2 Answers

ব্যাচেলর অব বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন বা ব্যবসায় অনুষদে স্নাতক (বিবিএ বা বি.বি.এ.) হল বানিজ্য বিভাগ এবং ব্যবসায় অনুষদে স্নাতক ডিগ্রী। অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ডিগ্রী তখনই দেওয়া হয়, যখন কোন শিক্ষার্থী চার বছর যাবৎ ব্যবসায়ের সাথে জড়িত এক বা একাধিক বিষয়ে ফুলটাইম পড়ালেখা করে। বিবিএ প্রোগ্রাম সাধারণত সাধারণ ব্যবসায় কোর্স ও বিশেষ ব্যবসায় কোর্স (একাডেমিক মেজর) এই দুইটি কোর্স দ্বারা গঠিত। সুত্র : উইকিপিডিয়া

2991 views

ব্যাচেলর অব বিজনেস

এডমিনিস্ট্রেশন বা ব্যবসায়

অনুষদে স্নাতক বা বিবিএ

বা বি.বি.এ. হল বানিজ্য বিভাগ

এবং ব্যবসায় অনুষদে স্নাতক

ডিগ্রী। অধিকাংশ

বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ডিগ্রী তখনই

দেওয়া হয়, যখন কোন

শিক্ষার্থী চার বছর যাবৎ

ব্যবসায়ের সাথে জড়িত এক

বা একাধিক বিষয়ে ফুলটাইম

পড়ালেখা করে। বিবিএ

প্রোগ্রাম সাধারণত সাধারণ

ব্যবসায় কোর্স ও বিশেষ ব্যবসায়

কোর্স (একাডেমিক মেজর) এই

দুইটি কোর্স দ্বারা গঠিত।

এই

ডিগ্রিটা, বা পড়াশোনাটার কোন

দাম নেই সেরকম নয়, আর কিছু না হোক

ভালভাবে কথা বলতে বা যোগাযোগ,

সেটাকে কম্যুনিকেশান বলি আর

নেটওয়ার্কিং-ই বলি,

সোজা বাংলায় তদ্বিরবাজির

অনেক কলাকৌশল যে শেখানো হয়

তাতে সন্দেহ নেই, একই

সাথে খানিকটা উৎসাহের

সাথে পড়াশোনা করলে নিতান্ত

অগোছালো ব্যক্তিকেও বেশ

একটা সাজানো-

গোছানো উপায়ে নানা পেশার

নানারকম মানুষের সাথে কাজ করতে-

ও অভ্যস্ত করে তোলে, বর্তমানের

তীব্র প্রতিযোগিতার

বাজারে যে দক্ষতাগুলোকে কোনভাবেই

উড়িয়ে দেয়া চলে না। একই সাথে,

নানারকম বিষয়ের মিশেল বলে,

মানে ফিন্যান্স, মার্কেটিং,

হিউম্যান রিসোর্স বা মানবসম্পদ

ব্যবস্থাপনা, ম্যানেজমেন্ট ইনফর্মেশন

সিস্টেম এরকম কোন একটা পছন্দের

বিষয়ে বিশেষায়িত

পড়াশোনাতেও যাচ্ছে অনেকে,

ভবিষ্যত উজ্জ্বল-ও হচ্ছে।

বাংলাদেশে যেসব বহুজাতিক

কোম্পানি বা ব্যাংকগুলো কাজ

করছে, সেগুলোর জন্য

তো অত্যাবশ্যকীয়, ভাল

দেশী প্রতিষ্ঠানগুলোও এরকম বিবিএ

বা এমবিএ-

ওয়ালা তৈরি চটপটে কর্মী ছাড়া আজকাল

নিয়োগ করতে চায় না।

বিবিএ

কোর্সে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে ন্যূনতম

৪০টি কোর্স সম্পন্ন করতে হয়।

এতগুলো বিষয়ে জ্ঞান থাকার

ফলে পরবর্তী সময়ে তারা ব্যবসা-

বাণিজ্য বেশ দক্ষতার

সঙ্গে পরিচালনা করতে পারেন।

বিবিএ পড়ুয়াদের বিষয়ভিত্তিক

জ্ঞান থাকতে হবে স্বচ্ছ ও নির্ভুল।

2991 views

Related Questions