নামাজ সম্পর্কিত প্রশ্ন?
5 Answers
নামাজে ওয়াজিব ছুটে গেলে সাহূ সেজদা দিতে হয় কিন্তু ফরজ ছুটে গেলে পুনরায় নামাজ আদায় করতে হবে আর সুন্নাত ছুটলে তেমন কোন সমস্যা নে তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন অতিরিক্ত ছুতে না যায় আর এ ক্ষেত্রে আপনাকে ফরজ' ওয়াজিব' ও সুন্নাত জানতে হবে তাই ( নুরাণী পদ্দতি তে নামাজ সিক্ষা ) এই বই টি পরতে পারেন দাম 50/60 লাইবেরী তে খুজলে পেতে পারেন ।
নামাজের মধ্যে ১৪ টি কাজ ওয়াজিব। ওয়াজিব কাজ বলতে ঐ সব কাজকে বুঝায়, যার কোনো একটিও ছুটে গেলে সিজদায়ে সাহু আদায় করতে হয়। সিজদায়ে সাহু আদায় করতে ভুলে গেলে পুনরায় নামাজ পড়তে হয়। তাই নামাজের ওয়াজিব গুলো যথাযথ আদায় না করলে নামাজ হবে না। নামাজের ওয়াজিব গুলোর মধ্যে প্রত্যেক নামাজে সুরা ফাতিহা সহ কিরআত বা সুরা মিলনো এই তিলাওয়াতে ভূল হলে সিজদায়ে সাহু দিতেই হবে। এছাড়া নামাজের ভেতর কথা বলা। নামাজে এমন কোনো অর্থবোধক শব্দ করা, যা সাধারণ কথার অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। নামাজে শব্দ করে হাসা। নামাজে শব্দ করে অট্টহাসি দিলে নামাজ ভেঙ্গে যায়।
নামাযের ওয়াজিবসমূহ
ওয়াজিব অর্থ হলো আবাশ্যক। নামাযের মধ্যে কিছু বিষয় আছে অবশ্য করণীয়। তবে তা ফরজ নয়, আবার সুন্নাতও নয়। যা ভুলক্রমে ছুটে গেলে সিজদায়ে সাহু দিতে হয়। আর ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দিলে নামায ভঙ্গ হয়ে যায়। নিচে ওয়াজিবসমূহ উপস্থাপন করা হলো । রুকন এর পরেই ওয়াজিব এর স্থান, যা আবাশ্যিক। যা ইচ্ছাকৃতভাবে তরক(বাদ) করলে নামায বাতিল হয়ে যায় এবং ভূলক্রমে তরক করলে ‘সিজদায়ে সাহু’ দিতে হয়। নামাযের ওয়াজিব মোট ১৪টি।যথাঃ
১. সূরা ফাতিহা পাঠ করা পূর্ণ পাঠ করা।
২. সূরা ফাতিহার সাথে অন্য সূরা মিলানো।
৩. ফরযের প্রথম দুই রাকাতকে কিরাতের জন্য নির্ধারিত করা।
৪. তা’দীলে আরকান বা ধীরস্থিরভাবে নামায আদায় করা।
৫. প্রথম বৈঠকে আত্তাহিয়্যাতু পাঠ করতে যতটুকু সময় লাগে, সে পরিমাণ সময় পর্যন্ত বসে থাকা।
৬. উভয় বৈঠকে আত্তাহিয়্যাতু পাঠ করা।
৬. যে সকল নামাযে প্রকাশ্য বা উচ্চঃস্বরে কিরা’আত পাঠ করার নির্দেশ রয়েছে সেগুলোতে প্রকাশ্য কিরা’আত পাঠ করা ।
৭. প্রত্যেক রাকাতের ফরয এবং ওয়াজিবগুলোর তারতীব ঠিক রাখা।
৮. ফরয ও ওয়াজিবগুলো স্ব স্ব স্থানে আদায় করা।
৯. বেতরের নামাযে দু’আ কুনুত (বা, অন্য কোন দুআ) পাঠ করা পাঠ করা।
১০. ঈদের নামাযে অতিরিক্ত ছয়টি তাকবীর বলা।
১১. দুই ঈদের নামাযে দ্বিতীয় রাকআতে অতিরিক্ত তিন তাকবীর বলার পর রুকুর জন্য ভিন্নভাবে তাকবীর বলা।
১২. যে নামাযে চুপে চুপে কিরা’আত পাঠ করার নির্দেশ রয়েছে সেসব নামাযে নীরবে বা চুপে চুপে কিরা’আত পাঠ করা। এবং যে সব নামাযে উচ্চস্বরে কিরাত পাঠ করার নির্দেশ এসেছে সেসব নামাযে উচ্চস্বরে কিরাত পাঠ করা।
১৩. সূরা ফাতিহাকে অন্য সূরার আগে পড়া।
১৪. সালাম এর মাধ্যমে নামায শেষ করা।
***
নামাযের তিলওয়াতে এই পরিমান ভুল হলে, যার মাধ্যমে অর্থের মধ্যে বিকৃতি ঘটে তাহলে নামায ভেঙ্গে যাবে। আর এরকম না হলে নামায হয়ে যাবে। কোনরূপ সমস্যা হবে না। এবং নামাযে হালকা হাসি যাকে মুসকি হাসিও বলে। যা শুধু নিজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। অন্যরা সে হাসির আওয়াজ শুনতে পায় না। তাহলে নামাযে কোনরূপ সমস্যা হবে না।
আপনি যে সমস্যার কথা বলেছেন যদি হাসিতে দাত দেখা যায় আর তিলাওয়াত এ অর্থ পরিবর্তন হয়ে যায় তা করলে নামাজ ভেংগে যাবে,, আবার নতুন করে নামাজ পড়তে হবে,, তাছড়া নামাজে আল্লাহর ধ্যান ছাড়া অন্য কিছু আসলেও সেই নামাজির জন্য দুর্ভোগ,, যা সুরা মাউনে বলা হয়েছে
অনিচ্ছাকৃত নামাযের কোন ওয়াজিব ছুটে গেলে সেজদায়ে সাহূ করা ওয়াজিব হয়৷ ইচ্ছাকৃত কোন ওয়াজিব ছাড়লে নামায বাতিল হয়ে যায়৷ এক্ষেত্রে নতুন ভাবে পূণরায় আদায় করতে হবে৷ নামাযের ওয়াজিব মোট ১৪টি।যথাঃ ১. সূরা ফাতিহা পাঠ করা পূর্ণ পাঠ করা। ২. সূরা ফাতিহার সাথে অন্য সূরা মিলানো। ৩. ফরযের প্রথম দুই রাকাতকে কিরাতের জন্য নির্ধারিত করা। ৪. তা’দীলে আরকান বা ধীরস্থিরভাবে নামায আদায় করা। ৫. প্রথম বৈঠকে আত্তাহিয়্যাতু পাঠ করতে যতটুকু সময় লাগে, সে পরিমাণ সময় পর্যন্ত বসে থাকা। ৬. উভয় বৈঠকে আত্তাহিয়্যাতু পাঠ করা। ৬. যে সকল নামাযে প্রকাশ্য বা উচ্চঃস্বরে কিরা’আত পাঠ করার নির্দেশ রয়েছে সেগুলোতে প্রকাশ্য কিরা’আত পাঠ করা । ৭. প্রত্যেক রাকাতের ফরয এবং ওয়াজিবগুলোর তারতীব ঠিক রাখা। ৮. ফরয ও ওয়াজিবগুলো স্ব স্ব স্থানে আদায় করা। ৯. বেতরের নামাযে দু’আ কুনুত (বা, অন্য কোন দুআ) পাঠ করা পাঠ করা। ১০. ঈদের নামাযে অতিরিক্ত ছয়টি তাকবীর বলা। ১১. দুই ঈদের নামাযে দ্বিতীয় রাকআতে অতিরিক্ত তিন তাকবীর বলার পর রুকুর জন্য ভিন্নভাবে তাকবীর বলা। ১২. যে নামাযে চুপে চুপে কিরা’আত পাঠ করার নির্দেশ রয়েছে সেসব নামাযে নীরবে বা চুপে চুপে কিরা’আত পাঠ করা। এবং যে সব নামাযে উচ্চস্বরে কিরাত পাঠ করার নির্দেশ এসেছে সেসব নামাযে উচ্চস্বরে কিরাত পাঠ করা। ১৩. সূরা ফাতিহাকে অন্য সূরার আগে পড়া। ১৪. সালাম এর মাধ্যমে নামায শেষ করা। নামাযে শুদ্ধ তেলাওয়াত করা ফরয৷ অতএব তেলাওয়াত শুদ্ধ না হলে সেজদায়ে সাহূ আদায় করলেও নামায হবে না৷ করণীয় হচ্ছে দ্রুত তেলাওয়াত শুদ্ধ করে নেয়া৷ নামাযে উচ্চস্বরে হাসলে (এমন আওয়াজে যা পাশের জন শুনতে পাবে) নামায এবং অজু দুটোই নষ্ট হয়ে যাবে৷ এক্ষেত্রে সেজদায়ে সাহূ আদায় করলেও নামাজ হবেনা, পূণরায় অজু করে নামায পড়তে হবে৷ আর নিম্নস্বরে হাসলে (যার আওয়াজ শুধু নিজে শুনেছে) নামায নষ্ট হবে, অজু নষ্ট হবে না, তাই পূণরায় শুধু নামায পড়ে নিলেই হবে৷