2 Answers

 

ঘুম বা ভুলে যাওয়ার কারণে ফজর নামাজ ছুটে গেলে তার ওপর কাজা করা ওয়াজিব। তাই এখন-ই সাভাবিক নিয়মে দুই রাকাত নামাজ আদায় করে নিতে পারেন।

কেননা, রাসুলুল্লাহ বলেছেন, যে ব্যক্তি নামাজ আদায় করতে ভুলে যায় বা সে সময় ঘুমিয়ে থাকায় তা ছুটে যায়, তাহলে তার কাফফারা হলো সে যখনই তা মনে করবে, তখনই (সঙ্গে সঙ্গে) নামাজ আদায় করে নেবে। (মুসলিম, হাদিস নং: ৬৮৪)

ইচ্ছাকৃতভাবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নামাজ আদায় না করা কবিরা গুনাহ। কেননা, আল্লাহ তাআলা বলেন, অতএব দুর্ভোগ সেসব নামাজির, যারা তাদের নামাজ সম্পর্কে উদাসীন।’ (সুরা মাউন, আয়াত: ৪-৫)

2957 views

ফজরের নামাজের জন্য নির্দিষ্ট সময় হলো সুবহে সাদিক থেকে সূর্য ওঠার আগ পর্যন্ত। রাসুলুল্লাহ বলেছেন, ‘ফজরের নামাযের সময় শুরু হয় ফজর বা উষার উদয় থেকে শুরু করে সূর্যোদয় পর্যন্ত।’ (মুসলিম, হাদিস নং: ৬১২) 

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয় নামাজ মুমিনদের ওপর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফরজ।’ (সুরা নিসা, আয়াত: ১০৩)

ঘুম বা যেকোন কারণে ফজর নামাজ ছুটে গেলে তার ওপর কাজা করা ওয়াজিব। কেননা, রাসুলুল্লাহ বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নামাজ আদায় করতে ভুলে যায় বা সে সময় ঘুমিয়ে থাকায় তা ছুটে যায়, তাহলে তার কাফফারা হলো সে যখনই তা মনে করবে, তখনই (সঙ্গে সঙ্গে) নামাজ আদায় করে নেবে।’ (মুসলিম, হাদিস নং: ৬৮৪)

ফজরের নামাজের সময় অতিবাহিত হওয়ার পর জোহরের আগেই তা আদায় করতে হবে। যদি জোহরের নামাজের ওয়াক্ত অতিবাহিত হয় তবে শুধু ফজরের ফরজ নামাজের কাজা আদায় করবে। সুন্নাতের কাজা পড়তে হবে না।

ইচ্ছাকৃতভাবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নামাজ আদায় না করা কবিরা গুনাহ। কেননা, আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘অতএব দুর্ভোগ সেসব নামাজির, যারা তাদের নামাজ সম্পর্কে উদাসীন।’ (সুরা মাউন, আয়াত: ৪-৫)।

2957 views

Related Questions