করার সুযোগ থাকলেও আপনি সেই খারাপ কাজ না করে ঐ সময় কিছু আল্লাহর কাছে চান মনে মনে,সেই সময়ও আপনার চাওয়া কবুল হবার সম্ভাবনা বেশি।তবে চাওয়াটি ভালো উদ্দেশ্যে হলে কবুল হবে।

2967 views Answered

Related Questions

Next steps