5 Answers
দৈনিক, দুধ, সামুদ্রিক মাছ, সামুদ্রিক শৈবাল, শাক-সব্জি ইত্যাদি খাবেন । দুধটা অবশ্যই প্রতিদিন খাবেন ।
আমলকী
আমলকীতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এতে রয়েছে ভালো পরিমাণ ক্যালসিয়ামও। এটি এমনিও খাওয়া যায়। আবার পানিতে ফুটিয়েও খাওয়া যায়।
দুধ
দুধ ক্যালসিয়ামের বড় উৎস। প্রতিদিন দুই গ্লাস দুধ শরীরের দৈনিক ক্যালসিয়ামের চাহিদার অনেকটাই পূরণ করে।
আদা
এক গ্লাস পানির মধ্যে এক থেকে দুটি আদার টুকরো দিন। এর পর একে ফোটান। কিছুক্ষণ পর চুলা থেকে নামিয়ে এর মধ্যে স্বাদ অনুযায়ী মধু মেশান। আদার এই পানীয়টি ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করতে কাজ করবে।
দই
দইয়ে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ ক্যালসিয়াম। এক কাপ দই খাওয়া প্রতিদিনকার ক্যালসিয়ামের চাহিদা অনেকটাই পূরণ করে। এক কাপ দইয়ে ২৫০ থেকে ৩০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে।
দুধ, ডিম, কচুশাক, মাংস ও অন্যান্য শাকসবজি ফলমূল বেশি বেশি করে খান সময় মতো ঘুমাতে যান প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন।
আপনি দুধ,ডিম,ছোটমাছ,কলা,প্রানীজ আমিজ এছাড়া প্রায় সকল প্রকার ফল ও শাকসবজিতে সামান্য হলেও ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। তবে দুধ প্রতিদিন খেতে পারেন এতে প্রচুর ক্যালসিয়াম রয়েছে।
ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণে নিচের খাবারগুলো খাওয়া যেতে পারে:
দুধ, দই, পনির, কাঁচা বাদাম, সয়াবিন, আখরোট, সামুদ্রিক মাছ, কাঁটাযুক্ত ছোট মাছ, কালো ও সবুজ কচুশাক, শজনেপাতা, পুদিনাপাতা, সরিষাশাক, কুমড়ার বীজ, সূর্যমুখীর বীজ, চিংড়ি শুঁটকি, ডুমুর ইত্যাদি ।
তাছাড়া, ১০০ গ্রাম দুধে ক্যালসিয়াম আছে ৯৫০ মিলিগ্রাম, একই পরিমাণ পাবদা মাছে ৩১০ মিলিগ্রাম, সামুদ্রিক মাছে ৩৭২ মিলিগ্রাম, শজনেপাতায় ৪৪০ মিলিগ্রাম, ট্যাংরা মাছে ২৭০ মিলিগ্রাম। এক কাপ টকদইয়ে থাকে আরও বেশি ৪০০ মিলিগ্রামের মতো। আধা বাটি রান্না করা সবুজ পাতা আছে এমন শাক খেলে ১০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম খাওয়া হবে। এক গ্লাস কমলার রসে ১৫০ থেকে ২০০ মিলিগ্রাম। ইত্যাদি।