2 Answers
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের রাকাত সমূহ => (1) ফজর :- 4 রাকাত । .............প্রথম 2 রাকাত সুন্নাত .............পরের 2 রাকাত ফরজ ।। (2) জোহর :- 12 রাকাত । ..............প্রথম 4 রাকাত সুন্নাত ..............পরের 4 রাকাত ফরজ ..............এরপর 2 রাকাত সুন্নাত ..............এবং 2 রাকাত নফল ।। (3) আছর :- 8 রাকাত । ..............প্রথম 4 রাকাত সুন্নাত .............পরের 4 রাকাত ফরজ ।। (4) মাগরীব :- 7 রাকাত । ...............প্রথম 3 রাকাত ফরজ ..............পরের 2 রাকাত সুন্নাত ..............এবং 2 রাকাত নফল ।। (5) এশা :- 15 রাকাত । ...........প্রথম 4 রাকাত সুন্নাত ...........পরের 4 রাকাত ফরজ ..........এরপর 2 রাকাত সুন্নাত ..........3 রাকাত বিতের ..........এবং 2 রাকাত নফল ।। জুম্মা :- কাবলাল জুম্মা 4 রাকাত সুন্নাত । .........ফরজ 2 রাকাত । .........বায়াদাল জুম্মা 4 রাকাত সুন্নাত । ........নফল বা সুন্নাত 2 রাকাত ।।
দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কায়েম করা সারা মুসলিম উম্মাহর উপর ফরজ করেছেন মহান আল্লাহ তায়ালা। আসসালাতু ইমাদ উদ্-দ্বীন। নামাজ হচ্ছে দ্বীনের বা ধর্মের খুঁটি। হাদিস শরিফে রাসুল (সাঃ) বলেছেন, আসসালাতু মেরাজুল মুমিনিন। অর্থাৎ নামাজ হচ্ছে মুমিনদের জন্য আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ বা দিদারে ইলাহির মাধ্যম। আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ যে ব্যক্তি প্রতিদিন নিয়মিত বার রাকাত সুন্নাত আদায় করবে, আল্লাহ তায়ালা জান্নাতে তার জন্য একটি ঘর বানিয়ে দিবেনঃ যোহরের পূর্বে চার রাকাত। এরপর দুই রাকাত। মাগরিবের পর দুই রাকাত ইশার পর দুই রাকাত, ফজরের পূর্বে দুই রাকাত। [সূনান তিরমিজী, হাদিস নম্বরঃ ৪১৪] ফজরঃ- ফজরের নামাজ মোট চার রাকাত। প্রথমে দুই রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা এবং অতঃপর দুই রাকাত ফরজ। যোহরঃ- যোহরের নামাজ মোট দশ রাকাত। প্রথমে চার রাকাত সুন্নত, তারপর চার রাকাত ফরজ এবং সব শেষে দুই রাকাত সুন্নত। যদি কোন কারণে ফরজের পূর্বে চার রাকাত সুন্নত আদায় করতে না পারে, তাহলে ফরজের পরে আদায় করে নিবে। আছরঃ- আসরের নামাজ মোট আট রাকাত। প্রথমে চার রাকাত সুন্নতে জা'য়েদা (অনাবশ্যক) এবং অতঃপর চার রাকাত ফরজ। মাগরিবঃ- মাগরিবের নামাজ মোট পাঁচ রাকাত। প্রথমে তিন রাকাত ফরজ এবং অতঃপর দুই রাকাত সুন্নত। ইশাঃ- ইশার নামাজ মোট দশ রাকাত। প্রথমে চার রাকাত সুন্নতে জা'য়েদা (অনাবশ্যক), চার রাকাত ফরজ এবং সবশেষে দুই রাকাত সুন্নত। এছাড়াও তিন রাকাত বিতরের ওয়াজিব নামাজ ইশার দুই রাকাত সুন্নত নামাজের পরেই আদায় করে নেওয়া যায়। এছাড়া যোহর এবং ইশার নামাজ পরে দুই রাকাত নফ ল নামাজ আদায় করতে পারেন। =>ফজর, জহুর, আছর ও মাগরিবের নামাজ বেশি দেরি না করে ওয়াক্ত শেষ হয়ে যাবার কিছু সময়ের মধ্যেই আদায় করে নেয়া উত্তম। কোন কারনে সময় সম্পর্কে বে-খেয়াল হয়ে গেলে বা ঘুমিয়ে থাকলে বা কোন বিশেষ কারনে কোন নির্দিষ্ট নামাজের ওয়াক্ত পেরিয়ে গেলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তা আদায় করে নিতে হবে। এক্ষেত্রে অবশ্যই নামাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে অর্থাৎ যে ওয়াক্তের নামাজ মিস হয়েছে তা আগে আদায় কোরে নিতে হবে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy