3 Answers

নারিকেলের দুধ- নারিকেলের দুধ চুলের জন্য একটি উচ্চমানের পুষ্টি উপাদান যা মাথার ত্বক নারিশ করে চুলের গ্রোথ বাড়িয়ে তোলে। চুল পড়া রোধে আপনি নারিকেল থেকে দুধ বের করে সেটা চুলের গোঁড়ায় ম্যাসাজ করলে চুল পড়া রোধ হয়। এটি চুল পড়া বন্ধ করার একটি অন্যতম সহজ ও কার্যকরী উপাদান। অ্যালোভেরা- অ্যালোভেরা জেল সরাসরি নিয়ে বা অ্যালোভেরা জুস বানিয়ে আপনি আপনার মাথার ত্বকে লাগিয়ে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করুন। এক থেকে দুই ঘণ্টা রেখে দিন পরে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। অ্যালোভেরার প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদান মাথার ত্বক সুস্থ রাখে এবং ড্রাই মাথার ত্বক স্বাভাবিক করে যার ফলে চুল পড়া প্রায় অনেকটাই কমে আসে। অয়েল ম্যাসাজ- আজকাল অনেকেই চুলে তেল দেওয়া একদম পছন্দ করেন না। কিন্তু স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুল ও চুল পড়া বন্ধ করতে তেলের বিকল্প হয়না। আপনি যদি প্রতিদিন না সম্ভব হলেও সপ্তাহে কমপক্ষে ৩ টা দিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে হালকা গরম তেল আপনার মাথার ত্বকে ম্যসাজ করেন তাতে মাথার ত্বকে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয়ে চুল পড়া রোধ করে চুলের বৃদ্ধি বাড়িয়ে তুলবে। এক্ষেত্রে নারিকেল তেল সবচেয়ে ভালো কাজ করে, তবে আপনি চাইলে অলিভ অয়েল, জোজোবা, মাস্টারড, কাস্টার ও অ্যালমন্ড অয়েলও ব্যবহার করতে পারেন। নিমপাতা- নিম গাছ হল বিধাতা প্রদত্ত প্রকৃতির এক অনন্য উপকারী এমন এক আশীর্বাদ যাতে প্রয়োজনীয় সব উপাদান স্তরে স্তরে সাজানো রয়েছে। এটিতে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ফাংগাল, অ্যান্টি- ভাইরাল, অ্যান্টি-সেপটিক, অ্যান্টি-ডায়াবেটিক ও সেডাটিভ প্রাকৃতিকভাবেই বিদ্যমান। চুল পড়া কমাতে এই নিম পাতার কোন তুলনা হয়না। আপনি নিমপাতা পরিমাণ মতো নিয়ে তাতে পানি মিশিয়ে জ্বালাতে থাকুন যতক্ষণ পানি কমে অর্ধেক আকার ধারণ নয়া করে। এবার এই পানি ঠাণ্ডা করে আপনার মাথা ধুয়ে ফেলুন। প্রতি সপ্তাহে একবার এটি ব্যবহার করলেই আপার চুল পড়া কমে আসবে। আমলা- কিছু শুকনা আমলা নিয়ে নারিকেল তেলের মধ্যে দিয়ে জ্বালাতে থাকুন যতক্ষণ নয়া তেল কালো হয়ে যায়। এবার এই তেল আপনার মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন দেখবেন চুল পড়া বন্ধ হবে। আবার আপনি চাইলে আমলা বেটে এর সাথে শিকাকাই মিশিয়ে পেস্ট করে তা মাথায় লাগাতে পারেন, এটাও চুল পড়া কমাতে খুব কাজে দেয়। বিঃদ্রঃ যাদের চুল ড্রাই তারা শিকাকাই ব্যবহার করবেন না।

2960 views

চুল পড়া প্রতিরোধে- *আপনাকে প্রতিদিন ভিটামিন ই জাতীয় খাবার খেতে হবে যা চুলের পুষ্টি জোগায়। *মাথায় পেয়াজের রস ব্যবহার করতে পারেন এটি সবচেয়ে কার্যকরি একটি প্রক্রিয়া। *মাথা ন্যারা করেও কিছুটা সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। *নিয়মিত শ্যাম্পু করবেন।

2960 views

চুলপড়া দূর করার উপায়:

১। সপ্তাহে একদিন নিমপাতা বেটে চুলে লাগাবেন। তারপর ঘন্টাখানেক পর তা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন। এতে শুধু চুলপড়া কমবে না, চুল নরম ও কোমল হবে।
২। রাতে ঘুমানোর সময় চুলে পেঁয়াজের রস মেখে ঘুমাবেন। সকালে ঘুম থেকে ওঠে তা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন। এতে শুধু চুল পড়া কমবে না, নতুন চুলও গজাবে।
৩। সপ্তাহে একদিন পেয়ারা পাতা বেটে চুলে লাগাবেন‌। ঘন্টাখানেক পর তা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন। এতে শুধু চুল পড়া কমবে না, স্থায়ী খুশকিও দূর হবে।
৪। নিয়মিত আমলকি খান, চুলপড়া কমে যাবে।
৫। গাজর, চিংড়ি, ডিম ও দুধ চুলপড়া রোধে উপকারী খাবার। 
৬। কোনো শ‍্যাম্পু, জেল, ঔষধ কিংবা নিম্নমানের তেল ব‍্যবহার করার প্রয়োজন নেই।
৭। কালোজিরার তেল, জলপাইয়ের তেল, নারিকেল তেল বা আমলকির তেলের ব‍্যবহার চুলের জন‍্য অত‍্যন্ত উপকারী।
৮। প্রতিদিন গোসলের সময় চুলকে ভালোভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে নিবেন।
চুলের প্রতি বিশেষভাবে যত্নবান হোন। আর চুলকে করে তুলুন লাবণ‍্যময়। ভালো থাকবেন। ধন‍্যবাদ।
2960 views

Related Questions