মৃত্যু সম্পর্কে '`শিব পুরাণ`' এর এই বর্ণনা কি নিছক মনগড়া?
(১) মৃত্যুর সবথেকে বড় প্রাকলক্ষণ টের পাওয়া যাবে দেহের ভিতরেই। পুরাণ-মতে, কোনও ব্যক্তির দেহে যদি হলদেটে ভাব দেখা যায় এবং তাতে রক্তবর্ণের আভা থাকে, তবে বুঝতে হবে তাঁর মৃত্যু সন্নিকটে।
(২) যদি কোনও ব্যক্তি জলে অথবা দর্পণে তাঁর ছায়া দেখতে না পান, তিনিও জানবেন তাঁর মৃত্যুর বেশি দেরি নেই।
(৩) যদি কেউ নিজের ছায়া দেখতে না পান, তিনি জানবেন তাঁর ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে মৃত্যু। কেউ যদি মুণ্ডহীন ছায়া দেখেন, সেক্ষেত্রেও বিষয়টি এক।
(৪) মৃত্যুর আগে সবকিছুই কৃষ্ণবর্ণ হয়ে যাবে। মৃত্যুপথযাত্রীর মুখ, জিভ, কান, চোখ, নাক পাথরের মতো হয়ে যাবে।
(৫) যদি কোনও ব্যক্তি চন্দ্রালোক, আগুন অথবা সূর্য দেখতে না পান, তিনি জানবেন তাঁর আয়ু ৬ মাস।
(৬) কোনও ব্যক্তি যদি আকাশে ধ্রুব তারা দেখেতে না পান, তিনি জানবেন তাঁর আয়ুও অস্তাচলে।
(৭) আকাশ, চন্দ্র, সূর্য যদি কেউ লাল বর্ণে দেখেন, তিনিও জানবেন মৃত্যু তাঁর শিয়রে কড়া নাড়ছে।
=>অনেক প্রশ্ন এক সাথে হয়েছে, তাই যার যে ক্রমিক এর প্রতি ধারনা আছে তিনি সেই ক্রমিক নাম্বার দিয়েই জানাতে পারেন।
1 Answers
(২ও৩)
২ নং প্রশ্নে উল্লেখ করা হয়েছে যে,,
★ যদি কোনও ব্যক্তি জলে অথবা দর্পণে তাঁর ছায়া দেখতে না পান, তিনিও জানবেন তাঁর মৃত্যুর বেশি দেরি নেই।
উঃআমি বিজ্ঞানের অনেক কথার সাথে একমত হই,
আর এখানে বলাহচ্ছে দর্পন বা ছায়া না দেখতে পেলে বুঝতে হবে যে তার মৃত্যু খুভ কাছে কিন্তু এটাই সত্যি যে কোন সুস্হ মানুষ ও আধুনিক মানুষ এটা মুটেও বিশ্বাস করবে না।।কারন কোন সুস্হ মানুষ তার ছায়া অব্যশই দেখতে পরবে যদি সে মানষীক ভাবে সুস্হ হয়।।
৩ নং প্রশ্নের উত্তর।
৩ নং এ উল্লেখ করা হয়েছে যে
★যদি কেউ নিজের ছায়া দেখতে না পান, তিনি জানবেন তাঁর ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে মৃত্যু। কেউ যদি মুণ্ডহীন ছায়া দেখেন, সেক্ষেত্রেও বিষয়টি এক।
উঃএই প্রশ্নের উত্তর আর ভূতের অস্হিত্ব নিয়ে তর্ক করা সমান।।
বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় যে ভুতের গল্প বলে সে হয়ত মিত্যা বলছে নয়ত তার মানষীক সমস্যা আছে।আর এই প্রশ্নের উত্তরে টিক এই ভাবে বিজ্ঞানের উত্তরটাই হবে।।
ধন্যবাদ।।