আমাশায় রোগ থেকে ভাল হবে কিভাবে?

আমার ভাই আজ আট বছর যাবত আমাশয় রোগে ভুগতেছে।অনেক মেডিসিন ডাক্তার দেখিয়েছে তাদের দেওয়া অনেক ওষুধ খাইছে কিন্রু কাজ হয়নি।।পাইখানা প্রতিদিন ২ বা তিন বার হবে,সাথে পায়খানার উপরে আমের প্লোপ থাকে এবং সব সময় একি রকম পায়খানা হয় একি টাইমে।তবে আমের কুধ নেই,পেটে কামর দিয়ে বার্থরুমে যায় না,পায়খানার বেগ ধরলে তারপর যায়।।।রোগির বয়স ২৭ বছর,অবিবাহিত,ওজন ৬৪ কেজি।।।প্লিজ এখন তাকে কি করা উচিত একটু হেল্প করেন,,,,,চট্টগ্রামে থাকে সে।।।।

2680 views

5 Answers

আপনি তাকে টেট্রাসাইক্লিন

ট্যাবলেটটি খেতে বলুন।

তারপর কেমন হয় জানান।

2680 views Answered

আপনার মাঝে সমস্যা গুলে বিদ্যমান থাকলে

মন্তব্য করবেন।

1)তলপেটে ব্যথা হয়। ব্যথা মোচড় দিয়ে শুরু হয় এবং পায়খানা করার পর ব্যথা কমে যায়।

2) পেটের মধ্যে সারা দিন বুদবুদ আওয়াজ হতে থাকে। মনে হয় পেটের মধ্যে গ্যাস ভরে আছে।

3) কখনো পাতলা পায়খানা, কখনো কষা পায়খানা (কনস্টিপেশন) হয়। তবে কারো কারো ক্ষেত্রে সব সময় পাতলা পায়খানা বা কষা পায়খানা হয়।

4) যাদের সব সময় পাতলা পায়খানা হয় তাদের ক্ষেত্রে প্রথমে পেটে ব্যথা হয় এবং পরে পাতলা পায়খানা হওয়ার পর তা কমে আসে। ঘন ঘন বাথরুমে যেতে হয় এবং প্রতিবার খুব অল্প পরিমাণে পায়খানা হয়।

5) ঘুমের মধ্যে সাধারণত কখনোই পায়খানার বেগ হয় না।

6) পায়খানার সময় প্রচুর পরিমাণে আম বা মিউকাস যায়। আম যায় বলে অনেকে অজ্ঞতাবশত একে আমাশয় বলে।

7 যাদের কষা পায়খানার প্রবণতা বেশি তারা পেটে ব্যথা নিয়ে টয়লেটে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলেও অতৃপ্তি নিয়ে টয়লেট থেকে বের হতে হয়।

8 পায়খানা সমস্যা থাকলেও এসব রোগীর ওজন তেমন হ্রাস পায় না।

9) পায়খানার সমস্যার পাশাপাশি এসব রোগীর ক্ষুধামন্দা, ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, মাথা ব্যথা, পিট ব্যথা, অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে যাওয়া

10) কোন কিছু খেতে গেলে সন্দেহ লাগা

খুত খুতে ভাব ইত্যাদি,

2680 views Answered

জবা ফুল গাছের এক মুঠি পাতা নিন,এর পর ভালোভাবে ধৌত করুন!এবার একটি বাটিতে এক গ্লাস পানি নিন,তাতে পাতা গুলো হাত দিয়ে চিপেন,দেগবে লোট লোট ঘাঢ হয়ে গেছে! এই পানি ছেকে আপনার ভাইকে সকালে খালি পেটে খেতে দিন এবং এভাবে রাতেও করেন এবং খেতে দিন! এই ভাবে এক সপ্তাহ খাওয়ান! রোগ না সারলে! বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখান পরীক্ষা সব করান,এবং ডা.কে দেখান ,ঔষধ নিন ঠিক মত খাওয়ান!

2680 views Answered

আপনি নিয়মিত সকালবেলা খানি পেটে আধা কাপ পরিমাণ থানকুনির পাতার রস খেতে পারেন। যদি খেতে কষ্ট হয় তাহলে মিষ্টি জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে নিতে পারেন। আশাকরি যুগান্তকারী ফল পাবেন ইনশা আল্লাহ। আর থানকুনি পাতা সম্পর্কে ধারণা না থাকলে থানকুনি লেখে গুগলে সার্চ দিতে পারেন।পাতা্টির পরিচয় পেয়ে যাবেন।

2680 views Answered

আপনি উত্তর লুকিয়ে ফেলুন কেননা আপনি পুরনো প্রশ্নে উত্তর প্রদান করেছেন অন্যথায় আপনার একাউন্ট বাধাগ্রস্থ হবে ।

2680 views Answered

Related Questions

Next steps