একটি মেয়ে আমাকে প্রচন্ড ভালবাসে, আমিও বাসতাম কিন্তু ইসলামে তো এগুলো সমর্থন নেই তাই আমি আর দুরে নিয়ে যেতে চাই না। এখন আমি কি করবো?
3 Answers
বিষয়টা আপনি প্রথমে পারিবারের কাউকে অবহিত করান এবং আপনাদের এমন ঘটনা তাকে বলুন এবং বলুন যে, আপনি তাকে ভালোবাসেন ও তাকে বিয়ে করতে চান। এভাবে, সেও (আপবার লাভার) যেন তার পরিবারের কাউকে আপনাদের সম্পর্কের কথা বলে এবং বিয়ে দিলে আপনার সাথে যেন দেয়। মোটকথা, আপনারা উভয়জন আপনাদের পরিবারকে আপনাদের এ ঘটনাটা অবহিত করান। তো, পরিবার তারা আপনাদের কল্যাণমত একটা সিদ্ধান্ত নিবে। অথবা, আপনারা এখন পরিবারের অনুমতিতে বিবাহের আকদ করতে পারেন। তারপর থেকে আপনারা পরস্পরের কথা বলাতে কোনো সমস্যা হবে। পরে, আনুষ্ঠানিক ভাবে বিয়ের আয়োজন করলেন। এই দুই পদ্ধতি ছাড়া আর কোনো উপায় আমি দেখছি না।
আপনি যেহেতু তাকে প্রতিজ্ঞা দিয়েছিলেন তাই আপনার উচিত তাকে আর কষ্ট না দেয়া। আপনি যত দ্রুত সম্ভব তার পরিবারের সাথে কথা বলে বিয়ের মাধ্যমে অবৈধ ভালোবাসাটাকে বৈধ করে ফেলুন। তাহলেই আর গুণাহগার হবেন না।
বিয়ের পূর্বে বেগানা কোন যুবক যুবতীর ভালবাসা সম্পুর্ন হারাম। মহান আল্লাহ বলেছেন, বিশ্বাসীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত করে এবং তাদের যৌন অঙ্গকে সাবধানে সংযত রাখে, এটিই তাদের জন্য অধিকতর পবিত্র। ওরা যা করে, নিশ্চয় আল্লাহ সে বিষয়ে অবহিত। (নূরঃ ৩০) বেগানা নারীর উপর আচমকা দৃষ্টি পড়ে গেলে হাদীসে বলা হয়েছে, তুমি তোমার দৃষ্টি ফিরিয়ে নাও। মুনাফিকের নিদর্শন হলো ওয়াদা বা প্রতিজ্ঞা করে, তা ভঙ্গ করা। আপনারা কি বৈধ কাজে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন? এখন আপনাদের করনীয় হলোঃ পরিক্ষা শেষ হলে অবিভাবকদের সম্মতিতে বিয়ে করা। কেননা একটি দুর্ঘটনা সারা জীবনের কান্না। আশা করি আপনি সেটা চাইবেন না। কোন ব্যক্তি বেগানা কুমারীর সাথে প্রেম করে ব্যভিচার করে, এখন সে তাকে বিয়ে করতে চায়। এটা তার জন্য বৈধ তবে। এজন্য আপনাদের প্রত্যেকের এই নিকৃষ্টতম অপরাধ হতে অশালীনতায় পড়ার ফলে যা ঘটে গেছে তার জন্য আল্লাহর নিকট তওবা করতে হবে। এছাড়া ইসলামের আলোকে উত্তর দেওয়ার আর কোন পথ নেই।