3 Answers
হস্তমৈথুন হচ্ছে বিপরীত লিঙ্গের সঙ্গিনী ব্যতীত যৌনতা স্বাদ উপভোগ করা। হস্তমৈথুন করে আনন্দ পেয়ে সংশ্লিষ্ট এতে আসক্ত হয়ে যায় এবং বিবাহের প্রতি তাঁর অনিচ্ছা জাগে এবং তারই সাথে নিজের গোপ্তাঙ্গের ক্ষতি সাধন করে ফেলে। ফলে তাঁর বিবাহিত জীবনে সমস্যা নেমে আসে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে ধর্মীয় ভাবে হস্তমৈথুনকে পাপ হিসাবে গণ্য করা হয়। এটি করার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজের অজান্তেই মনের ভিতরে পাপ-বোধ এসে যায়। পাপবোধ না আসলেও তাঁর মনে অপরাধবোধ আসে। আপনার ক্ষেত্রেও এমনটি হয়েছে। এটি মন থেকে ঝেড়ে ফেলুন তাহলে আপনার দাম্পত্য জীবনে সমস্যা হবে না আশা করি। আর শারিরিক সমস্যার জন্য ডাক্তারের সাহায্য ও পরামর্শ নেওয়া উচিত।
অবশ্যই সমস্যা। হস্তমৈথুনের মারাত্মক ক্ষতি রয়েছে। এতে যৌন সক্ষমতা কমে যায়। শারীরিক ও মানসিক দুর্বলতা দেখা দেয়। (এই সাইটেই এমন অনেক প্রশ্ন পাবেন, যেগুলোর মাধ্যমে হস্তমৈথুনের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জানতে পারবেন।) সর্বোপরি ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এটা হারাম, কবিরা গুনাহ। তাই নিজের দীন ও দুনিয়া ঠিক রাখতে হলে হস্তমৈথুন পুরোপুরি পরিত্যাগ করতে হবে।
অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের পরিণাম অনেকেই অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে শক্তি হ্রাস সহ নানাবিদ শারীরিক সমস্যায় ভোগেন। তার মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য হলোঃ ১. শারীরিক ব্যথা এবং মাথা ঘোরা। ২. যৌন ক্রিয়ার সাথে জড়িত স্নায়ুতন্ত্র দুর্বল হওয়া অথবা ঠিক মত কাজ না করার পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়া। ৩. শরীরের অন্যান্য অঙ্গ যেমন: হজম প্রক্রিয়া এবং প্রসাব প্রক্রিয়ায় সমস্যা সৃষ্টি করে। দ্রুত বীর্যস্থলনের প্রধান কারণ অতিরিক্ত হস্তমৈথুন। ৪. হস্তমৈথুনের ফলে অনেকেই কানে কম শুনতে পারেন এবং চোঁখে ঘোলা দেখতে পারেন। তবে, যারা হস্তমৈথুনে অভ্যস্ত, তাদের পক্ষে হঠাৎ করে হস্তমৈথুন ত্যাগ করা সম্ভব নয়। তাই ধীরে ধীরে হস্তমৈথুন ত্যাগ করুন এবং অকাল বীর্যপাত রোধ করুন। আরেকটি সমস্যা হল অকাল বীর্যপাত। ফলে স্বামী তার স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করতে অক্ষম হয় । বৈবাহিক সম্পর্ক বেশিদিন স্থায়ী হয় না। অকাল বীর্যপাত হলে বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যায় । তখন বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা হয় ২০ মিলিয়নের কম । যার ফলে সন্তান জন্মদানে ব্যর্থতার দেখা দেয় । (যে বীর্য বের হয় সে বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা হয় ৪২ কোটির মত । স্বাস্থ্যবিজ্ঞান মতে কোন পুরুষের থেকে যদি ২০ কোটির কম শুক্রাণু বের হয় তাহলে সে পুরুষ থেকে কোন সন্তান হয়না।