ছয় সাত বছর ধরে যদি মাসে গড়ে ৪-৬ বার স্বপ্নদোষ হয় তাহলে কি প্রব্লেম হবে... এখন আমার বয়স ২২.৫ বছর?
3 Answers
এতে ভয়ের কিছু নেই। এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। আপনার বীর্য থলি যখন পূর্ণাঙ্গ হয়ে যায়, তখন যেকোনো উপায়ে বীর্য বাইরে বেরিয়ে আসে। তাই এটা নিয়ে আপনি চিন্তামুক্ত থাকতে পারেন।
যদি হস্তমৈথুন না করেন তাহলে মাসে 6 বার স্বপ্নদোষ হলে কোন প্রবলেম নেই। আপনি আতব চালের ভাতের ফেন বা মাইড় লবন দিয়ে খাইলে কোন সমস্য থাকলে সমাধান হয়ে যাবে।
স্বপ্নদোষ একেবারেই স্বাভবিক এবং শারীরবৃত্তীয় কারণে সংগঠিত একটি শারীরিক প্রক্রিয়া মাত্র। নির্দিষ্ট বয়সে যে কোন ছেলের ক্ষেত্রেই এটি ঘটতে পারে। এতে ভীতির কোনো কারন নেই। স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি পাওয়ার কয়েকটি উপায়:::
☞ ঘুমাতে যাবার আগে প্রস্রাব করে নিন। যদিও এটি স্বপ্নদোষের চিকিৎসা নয়। তবে এটি স্বপ্নদোষের চাপ কমাতে শরীরকে সাহায্য করে।
☞ অশ্বগন্ধা (Withaniasomnif era) স্বপ্নদোষে সৃষ্ট সমস্যায় উপকারসহ সর্বপোরী যৌন স্বাস্থ্য শুদ্ধি, হরমোন ব্যালেন্স এবং হস্তমৈথুনের ফলে দুর্বল হয়ে যাওয়া পেশীশক্তি ফিরে পাওয়া ও ভিতরগত ছোট-খাট ইনজুরি সারিয়ে তুলতে পারে।
☞ ঘুমানোর আগে অতিরিক্ত পানি পান করবেন না। যদি সামান্য পরিমান প্রস্রাবের লক্ষনও থাকে, বিছানায় যাবার আগে প্রস্রাব করে নিন।
☞ দিনের বেলায় অতিরিক্ত দুচিন্তা করবেন না।
☞ অতিরিক্ত সেক্স এর বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন না।
☞ রাতের খাবার খাওয়ার পর-পরই ঘুমাতে যাবেন না। কিছুক্ষন হাটা-হাটি করুন।পারলে ব্যায়াম করুন।
☞ প্রতিদিন সামান্য করে হলেও পুদিনা পাতা অথবা মিছরী খাবার অভ্যাস করুন।
☞ মনে মনে এমন কিছু ভাবুন যেটি আপনাকে মানসিক ভাবে শান্তি প্রদান করে।
☞ যখন ঘুম আসবে শুধু মাত্র তখনি বিছানায় যাবেন। বিছানায় গিয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করবেন অযথা কল্পনা করবেন না।
☞ নিজেকে সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন।
☞ রাতে ঢিলাঢালা জামাকাপড় পরে ঘুমান
☞ পর্ণ দেখা বন্ধ করুন
☞ মাঝরাতে ঘুম থেকে উঠে আবার প্রস্রাব করুন
☞ রাতে ঘুমানোর আগে কিছু বরফ নিয়ে অণ্ডকোষের চারপাশে কিছুক্ষন মালিশ করে তারপর ঘুমান ।
☞ যদি বিবাহিত হন! স্ত্রীর সাথে যৌনমিলন নিয়মিত করলে এম্নিতেই স্বপ্নদোষ কম হবে ।
☞ এরপরও যদি না কমে তবে দেরি না করে ডাক্তার দেখান ।.