স্বপ্নদোষ কেন হচ্ছে?
6 Answers
মাসে ৩ থেকে ৪ বার স্বপ্ন দোষ হওয়া এটা স্বাভাবিক আপনার বির্য থলিতে অতিরিক্ত বির্য জমা হওয়ায় আপনার এই সমস্যা দেখা দিছে।আপনার স্বপ্ন দোষের মাধ্যমে কিছু বির্য বেরিয়ে যাচ্ছে। এর জন্য চিন্তিত হওয়ার কোন কারন নেই। যদি অতিরিক্ত হয় তাহলে আপনি একজন যৌন বিশেষজ্ঞ ডাকক্তারে চিকিৎসা নিতে পারেন।
মাসে চার পাঁচ দিন স্বপ্নদোষ হওয়া দোষের কিছু নয়, তবে একটানা চার দিন আপনি যেটা বলছেন তা একটু চিন্তার বিষয়। যদি এটিই প্রথম একটানা চার দিন হয় তবে দেখুন পরবর্তী মাসে কদিন হচ্ছে ।একটানা বিভিন্ন কারনে হতে পারে পরবর্তী মাসেও যদি এমন হয় তবে আপনি একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।
শুক্রাশয়ে যখন পর্যাপ্তের চেয়েও বেশি শুক্রাণু হয়ে যায় তখন তা স্বপ্নদোষের মাধ্যমে বের হয়ে যায়।তবে অনেকের পর্ন দেখা/খারাপ চিন্তা করার ফলেও স্বপ্ন দোষ হয়। *এপর্যায়ে আপনি মনকে পবিত্র রাখুন ও প্রয়োজনে হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।
আপনি যদি পর্ন মুভি দেখে উত্তেজিত হোন, বা কল্পনা করেন বা হস্তমৈথুন করেন তবে এমন স্বপ্ন দোষ হলে চিন্তার বিষয়। এসব পরিত্যাগ করতে হবে। আর যদি এ ধরনের অভ্যাস না থাকে, স্বাভাবিক নিয়মে স্বপ্নদোষ হয় তবে চিন্তার কিছু নাই। প্রতিতা সুস্থ্য মানুষের এটা হবে। ব্যক্তি ভেদে, বিশেষ দিনে খাবার অনুযায়ী, আন্ডারওয়ার পোষাক অনুযায়ী কম বেশি হতে পারে। এক মাসে ৪ বার হয়েছে এটা নিয়া ভাব্বেন না। বরং খেয়াল করুন প্রতি মাসে এভাবেই হয় কিনা। যদি একটানা ৬ মাস এক বছর প্রতি মাসে এতটা হয় তবে অবশ্যই ডাক্টারের পরামর্শ নেবেন।
★বয়ঃসন্ধিকালে যৌন হরমোনের আধিক্যের জন্য গৌণ বা অনিশ্চিত কারণঃ ★স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত যৌন বিষয়ক চিন্তা করা ★পর্ণগ্রাফি বা নীল ছবিতে আসক্ত হওয়া ★যৌন উদ্দীপক বই পড়া ★শয়নকালের পূর্বে যৌন বিষয়ক চিন্তা করা বা দেখা বয়ঃসন্ধিকালে কারো কারো স্বপ্নদোষ নাও হতে পারে , এতে এটা প্রমাণ করে না যে তার সমস্যা আছে। আবার নিয়মিত হস্থমৈথুনের প্রভাবে স্বপ্নদোষের পরিমাণ হ্রাস পায়। স্বপ্নদোষের সাথে সবসময় স্বপ্ন দেখার সম্পর্ক নাও থাকতে পারে। যেহেতু স্বাভাবিক নিয়মিত স্বপ্নদোষ কোন সমস্যা নয়, স্বপ্নদোষ থেকে বাঁচার উপায় ১) ঘুমাতে যাওয়ার আগে প্রস্রাব করে নিন।যদিও এটি স্বপ্নদোষের চিকিৎসা নয়।তবে এটি স্বপ্নদোষের চাপ কমাতে শরিরকে সাহায্য করে। ২) ঘুমাতে যাওয়ার আগে এককাপ ঋষি পাতা(sage leaves- Google এ search করে দেকতে পারেন। হয়ত এটি আপনার অঞ্চলে ভিন্ন নামে পরিচিত) এর চা পান করলে অতিরিক্ত হস্থমৈথুন জনিত স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি পেতে পারেন। ৩) অশ্বগন্ধা স্বপ্নদোষে সৃষ্ট সমস্যার উপকরণ সহ সর্বোপরি যৌন স্বাস্থ্য শুদ্ধি হরমুন ব্যালেন্স এবং হস্থমৈথুন এর ফলে দুর্বল হয়ে যাওয়া পেশিশক্তি ফিরে পাওয়া ও ছোট খাটো ইঞ্জুরি সারিয়ে তুলতে পারে। ৪) ঘুমানোর আগে অতিরিক্ত পানি পান করবেন না।যদি সামান্য পরিমাণ প্রস্রাবের লক্ষণও থাকে বিছানায় যাওয়ার আগে প্রস্রাব করে নিন। ৫) রাতে খাবার পর পরই ঘুমাতে যাবেন না।কিছুক্ষণ হাটা হাটি করুন। ৬) প্রতিদিন সামান্য করে হলেও পুদিনা পাতা অথবা মিছরি খাবার অভ্যাস করুন। ৭) পবিত্র কোরানের ৩০ নাম্বার পারার ” সুরা তারিক” পরে শয়ন করুন। হালকা জিকির এবং অন্যান্য দোয়া পরে ঘুমাতে গেলে আল্লাহর রহমতে স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি পেতে পারেন।