3 Answers

আপনি যেহেতু পহেলা বৈশাখ নিয়া কৌতুক চাইলেন, তাই সে আলোকেই কৌতুকটা.... - - বল্টুর হাতে বৈশাখীর ইলিশ.... . . বল্টুর গার্লফ্রেন্ড টুনি বল্টুকে ফোন দিয়া কহিল, জান এখন বাসায় কেউ নাই, আমার খুব একা একা লাগতেছে. তুমি কি আসবা?? . (বল্টু এক লাফে খাট হইতে উঠিয়া গিয়া কহিল) আসব না মানে!!! এক্ষুণি আসতেছি... . অতঃপর বল্টু আমায় ফোন দিয়া কহিল, দোস্ত জীবনে প্রথমবারের মত একটা বড় ধরনের পাপ কাজ করতে যাইতেছি, দোয়া করিস... . অতঃপর বল্টু ঢেং ঢেং করিতে করিতে চলিয়া গেল. . ((বল্টু তার গার্লফ্রেন্ড টুনির বাসায় গিয়া দেখিল সত্যিই তাহার গার্লফ্রেন্ড টুনি ছাড়া বাসায় আর কেহ নাই . বল্টু মনে মনে ভাবিতে লাগিল অঘটনটা এক্ষুণি ঘটাইয়া ফেলিতে হইবে, দেরী করা যাইবে না... . যাহা ভাবা তাহাই কাজ. . বল্টু তাহার গার্লফ্রেন্ড টুনিকে কহিল, . বল্টু : জান, চল আমরা লুকোচুরি খেলা খেলি... . টুনি : খুশিতে গদ গদ হইয়া কহিল, চল...খেলা যাক . অতঃপর বল্টু : কহিল, তুমি লুকাও আমি তোমাকে খুঁজে বের করব... . টুনি :যেই লুকাইল, . বল্টু তাহার পাপ কাজটা করিবার জন্য এদিক সেইদিক খুঁজিতে লাগিল... এবং বল্টু সেইটা পাইয়া গেল. . অতঃপর বল্টু আস্তে আস্তে করিয়া কাছে গেল, এবং আলতো করিয়া খুলিয়া ফেলিল ফ্রীজের দরজাটা...:- P:-P ফ্রীজ হইতে ইলিশ মাছটা লইয়া যেই চলিয়া আসিতে লাগিল তখনই দেখিল, . তাহার গার্লফ্রেন্ড টুনির বাপ দরজার সামনে দাঁড়াইয়া আছে... . টুনির বাপ তাহার পিস্তলটা বাহির করিয়া কহিল, . যত বড় হাত নয় তত বড় চুরি!!! . বল্টু কহিল, চৌধুরি সাহেব, আমরা গরিব হতে পারি কিন্তু পহেলা বৈশাখে ইলিশ ছাড়া পান্তা ভাত খাব এতটা ছোট লোক নই... . এমন সময় বল্টুর গার্লফ্রেন্ড টুনি চেঁচাইয়া বল্টুকে কহিল, ইলিশটাকে ছেড়ে দে শয়তান, তুই আমার দেহ পাবি কিন্তু ইলিশ পাবি না... . বল্টু কহিল, গার্লফ্রেন্ড গেলে গার্লফ্রেন্ড পাওয়া যাবে কিন্তু একটা পহেলা বৈশাখ ইলিশ ছাড়া কাটালে সেই বৈশাখটা আর ফিরে পাওয়া যাবে না... . এমন সময় পুলিশের আগমন... পুলিশ কহিল, হ্যান্ডস আপ, ইলিশ নিজের হাতে তুলে নিবেন না... . অতঃপর পুলিশ বল্টুর হাত থেকে ইলিশটা নিয়া চলিয়া গেল... . বল্টুর গার্লফ্রেন্ড টুনিও গেল, ইলিশটাও গেল,,,,, ✌ বিঃদ্রঃ -- আপনি হাসতে হাসতে সমস্যা হলে আমি শরীফ দায়ী নয়, ইহার দায় ভার আপনাকেই নিতে হবে।আমি শুধু আপনার কথা রাখতে লিখলাম ।।।

3406 views

এই নিয়ে আমার একটা প্রিয় কৌতুক আছে।

পহেলা বৈশাখের দিন বাসার বাইরে ভিক্ষুক দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে এলাকার দানবীর রহিম সাহেব এগিয়ে গেলেন। ভিক্ষুক কাঁচুমাঁচু মুখে বলল, "আজ আনন্দের দিন, একটু পান্তা ভাত দিবেন। দুই দিন না খায়া আছি।"

রহিম সাহেবের বাসায় আবার দামের চোটে পান্তা ইলিশ নাই। তাই তিনি লজ্জিত মুখে বললেন, "এই ধরো পঞ্চাস টাকা। হাফ প্লেট বিরিয়ানি খাইয়ে নিও। পান্তা খাওয়াবার সামর্থ্য আমার নাই"



3406 views

আমি ২টি কৌতুক দিলাম...

কৌতুক-1:

সদ্য গ্রাম থেকে আসা এক ভিক্ষুক পহেলা বৈশাখের দিন ভিক্ষা করতে করতে রমনা বটমূলে উপস্থিত হয়। শহরে প্রথমবার আসায় তার নববর্ষের ঐতিহ্য সম্পর্কে কোন ধারণা ছিল না। সেখানের পান্তা চত্বরে গিয়ে তো তার চক্ষু চড়কগাছ! সে দেখে সকলে গণহারে পান্তা খাচ্ছে। এই দৃশ্য দেখে সে ভাবতে লাগল, “আমি শহরে এলাম আচ্ছামতো ভিক্ষা করতে আর শহরে কিনা আকাল পড়ল!” তো সেখানের এক ভদ্রলোকের সাথে তার কথোপকথন: 

ভিক্ষুক: (কৌতূহলে) স্যার, আপনেরা সব্বাই পান্তা খাইতাছেন কেন? শহরে আকাল লাগল নাকি! 

ভদ্রলোক: (ক্রুদ্ধ হয়ে) এখানের কেউ ফকির হয়নি। আমরা আমাদের পূর্বপুরুষের ঐতিহ্য ভুলে যাইনি, তাই... 

ভিক্ষুক: (খুশি হয়ে) বুচ্ছি স্যার, আপনেরা বড়লোক হইলেও আপনেগো বাপ-দাদারা আমগোর মতো ফকিন্নি আছিল! আপনেরা তাগোর লাইগ্যা ট্যাকা কামাই করতে পারলে, আমগোরেও তো দুইডা পইসা দিতে পারেন!!! 

কৌতুক-2:

১ম বন্ধু: দোস্ত, গলায়, কাঁটা বিঁধছে। 

২য় বন্ধু: ক্যামনে? 

১ম বন্ধু: পান্তা আর ইলিশ একসাথে গিলছিলাম। তো পান্তা পেটে গেছে। আর মাছের কাঁটা গলায় আটকে গেছে। এখন কী করব? 

২য় বন্ধু: একটা বিড়াল খেয়ে ফ্যাল, ও সব কাঁটা খেয়ে ফেলবে!!!

3406 views

Related Questions