8 Answers
আমার মতে দুইটাই লাগবে। কারণ যার মেধা আছে সে যদি পরিশ্রম না করে তাহলে তার মেধা কোনো কাজে আসবে না। একসময় মেধাটার অবনতি ঘটবে। অপরদিকে যাদের মেধা নাই কিন্তু কঠোর পরিশ্রম করে তারাও একই বিপদের মুখোমুখি। যে ছাত্ররা কঠোর পরিশ্রম করতেছে কিন্তু ধারণ ক্ষমতা নাই, সেই সকল ছাত্রদের কঠোর পরিশ্রম করাটা অনেকটা বৃথা হয়ে যায়। তাই বলে আমি আরও বলতেছিনা যে মেধা ছাড়া কঠোর পরিশ্রম দ্বারা কিছুই করা সম্ভব না। অবশ্যই সম্ভব। তবে ছাত্রদের জন্য দুইটাই লাগবে।
আমার দিক থেকে পড়াশোনাতে ৫০% মেধা আর বাকি ৫০% পরিশ্রম থাকা আবশ্যক। কারণ ,শুধু পরিশ্রম করেই গেলাম কিন্তু আমার কোন মেধা নাই মেধা থাকলে পরিশ্রম করাটা সার্থক হবে। সহজেই পড়ার বিষয় মনে থাকবে।আবার মেধা আছে কিন্তু কোন পরিশ্রম করলাম না সেটা হতে পারেনা । পরিশ্রম হলো সৌভাগ্যের চাবি কাঠি । মেধা থাকলে অল্প পরিশ্রম করলেই পড়াশোনায় সাফল্যলাভ করা যায়। আশা করি বুঝাইতে পেরেছি।
আমার কাছে মেধা আর পরিশ্রম একে অপরে পরিপূরক, যা একটি ছাড়া অন্য টি মূল্যহীন।
যার মেধা আছে, কিন্তু সে পরিশ্রম না করায় তার মেধা কোন কাজেই আসবে না।যা লেখা পড়া বা অন্য কিছুতে।
আর যে পরিশ্রম করে তার মেধা না থাকায় তার পরিশ্রম মূল্যহীন।
পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি। তাই যেকোনো ক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করতে চাইলে অবশ্যই পরিশ্রম করতে হবে। পড়াশোনার ক্ষেত্রেও ঠিক তাই। শুধু মেধাবী হয়ে ঘরে বসে থাকলে পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট অর্জন করা সম্ভব না। এর জন্য প্রয়োজন কঠোর অনুশীলন। তাই নিজের মেধাকে কাজে লাগতে হলে পরিশ্রম অবশ্যই করতে হবে।
সাফল্যের ৯৮ ভাগ হলো পরিশ্রম আর ২ ভাগ হলো মেধা । পড়াশোনায় যারা মেধাবী ছাত্র তারা পরিশ্রমের ফলেই মেধাবী হতে পেরেছে । পড়াশোনায় ভালো হতে হলে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয় হলো মেধা ।
এটা বাস্তবেই পরিক্ষিত যে পরিশ্রম ছাড়া কোন কাজে সফল হওয়া সম্ভব নয় । পৃথিবীতে এর অনেক দৃষ্টান্ত রয়েছে । জিবনে যারা বড় হয়েছেন বা যারা সফলতা অর্জন করেছেন তারা পরিশ্রম করেই হয়েছেন এমনি তাদের কাছে সাফলতা এসে ধরা দেয়নি ।