3 Answers
হাফপ্যান্ট পরে ঘুমালে কেউ দেখলো না তবুও সেখানে ফেরেস্তা থাকে আর তাতে পরহেজগারীতার খেলাপ হয়। তাই হাফপ্যান্ট না পরাটাই উত্তম।
পুরুষের জন্য সতর তথা লজ্জাস্থানের সীমানা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নাভী থেকে হাঁটু পর্যন্ত নির্ধারণ করেছেন। তিনি বলেছেনঃ নাভী থেকে হাঁটু পর্যন্ত সতর। (দারুকুতনীঃ ৯০২) শরীরের এ অংশ স্ত্রী ছাড়া আর কারোর সামনে ইচ্ছাকৃতভাবে খোলা হারাম। জারহাদে আল আসলামী বৰ্ণনা করেছেন, একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মজলিসে আমার রান খোলা অবস্থায় ছিল। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি কি জানো না, রান ঢেকে রাখার জিনিস? (তিরমিযীঃ ২৭৯৬, আবু দাউদঃ ৪০১৪) অন্য একটি হাদীসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ নিজের স্ত্রী ও ক্রীতদাসী ছাড়া বাকি সবার থেকে নিজের সতরের হেফাজত করো। এক ব্যাক্তি জিজ্ঞেস করে, আর যখন আমরা একাকী থাকি? জবাব দেনঃ এ অবস্থায় আল্লাহ থেকে লজ্জা করা উচিত, তিনিই এর হকদার। (আবু দাউদঃ ৪০১৭, তিরমিযীঃ ২৭৬৯, ইবনে মাজাহঃ ১৯২০) হাদিসে বলা হয়েছে আল্লাহ থেকে লজ্জা করা উচিত, তিনিই এর হকদার। তাই হাফপ্যান্ট পরে বা হাটুুর উপর কাপড় থাকে এমন কিছু পরে ঘুমানো যাবে না। ঘুমানোর পর হাটুুর উপর কাপড় উঠে গেলে ভিন্ন কথা।