উপস্থিত বক্তৃতা দেবার নিয়ম কী?
2 Answers
বক্তব্যের শেষের মন্তব্যের মতো সমভাবেই গুরুত্বপূর্ণ হলো সূচনা অংশ। কারণ বক্তার সাথে শ্রোতার যে সম্পর্ক গড়ে উঠবে তা নির্ধারিত হয় এর দ্বারা। তারা আপনার সম্পর্কে একটা ইমপ্রেশন গড়ে নেয়। এটি অনেকমাত্রায় প্রভাবিত করবে বক্তার প্রতি শ্রোতার মিথস্ক্রিয়তার ধরন। এ ক্ষেত্রে কয়েক দিক নজর রাখতে পারেন। মঞ্চে উঠে অবশ্যই দর্শকদের দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসবেন। মনে রাখবেন হাসিমুখে তাকালে আশপাশের লোকজন এমন অভিব্যক্তিই উপহার দেবে। যদি আপনি মুখ গোমড়া, ভারি করে রাখেন সে ক্ষেত্রে শ্রোতারা আপনার বক্তব্য শুরু হওয়ার আগ হতেই একটা নেতিবাচক ধারণা গড়ে নেবে মনের মাঝে। আর প্রোপাইল পিকচারেরর মত ওই জিহবাটা বাহির করলেতো আরো বিপদ :p ---- উপস্থাপকের পরিচিতিকালে মাথা হেলিয়ে তাকে সম্বোধন করবেন। ধন্যবাদ দিতে যেন ভুল না হয়। হতে পারে এগুলো একদম মামুলি ব্যাপার কিন্তু শ্রোতারা সূচনাপর্বের এসব সূক্ষ্ম দিক গভীরভাবে দেখে থাকে। অতঃপর বক্তৃতা দেয়ার পালা। যতই তাড়া থাকুক একটু বিলম্ব দিন। অন্তত ত্রিশ সেকেন্ডের নীরবতা, এর লক্ষ্য একটাই শ্রোতারা যেন আপনার ওপর পূর্ণ মনোনিবেশ করতে পারে। সামান্যক্ষণ বিরতি দেয়া হলে ক্ষণিককালের জন্য শ্রোতার মনে অনুভূতি খেলে যায়- ‘বক্তা কিছু বলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন যা কিছুক্ষণের মধ্যেই আমাদের কানে এসে পৌঁছবে।’ বক্তার মনের কথাও এটিই। ক্ষণিকের নীরবতাকালীন আপনার জন্য করণীয়তা হলো শ্রোতাদের সাথে চোখে চোখ রাখা। এক্ষেত্রে সামনের শ্রোতাদের মধ্য হতে গুটিকতক ঠিক করে নিন-একজন ডান দিকে, একজন বাম দিকে, একজন ঠিক মাঝখানের। এ চোখ মেলানো হবে ক্ষণিকের। অতঃপর আপনার দৃষ্টি হাজার শ্রোতার চোখের মাঝে হারিয়ে যাবে। (( আচ্ছা আশা করি একটু হলেও উপকার করতে পেরেছি। ইংরেজিতে অন্য কেউ বলুক আমি চাই... আনার মোবাইল এ চার্জ নাই....)
কাদের কে উদ্দেশ্য করে বক্তব্য রাখবেন সেটা তো বলেন নি। আমি ধরে নিলাম স্কুলের অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিবেন।