ইয়াআইয়ুহাল মুঝঝাম্মিল।উচ্চারণ
হে বস্ত্র মুড়ি দিয়ে শয়নকারী ১ তাফহীমুল কুরআন
হে চাদরাবৃত! মুফতী তাকী উসমানী
হে বস্ত্রাবৃত!মুজিবুর রহমান
হে বস্ত্রাবৃত!মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
হে বস্ত্রাবৃত! ইসলামিক ফাউন্ডেশন
হে চাদর আবৃত!আল-বায়ান
ওহে চাদরে আবৃত (ব্যক্তি)!তাইসিরুল
হে বস্ত্রাচ্ছাদনকারী!মাওলানা জহুরুল হক
১
এ শব্দগুলো দ্বারা আল্লাহ তা’আলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্বোধন করে আদেশ দিয়েছেন যে, তিনি যেন রাতের বেলা ওঠেন এবং ইবাদতের জন্য দাঁড়িয়ে থাকেন। এ থেকে বুঝা যায় যে, সে সময় তিনি ঘুমিয়ে পড়েছিলেন অথবা ঘুমানোর জন্য চাদর মুড়ি দিয়ে শুয়ে পড়েছিলেন। এ সময় তাকে হে নবী (সাঃ ) অথবা হে রসূল বলে সম্বোধন করে হে বস্ত্র মুড়ি দিয়ে শয়নকারী বলে সম্বোধন একটি তাৎপর্যপূর্ণ সম্বোধন। এর যে অর্থ দাঁড়ায় তা হলো, এখন আর সে সময় নেই যখন তিনি নিশ্চিন্তে আরামে ঘুমাতেন। এখন তাঁর ওপর এক বিরাট কাজের বোঝা চাপানো হয়েছে যার দাবী ও চাহিদা সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের।
এ প্রিয়-সম্ভাষণটি মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে লক্ষ করে করা হয়েছে। হযরত জিবরাঈল আলাইহিস সালাম হেরা গুহায় যখন সর্বপ্রথম তাঁর কাছে ওহী নিয়ে আসেন তখন নবুওয়াতের গুরুভারে তাঁর এত বেশি চাপ বোধ হল যে, পুরোদস্তুর তাঁর শীত লাগছিল। তিনি উম্মুল মুমিনীন হযরত খাদীজা (রাযি.)-এর কাছে গিয়ে বলছিলেন, আমাকে চাদর দিয়ে ঢেকে দাও, আমাকে চাদর দিয়ে ঢেকে দাও। সুতরাং তাই করা হল। এ আয়াতে সে দিকে ইঙ্গিত করেই অত্যন্ত প্রীতিপূর্ণ ভঙ্গিতে তাকে সম্বোধন করা হয়েছে যে, ‘হে চাদরাবৃত ব্যক্তি!’
১. হে বস্ত্ৰাবৃত!
(১) হে বস্ত্রাবৃত! (1)
(1) যখন এই আয়াতগুলি অবতীর্ণ হয় তখন নবী (সাঃ) চাদর গায়ে দিয়ে শুয়ে ছিলেন। আল্লাহ তাঁর এই অবস্থার চিত্র তুলে ধরে সম্বোধন করলেন। অর্থাৎ, এখন চাদর ছেড়ে দাও এবং রাতে সামান্য কিয়াম কর (জাগরণ কর); অর্থাৎ, তাহাজ্জুদের নামায পড়। বলা হয় যে, এই নির্দেশের ভিত্তিতে তাহাজ্জুদের নামায তাঁর উপর ওয়াজেব ছিল। (ইবনে কাসীর)