ফাকাইফা তাত্তাকূনা ইন কাফারতুম ইয়াওমাইঁ ইয়াজ‘আলুল বিলদা-না শীবা- ।উচ্চারণ
তোমরা যদি মানতে অস্বীকার করো তাহলে সেদিন কিভাবে রক্ষা পাবে যেদিনটি শিশুকে বৃদ্ধ বানিয়ে দেবে? ১৭ তাফহীমুল কুরআন
সুতরাং তোমরাও যদি অমান্য কর, তবে সেই দিন থেকে কিভাবে রক্ষা পাবে, যে দিনটি শিশুকে বৃদ্ধে পরিণত করবে মুফতী তাকী উসমানী
অতএব যদি তোমরা কুফরী কর, কি করে আত্মরক্ষা করবে সেদিন যেদিন শিশুদেরকে পরিণত করবে বৃদ্ধে?মুজিবুর রহমান
অতএব, তোমরা কিরূপে আত্নরক্ষা করবে যদি তোমরা সেদিনকে অস্বীকার কর, যেদিন বালককে করে দিব বৃদ্ধ?মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
অতএব যদি তোমরা কুফরী কর তবে কি করে আত্মরক্ষা করবে সেদিন যেই দিনটি কিশোরকে পরিণত করবে বৃদ্ধে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতএব তোমরা যদি কুফরী কর, তাহলে তোমরা সেদিন কিভাবে আত্মরক্ষা করবে যেদিন কিশোরদেরকে বৃদ্ধে পরিণত করবে।আল-বায়ান
অতএব তোমরা যদি (এই রসূলকে) অস্বীকার কর, তাহলে তোমরা কীভাবে সেদিন আত্মরক্ষা করবে যেদিনটি (তার ভীষণতা ও ভয়াবহতায়) বালককে ক’রে দেবে বুড়ো।তাইসিরুল
অতএব কেমন করে তোমরা আত্মরক্ষা করবে, যদি তোমরা অবিশ্বাস কর সেই দিনকে যেদিন ছেলেপিলেদের চুল পাকিয়ে তুলবে, --মাওলানা জহুরুল হক
১৭
অর্থাৎ প্রথম তো তোমাদের এ ভয় করা উচিত যে, আমার প্রেরিত রসূলের কথা যদি তোমরা না মানো তাহলে এ একই অপরাধের কারণে ফেরাউন যে দুর্ভাগ্যজনক পরিণাম ভোগ করেছে অনুরূপ পরিণাম দুনিয়াতেই তোমাদের ভোগ করতে হবে। আর মনে করো, দুনিয়ায় যদি তোমাদের জন্য কোন আযাবের ব্যবস্থা নাও করা হয় তাহলেও কিয়ামতের আযাব থেকে কিভাবে নিষ্কৃতি পাবে?
এর দ্বারা কিয়ামত দিবসের বিভীষিকার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। কঠিন দুঃখণ্ডদুর্দশায় মানুষ অকালে বৃদ্ধ হয়ে যায়। কিয়ামতের পরিস্থিতি হবে অকল্পনীয়, আতঙ্কময়। তা শিশুকে বৃদ্ধ করে দেওয়ার মতোই ভয়াবহ হবে। বলা হচ্ছে, হে অবিশ্বাসীরা! দুনিয়ায় তোমরা সত্যকে প্রত্যাখ্যান করে চললে সেই কঠিন দিবসের দুর্গতি থেকে নিজেদেরকে কিভাবে রক্ষা করবে? তখন বাঁচতে চাইলে এখনই অবিশ্বাস ত্যাগ করে সত্যের পথে চলে এসো। -অনুবাদক
১৭. অতএব যদি তোমরা কুফরী কর, তবে কি করে আত্মরক্ষা করবে সেদিন যে দিনটি কিশোরদেরকে পরিণত করবে বৃদ্ধে,
(১৭) অতএব যদি তোমরা অস্বীকার কর, তাহলে কি করে আত্মরক্ষা করবে সেইদিন, যেদিন কিশোরকে বৃদ্ধে পরিণত করে দেবে। (1)
(1) شِيْبٌ হল أَشْيَبٌ এর বহুবচন। কিয়ামতের দিন কিয়ামতের ভয়াবহতায় শিশুরা সত্যিকারেই বৃদ্ধ হয়ে যাবে। অথবা কেবল উপমাস্বরূপ এ রকম বলা হয়েছে। হাদীসেও এসেছে যে, ‘‘কিয়ামতের দিন আল্লাহ আদম (আঃ)-কে বলবেন, তোমার সন্তানদের মধ্য থেকে জাহান্নামীদেরকে বের করে নাও। তিনি বলবেন, ‘হে আল্লাহ! কেমন করে?’ মহান আল্লাহ বলবেন, ‘প্রত্যেক হাজার থেকে ৯৯৯ জনকে।’ সেই দিন গর্ভবতীর গর্ভস্থ ভ্রূণ খসে পড়বে এবং শিশুরা বৃদ্ধ হয়ে যাবে।’’ ব্যাপারটা সাহাবায়ে কেরামদের নিকট বড় কঠিন মনে হল এবং তাঁদের চেহারা ফ্যাকাশে হয়ে গেল। তা দেখে রসূল (সাঃ) বললেন, ‘‘ইয়া’জূজ-মা’জূজ সম্প্রদায় থেকে ৯৯৯ জন হবে এবং তোমাদের থেকে একজন। আল্লাহর দয়ায় আমি আশা করি, সমস্ত জান্নাতীদের মধ্যে আমরা অর্ধেক হব।’’ (বুখারী, তাফসীর সূরাতুল হাজ্জ)