6 Answers
যতক্ষন পর্যন্ত পশ্চিমাকাশে লাল রেখা না দেখা দিবে ততক্ষন পর্যন্ত ফজরের নামাজের ওয়াক্ত শুরু হয়না
যদি এক কথায় বলি তাহলে না। ফজরের নামাজের সময় শুরু হয় সুবহে সাদিক হতে সূর্য ওঠার আগ পর্যন্ত।অর্থাৎ একটু অন্ধকার থাকতে। এমন কি আপনার ঘুমের কারনে যদি আওয়াল ওয়াক্ত চলে যায় আপনি যখন উঠবেন তখনি পড়তে হবে।সেটা সকাল ৬,৭,৮,৯ যেকোন সময়। আরো জানতে চাইলে।[বুখারি, মেশকাত, পৃ: ৬০]
ওয়াক্তমত নামায পড়া ফরয।ওয়াক্ত হওয়ার পূর্বে পড়ার কোনো নিয়ম নেই।তবেপরে পড়ার নিয়ম আছে যেমন কাযা নামাজ। আর এশার নামায এর শেষ ওয়াক্ত হলো সুবহে সাদিকের আগ পর্যন্ত।তাই আপনি ওয়াক্ত হওয়ার পূর্ব ফজরের নামায পড়তে পারবেন না।তথা ২.৫ টার সময় ফজরের নামায পড়তে পারবেন না।
পাখি ডাকা ভোরে কিছুটা আঁধার থাকতেই অর্থাৎ সকালের আভা ছড়িয়ে পড়ার আগেই ফজরের নামাজ আদায় করে নেয়া ভাল। তবে ক্ষেত্র বিশেষে প্রয়োজনে সূর্যের উদীয়মান প্রথম অংশ পূর্ব দিগন্তরেখা অতিক্রম করার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত নামাজ আদায় করে নেয়া যেতে পারে।
হাদিসের আলোকে ফজরের নামাজেরর ওয়াক্ত।
রাফে ইবনু খাদীজ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা পূর্ব দিগন্ত পরিষ্কার হওয়ার পর ফজরের নামাজ আদায় করবে, কেননা এর মধ্যে তোমাদের জন্য উত্তম বিনিময় রয়েছে। (আবু দাউদ হাদিস নম্বরঃ ৪২৪)
ইবরাহিম ইবনু হারুন (রহঃ) মুহাম্মদ ইবনু আলী ইবনু হুসায়ন (রহঃ) থেকে বর্ণিত। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সালাত আদায় করতেন, যখন ফজর তাঁর কাছে সুস্পষ্ট হয়ে উঠত। (সূনান নাসাঈ, হাদিস নম্বরঃ ৫৪৩)
ইবরাহীম ইবনু ইয়াকুব (রহঃ) মাহমুদ ইবনু লবীদ (রহঃ) –এর মাধ্যমে তাঁর আনসার সম্প্রদায়ের কতিপয় ব্যক্তি হতে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ফজরের সালাত যতই ফর্সা হওয়ার পর আদায় করবে, ততই তোমাদের অধিক সওয়াবের কারণ হবে। (সূনান নাসাঈ, হাদিস নম্বরঃ ৫৪৯)
জনাব! বাংলাদেশ সময় ৪:২৮ মিনিট থেকে ফজরের ওয়াক্ত শুরু হয়। তাই রাত ২:৩০ মিনিটের সময় ফজরের সালাত আদায় করা যাবে না।