ইন্নাআরছালনাইলাইকুম রছূলান শা-হিদান ‘আলাইকুম কামাআরছালনাইলাফির‘আওনা রছূলা-।
নিঃসন্দেহ আমরা তোমাদের কাছে এজন রসূল পাঠিয়েছি, তোমাদের উপরে সাক্ষীরূপে, যেমন আমরা ফিরআউনের কাছে একজন রসূল পাঠিয়েছিলাম।
ইন্না রব্বাকা ইয়া‘লামুআন্নাকা তাকূমুআদনা- মিন ছু লুছাইল্লাইলি ওয়া নিসফাহূওয়া ছু লুছাহূওয়া তাইফাতুম মিনাল্লাযীনা মা‘আকা ওয়াল্লা-হু ইউকাদ্দিরুল্লাইলা ওয়ান্নাহা-র ‘আলিমা আল্লান তুহসূহু ফাতা-বা ‘আলাইকুম ফাকরঊ মা- তায়াছছার মিনাল কুরআ-নি ‘আলিমা আন ছাইয়াকূনুমিনকুম মারদা- ওয়া আ-খারূনা ইয়াদরিবূনা ফিল আরদিইয়াবতাগূনা মিন ফাদলিল্লা-হি ওয়া আ- খারূনা ইউকাতিলূনা ফী ছাবীলিল্লা-হি ফাকরঊ মা-তায়াছছার মিনহু ওয়া আকীমুসসালা-তা ওয়া আ-তুঝঝাক-তা ওয়া আকরিদূ ল্লা-হা কারদান হাছানাও ওয়ামা- তুকাদ্দিমূ লিআনফুছিকুম মিন খাইরিন তাজিদূ হু ‘ইনদাল্লা-হি হুওয়া খাইরওঁ ওয়া আ‘জামা আজরও ওয়াছতাগফিরুল্লা-হা ইন্নাল্লা-হা গাফূরুর রহীম।
তোমার প্রভু অবশ্য জানেন যে তুমি তো জেগে থাক রাতের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ, আর তার অর্ধেক আর তার এক-তৃতীয়াংশ, আর তোমার সঙ্গে যারা আছে তাদের একটি দলও। আর আল্লাহ্ রাত ও দিনের পরিমাপ রক্ষা করেন। তিনি জানেন যে তোমরা কখনো এর হিসাব রাখতে পারবে না, কাজেই তিনি তোমাদের দিকে ফিরেছেন, সেজন্য কুরআন থেকে যতটা তোমাদের জন্য সহজ ততটা আবৃত্তি করো। তিনি জানেন যে তোমাদের কেউ-কেউ রোগগ্রস্ত হবে এবং অন্যেরা দুনিয়াতে চষে বেড়াবে আল্লাহ্র করুণাভান্ডারের সন্ধানে, আর অন্যান্যরা আল্লাহ্র পথে যুদ্ধ করবে, সেজন্য এ-থেকে যতটা তোমরা সহজ মনে কর ততটা আবৃত্তি করো, আর নামায কায়েম রেখো ও যাকাত আদায় করো এবং আল্লাহ্কে ঋণদান করো উত্তম ঋণ। আর যা কিছু সৎকাজ তোমরা নিজেদের জন্য আগবাড়াও তা তোমরা আল্লাহ্র কাছে পাবে, -- সেটিই বেশি ভাল ও বিরাট প্রতিদান। আর আল্লাহ্র কাছে পরিত্রাণ খোঁজো, নিঃসন্দেহ আল্লাহ্ পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা।