3 Answers

যেহেতু আপনি মানুষিক ভাবে দুর্বল তাই আপনার মনোবল ফিরে আনা খুব জরুরি।মনে রাখবেন সকল ঔষুধের মূল ঔষধ হলো হাঁসি খুশি।তাই নিজেকে যত হাসি-খুশি রাখবেন ততই ভালো।আর যত সম্ভব নিজেকে অতীত থেকে দুরে রাখবেন।ধন্যবাদ।

2933 views

বিভিন্ন কারনে এ সমস্যা হতে পাড়ে। এসব নিয়ম মেনে আপনি উপকৃত হবেন আশা করি পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন ড. হেফনার বলেন “ইয়োগা, ধ্যান কিংবা তাই-চি ইত্যাদি শরীরে দুশ্চিন্তা সৃষ্টিকারী হরমোনের পরিমাণ কমিয়ে ফেলে এবং দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।” একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যারা নিয়মিত ইয়োগা করেন তারা তুলনামূলক কম শারীরিক সমস্যা বা প্রদাহে ভোগেন। বিভিন্ন দুরারোগ্য শারীরিক সমস্যার মধ্যে  গা-ব্যথা অন্যতম। পরে যা থেকে হৃদরোগ সৃষ্টি করতে পারে। এ সম্পর্কে ‘টেক্সাস এঅ্যান্ডএম হেল্থ সায়েন্স সেন্টার কলেজ অফ মেডিসিন’য়ের সহকারী অধ্যাপক জন সিমন্স জুনিয়র বলেন “নিয়মিত দিনের কিছু নির্দিষ্ট সময়ে অন্যসব ব্যস্ততার কথা ভুলে একান্ত মনে বিশ্রাম শরীরের জন্য ভালো ফল বয়ে আনে।” বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান। ছবি: সাকিব রাইন। সবসময় একাকী থাকা মানসিক স্বাস্থ্যে পাশাপাশি হৃদযন্ত্রেরও ক্ষতি করতে পারে। এমনকি কখনও হৃদরোগ ধরা না পড়লেও ক্ষতির আশংকা থেকেই যায়। একটি গবেষনায় দেখা গেছে মানসিক চাপ থেকে সাধারণত মহিলারা একধরনের কণ্ঠনালীর প্রদাহ, হৃদপিণ্ডসক্রান্ত বুকের ব্যাথা এবং অন্যান্য সমস্যায় ভোগেন। বিশেষ করে তারা যখন হার্ট-অ্যাটাকের পরে সময়টায় পরিবার বা সমাজ থেকে পর্যাপ্ত মানসিক সহায়তা পাননা। তাই একাকী ঘরে বসে না থেকে আজই বন্ধুদের সঙ্গে বের হয়ে পড়ুন। তবে এক্ষেত্রে প্রকৃত বন্ধু নির্বাচনে সচেতন হতে হবে। হেফনার এর মতে “আপনার বন্ধুরা যদি স্বার্থপর হয় তবে অনেক বন্ধু থাকলেও তা খুব একটা উপকারী হবে না।” নির্ভুল হওয়ার চিন্তা বাদ দিন যারা সাধারনণত “টাইপ এ” চরিত্রের মানে সবসময় শুদ্ধ চরিত্রের অধিকারী হতে চান তারাই মূলত হৃদরোগে বেশি ভোগেন। হেফনারের মতে এ ধরনের অতিরিক্ত খুঁতখুঁতে মনোভাব শেষ পর্যন্ত ব্যক্তিচরিত্রে শত্রুতার মনোভাব তৈরি করে। তিনি বলেন “টাইপ এ চরিত্রের পেছনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা শত্রুভাবাপন্ন মনোভাব মূল চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করে। প্রকৃতপক্ষে এধরনের মনোভাব ব্যক্তিমনে অন্যদের প্রতি প্রবল বিদ্বেষ তৈরি করে।” গবেষনায় দেখা গেছে, শত্রুভাবাপন্ন মনোভাব উচ্চ রক্তচাপ এবং মুটিয়ে যাওয়ার মূল কারণ যা পরে হৃদরোগ ডেকে আনে। তাই সবসময় ভালো চিন্তা করুন এবং সবার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করুন। কেননা আশাবাদী মনোভাব আপনার হ্রদযন্ত্র রাখবে সুরক্ষিত এবং বিপদমুক্ত। ক্ষোভ ঝেড়ে ফেলুন মনের মধ্যে ক্ষোভ জমা করে রাখার অভ্যাস কখনোই হৃদযন্ত্রের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে না। গবেষনায় দেখা গিয়েছে ক্ষমা করার পরিবর্তে ক্ষোভ জমা করে রাখলে মানসিক চাপ বেড়ে যায় এবং সেই সঙ্গে হৃদ্ররোগে আক্রান্ত হওয়ার হার বাড়ে। ডক্টর সিমন্স বলেন “আপনি ভাবতেই পারবেন না মনের মধ্যে ক্ষোভ জমা থাকলে তা কত দ্রুত এবং দীর্ঘ সময় ধরে শরীরের ক্ষতি সাধন করে। তাই নিজের ঘাঁড় থেকে এই আপদ নামিয়ে মানসিকভাবে সুস্থ থাকুন সবসসময়।” এ সম্পর্কে বলতে গিয়ে ক্যথি হেফনার ক্ষমাশীল হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এর ফলে সামাজিক বন্ধন আরও দৃঢ় হবে যা সুরক্ষিত রাখবে হৃদযন্ত্র। প্রাণ খুলে হাসুন ২০০৫ সালে পরিচালিত গবেষণায় জানা যায় সবসময় গম্ভীর থাকার বদলে প্রাণ খুলে হাসলে শতকরা বিশভাগ বেশি ক্যালরি পোড়ানো যায়। প্রাণ খুলে হাসুন। ছবি: রয়টার্স। প্রাপ্তবয়স্ক কিছু মানুষকে নিয়মিত হাস্যকর এবং তুলনামুলক গম্ভীর চলচ্চিত্র দেখানোর পর গবেষকরা এই সিদ্ধান্তে আসেন। আর নিয়মিত ক্যালরি পোড়ানোর মাধ্যমে স্থুলতার হাত থেকে বাঁচা যায় যা কিনা দীর্ঘ সময় ধরে হৃদযন্ত্র সুরক্ষিত রাখার ভালো একটি উপায়। নিয়মিত আমোদ-প্রমোদ হৃদস্পন্দনের হার বাড়িয়ে দেয়। ২০১০ সালে প্রকাশিত আমেরিকান জার্নাল অফ কার্ডিওলজি’র তথ্যানুসারে, হাসি ঠাট্টার ফলে দেহের সংবহনতন্ত্র বা বিভিন্ন নালীর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। তাই ঠোঁটের কোণে সবসময় এক চিলতে হাসি রাখুন কিংবা পারলে মন খুলে হাসুন। আপনি যত বেশি হাসবেন, তত বেশি ক্যালরি পুড়বে এবং হৃদযন্ত্র হবে শক্তিশালী। অতিরিক্ত মদ্যপান থেকে বিরত থাকুন অতিরিক্ত মদ্যপান দেহে ট্রাইগ্লিসারিনের এবং রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয় এবং হৃদপিণ্ড অকার্যকর করে দিতে পারে। অন্যদিকে নিয়ন্ত্রিত মদ্যপান বরং দেহকে হৃদরোগ থেকে দূরে রাখে। তবে এক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রিত মদ্যপান বলতে পুরুষদের জন্য দিনে বড়জোর দু’গ্লাস এবং মহিলাদের জন্য দিনে খুব বেশি হলে এক গ্লাস বোঝায়। এ ব্যাপারে ডক্টর সিমন্স সতর্ক করে দিয়ে জানান, যারা মদ পান করেন না তাদের জন্য এটা কখনোই মদ পান শুরু করার কারণ হতে পারে না। তিনি আরও বলেন, “তবে যদি এক গ্লাস ওয়াইন খাওয়ার নিশ্চয়তা চান তবে তা খেতে পারেন নিশ্চিন্তে।” ক্যাফেইন নেওয়া কমিয়ে দিন ক্যাফেইন খুব দ্রুত আপনার ইন্দ্রিয়কে সজাগ করে তুলে এবং মানসিক চাপ বর্ধক হরমোনের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে পারে। এটা তখনই ভালো যদি আপনি কোনও হিংস্র বাঘের মুখে পড়েন। তবে সামান্য কারণ যেমন ট্রাফিক জ্যামে আটকা পড়ার ফলে যদি এমন হয় তবে তা চিন্তার কারণ বৈকি। মানসিক চাপ বাড়ানোর হরমোনের নি

2933 views
১)টেনশন কমাবার ঔষধঃ এখন এই ধরনের অনেক ঔষধ বাজারে পাওয়া যায়। যেমনঃডায়াজেপাম( Diazepam),লোরাজেপাম (Lorazepam),টেমাজেপাম (Temazepam),নাইট্রায েপাম(Nitrazepam) ,অ্যালপ্রাজোলাম (Alprazolam),ট্রায়াজোলাম (Triazolam),ইত্যাদি।এই ঔষধ গুলির সুবিধা হল যে, খাওয়ার কিছু সময়, মানে কয়েক মিনিট থেকে আধ ঘন্টার মধ্যে অ্যাকশান শুরু হয়ে যায়।আর ঘুমেও সাহায্য করে। সবচেয়ে বড় বা বিশেষ সমস্যা হল, বেশীর ভাগ রোগিরই এতে অ্যা্ডিকশন হয়ে যায়,বিশেষ করে যদি কয়েক সপ্তাহের বেশী সময় ধরে ব্যবহার করে।তখন যত দিন যেতে থাকে আগের ডোজে কাজ ভাল হয় না,তখন বেশী ডোজ বাড়াতে হয়। আর ডোজ না বাড়ালে বা তখন এই ঔষধ গুলি বন্ধ করার চেষ্টা করলে আরো বেশী উদ্বিগ্নভাব হয়, যেটাকে ডাক্তারি ভাষায় বলা হয়, উইথড্রয়াল সিনড্রোম (Withdrawal syndrome)।সুতরাং এইসব ঔষধ বেশীদিন খাওয়া উচিৎ নয়। এর পরিবর্তে নিম্নলিখিত ঔষধ গুলি ডাক্তাররা বেশী ব্যবহার করেন।প্যারক্সেটিন (Paroxetine),ফ্লুওক্সেটিন (Fluoxetine),সিটলোপ্রাম (Citalopram) ,ভেনলাফ্যাক্সিন (Venlafaxine),ইত্যাদি আরো অনেক ঔষধ।এই ঔষধগুলি ব্যবহার হয় মানসিক অবসন্নতা বা ডিপ্রেসনের চিকিৎসাতেও। উপরিউক্ত ঔষধ গুলির মধ্যে প্যারক্সেটিন সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত হয় প্যানিক অ্যাটাক ও সব সময় উদ্বিগ্নতা ভাবের চিকিৎসার জন্য।এই ঔষধ গুলোয় কোনো অ্যাডিকশন হয় না। আর একটা সবচেয়ে বড় সমস্যা হল,যদিও এই রোগের প্রধান চিকিৎসা সাইকোথেরাপি,যেট া আমাদের দেশে এখনও বেশ প্রচলিত হয়নি,সেইজন্য ডক্তাররা সবচেয়ে সোজা মনে করেন এবং রোগীরাও পছন্দ করেন কোনো একটা অষুধ লিখে দেওয়া।আর এতে ডাক্তার ও রোগীদেরও বেশ সময় বাঁচে। দেখা গেছে রোগীরা বা তাঁর বাড়ীর লোকেরা সেই একই প্রেসক্রিপ্সনে দিনের পর দিন সেই ঔষধ চালিয়ে যাচ্ছেন,কারণ ঔষধ বন্ধ করলে যে অসুখটার আরও বাড়াবাড়ি হবে। নিম্নলিখিত কিছু কিছু ব্যবস্থা নিলে অনেক সময় এই উদ্বেগ বা টেনশন অনেক কমে যেতে পারে

তথ্যসূত্র.Facebook

2933 views

Related Questions