3 Answers
ভিটামিনের সিরাপের চেয়ে মোটা হবার দ্রুত প্রদ্ধতি হলোঃ প্রতি রাতে গ্লাসে ছোলা অথবা কিসমিস ভিজিয়ে রাখবেন। ও প্রতিদিন সকালে খাবেন। এভাবে কিছুদিন খেলে আপনার স্বাস্থ্য পরিবর্তন হবে। এছাড়া নিয়মিত সুষম খাবারের পাশাপাশি ভিটামিনযুক্ত খাবার খাবেন।
না এমন কোন ঔষধ নাই! যারা মোটা হতে চায় তাদের জন্য "কাউন্সেলিং" বা মনত্বান্তিক ভাবে বুঝানোর জন্য এই উত্তর
মোটা স্বাস্থ্য বংশগত, জেনেটিকভাবে পাওয়া। অনেকের শরীরে হরমোন পরিবর্তন, খাদ্যাভ্যাস পরিবেশগত ও পেশাগত কারণে যে কোন সময় মোটা হয়ে যেতে পারে। এর জন্য মোটা হওয়ার কোন ঔষধ খেতে হয়না।
মোটা হওয়ার যে সকল ঔষধ গুলো পাওয়া যায় সেই ঔষধ গুলোর কোন অনুমোদন নাই, সেগুলোর সাথে স্টেরয়েড মিশিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা বাজারজাত করে, যা খেলে অস্বাভাবিক/ বহুগুনে
রুচি বেড়ে যায়, তাই বেশি খেয়ে শরীরে অতিরিক্ত
চর্বি পানি জমে শরীর মোটা হয়ে যায়।
ঐগুলো খেলে শরীর সাময়িক মোটা দেখাবে পরবর্তী লিভার কিডনির সমস্যা, অরুচি, শারীরিক দুর্বলতা, মেজাজ খিটখিটে সমস্যা, ঘুমের সমস্যা সহ অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিবে। এই জন্যই মোটা হওয়ার কোন ঔষধ নাই, কারণ মোটা মানে স্বাস্থ্যবান নয়, শারীরিক ভাবে যে সুস্থ তাকেই স্বাস্থ্যবান বলে। কোন রিজিস্টার্ড ডাক্তার কাউকেই মোটা
হওয়ার পরামর্শ বা ঔষধ দিবেনা। যে যতো চিকন ই হোক না কেনো তার শরীরে কোন রোগ না থাকলে পৃথিবীর কোন ডাক্তার কাউকে মোটা হওয়ার ঔষধ দিবেনা, শরীর সুস্থ মানেই স্বাস্থ্য। আমাদের বাংলাদেশ বলে নয়! পৃথিবীর কোন ডাক্তার যদি মোটা হওয়ার ঔষধ বিক্রি করতো তাহলে তিনিই পৃথিবীর 1 নাম্বার ধনী হয়ে যেতো। যার প্রামাণ স্বরূপ বলতে পারি এই পর্যন্ত কোটি কোটি মানুষ মোটা হওয়ার জন্য ডাক্তারের কাছে গিয়েছে, কিন্তু কেউ মোটা হওয়ার ঔষধ আনতে পারেনি/ ডাক্তার দেয়নি। কারণ মোটা হওয়ার কোন ঔষধ নাই। কোন
কারণে শরীরে ভিটামিনের ঘাটতি বা অরুচি দেখা
দিলে সঠিক চিকিৎসায় তা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
মোটা হওয়ার জন্য যে ঔষুধ ই সেবন করেন না কেন|সাময়িক মোটা হয়ে পরবর্তীতে চেহারা আরো খারাপ হয়ে যাবে|তাই মোটা হওয়ার জন্য ঔষুধ না খাওয়ায় ভালো| তবে ডাক্তারের পরামর্শে "সিনকারা" সিরাপ সেবন করতে পারেন|এতে আপনার ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ হবে|ফলে স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটবে|এটি নিয়মানুযায়ী সেবনে তেমন ক্ষতি নেই|