ইয়াওমা তারজুফুল আরদুওয়ালজিবা-লুওয়াক-নাতিল জিবা-লুকাছীবাম মাহীলা-।উচ্চারণ
এসব হবে সেদিন যেদিন পৃথিবী ও পর্বতমালা কেঁপে উঠবে এবং পাহাড় গুলোর অবস্থা হবে এমন যেন বালুর স্তূপ ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ছে। ১৪ তাফহীমুল কুরআন
(এ শাস্তি হবে সেই দিন) যে দিন যখন ভূমি ও পর্বতমালা প্রকম্পিত হবে এবং সমস্ত পাহাড় বহমান বালুর স্তূপে পরিণত হবে।মুফতী তাকী উসমানী
সেই দিনে পৃথিবী ও পর্বতমালা প্রকম্পিত হবে এবং পর্বতসমূহ বহমান বালুকারাশিতে পরিণত হবে।মুজিবুর রহমান
যেদিন পৃথিবী পর্বতমালা প্রকম্পিত হবে এবং পর্বতসমূহ হয়ে যাবে বহমান বালুকাস্তুপ।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
সেই দিবসে পৃথিবী ও পর্বতমালা প্রকম্পিত হবে এবং পর্বতসমূহ বহমান বালুকারাশিতে পরিণত হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যেদিন যমীন ও পর্বতমালা প্রকম্পিত হবে এবং পাহাড়গুলো চলমান বালুকারাশিতে পরিণত হবে।আল-বায়ান
(এসব শাস্তি দেয়া হবে) যেদিন যমীন আর পাহাড়গুলো কেঁপে উঠবে, আর পাহাড়গুলো হবে চলমান বালুকারাশি।তাইসিরুল
সেইদিন পৃথিবী ও পাহাড়গুলো কেঁপে উঠবে, আর পাহাড়গুলো হয়ে যাবে স্তূপাকার বালির গাদা!মাওলানা জহুরুল হক
১৪
সে সময় পাহাড়সমূহের বিভিন্ন অংশকে পরস্পর সংযুক্ত রাখার কেন্দ্রীয় বল নিঃশেষ হয়ে যাবে। তাই প্রথমে তা মিহি বালুর স্তূপে পরিণত হবে। অতঃপর ভূমিকম্প গোটা পৃথিবীকে প্রবলভাবে কাঁপিয়ে তুললে বালুর স্তূপে বিক্ষিপ্ত হয়ে যাবে এবং গোটা ভূপৃষ্ঠ একটা বিশাল প্রান্তরে রূপান্তরিত হবে। এ অবস্থার একটি চিত্র সূরা ত্বা-হার ১০৫ থেকে ১০৭ আয়াত পর্যন্ত এভাবে তুলে ধরা হয়েছেঃ “লোকেরা তোমাকে এসব পাহাড়ের অবস্থা কি হবে সে সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। তুমি বলো, আমার প্রভু পাহাড়সমূহকে ধুলির মত করে ওড়াবেন এবং ভূপৃষ্ঠকে এমন সমতল বিশাল প্রান্তরে রূপান্তরিত করবেন যে, তুমি সেখানে উঁচু নিচু বা ভাঁজ দেখতে পাবে না। “
১৪. সেদিন যমীন ও পর্বতমালা প্রকম্পিত হবে এবং পর্বতসমূহ বিক্ষিপ্ত বহমান বালুকারাশিতে পরিণত হবে।(১)
(১) সে সময় অতি শক্ত-মজবুত পাহাড়সমূহ দূৰ্বল হয়ে পড়বে, তাই প্রথমে তা মিহি বিক্ষিপ্ত বালুর স্তুপে পরিণত হবে। অতঃপর বালুর এ স্তুপ বিক্ষিপ্ত হয়ে উড়ে যাবে। (সা’দী) এরপর গোটা ভূপৃষ্ঠ একটা বিশাল প্রান্তরে রূপান্তরিত হবে। এ অবস্থার একটি চিত্র অন্যত্র এভাবে তুলে ধরা হয়েছে যে, “লোকেরা আপনাকে এসব পাহাড়ের অবস্থা কি হবে সে সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। আপনি বলুন, আমার রব পাহাড়সমূহকে ধুলির মত করে ওড়াবেন এবং ভূপৃষ্ঠকে এমন সমতল বিশাল প্রান্তরে রূপান্তরিত করবেন যে, তুমি সেখানে উঁচু নীচু বা ভাঁজ দেখতে পাবে না।” (সূরা ত্বা-হা: ১০৫–১০৭)
(১৪) যেদিন পৃথিবী ও পর্বতমালা প্রকম্পিত হবে এবং পর্বতসমূহ বহমান বালুকারাশিতে পরিণত হবে।(1)
(1) অর্থাৎ, এই আযাব সেই দিন হবে যেদিন যমীন এবং পাহাড় ভূমিকম্পে উলট-পালট হয়ে যাবে। আর অতীব বিশাল ভয়ঙ্কর পাহাড়-পর্বত সেদিন অসার বালুর স্তূপে পরিণত হবে। كَثِيْبٌ বালির ঢিপি। مَهِيْلًا অর্থ বহমান (ভুরভুরে) বালি, যা পায়ের নিচে থেকে সরে যায়।