আমি ssc তে বিজ্ঞান বিভাগ থেকেA+ পেয়েছি।কিন্তু ইন্টার ফার্স্ট ইয়ার থেকে কিছুতেই পড়তে পারছি না।কারন বুঝতে পারছি না।তেমন কোন সমস্যা নেই,কিন্তু পড়ার পড়ে কোনো ইন্টারেস্ট পাচ্ছি না।কোনো সমাধান দিবেন?
3074 views

4 Answers

পড়াশোনায় মন না বসাটা একটি মনের সমস্যা বলতে পারেন। খেয়াল করে দেখুন আপনি হয়ত অন্য কোনো বিষয় নিয়ে চিন্তিত যার কারণে আপনার মনটাকে স্থির করতে পারছেন না, বসাতে পারছেন না পড়ার টেবিলে। আপনি যেহেতু নিজেই বুঝতে পারছেন যে আপনার পড়াশোনা করা প্রয়োজন সেহেতু আপনি নিজেই কিছুটা সচেতন হলে এই সমস্যার সমাধান করতে পারেন। জেনে নিন এক্ষেত্রে কী করবেন। - প্রথমত আপনি আপনার মনটাকে স্থির করুন। কারণ অস্থির মনকে কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। এক্ষেত্রে পড়াশোনায় মন বসে না। এজন্য মনকে স্থির করুন, প্রয়োজনে মেডিটেশন করুন। - পড়াশোনার জন্য উপযুক্ত একটি স্থান ঠিক করুন যেটি আপনার মনোযোগকে ধরে রাখতে সহায়তা করবে। - পড়ার সময়কে ভাগ করে নিন অর্থাৎ রুটিন করে নিন। রুটিনে পড়াশোনার পাশাপাশি মন রিফ্রেশসেন্টের ব্যবস্থা রাখুন। এর ফলে মনোযোগ আসবে। - পড়তে পড়তে হঠাৎ মনোযোগ হারিয়ে গেলে তা ফিরিয়ে আনার জন্য অবসর সময়টিতে গান শুনুন। এর ফলে মন ভালো হবে এবং পড়াশোনায় পুনরায় মনোযোগ বসবে।

3074 views

পড়ায় মন বসানোর ৭ টিপস: পড়তে বসতে ইচ্ছা করে না। এটা সবারই একটা সাধারণ সমস্যা। কিন্তু ইচ্ছা না করলেও পরীক্ষা তো দিতে হবেই। তা থেকে রেহাই কারও নেই। আপনি যদি এমন কোনো রোগী হয়ে থাকেন যে আপনার পড়তে বসতে একেবারেই ইচ্ছা করছে না। এসময় পড়ায় মন বসাতে যা যা করবেন। ১. লক্ষ্য ঠিক করুন : আপনার লক্ষ্য নিশ্চয়ই ঠিক করাই আছে। সেক্ষেত্রে আপনি আপনার লক্ষ্যটিকে মনে করে আবার ঝালাই করুন। আপনি চাইছেন এবারের পরীক্ষায় যে করেই হোক একটা আকাঙ্খিত পয়েন্টে নিয়ে যাবেন আপনার রেজাল্ট। এই লক্ষ্যে মটাকে একটু নিবিষ্ট করুন। দেখবেন আপনার মাঝে একটা জিদের উদ্ভব হয়েছে এবং আপনি আবারো পড়ায় মন দিতে পারছেন। ২. ক্ষুধা নিবারণ করুন : এমন অনেক সময় দেখা গেছে যে অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগলে আর পড়তে মন চায় না। এমনিতেই পড়তে বসলে একটু পর পর ক্ষুধা লাগে। এ ভালোভাবে খেয়াল করে দেখুন আপনার ক্ষুধা লেগেছে কিনা। যদি ক্ষুধা লেগে থাকে তাহলে তা নিবারণ করার চেষ্টা করুন। অর্থাৎ পর্যাপ্ত পরিমাণে আহার করে আবার পড়তে বসুন। দেখবেন এবার আপনার পড়ায় মন বসেছে। ৩. সময় সচেতন হোন : নির্দিষ্ট মানুষের জন্য নির্দিষ্ট কিছু সময় রয়েছে যে সময়ে পড়া খুব দ্রুত আয়ত্বে আসে। যেমন কেউ অনেক ভোরে পড়েন, কেউ সারাদিন পড়েন. কেউ আবার অনেক রাতে পড়েন। আপনার কোন সময়টাতে পড়া হয় সে সময়ে পড়তে বসুন। প্রয়োজনে একটা রুটিন তৈরি করে নিতে পারেন। যে সময়ে পড়া হয় না সে সময়ে অযথা পড়তে বসে এ্যানার্জি নষ্ট না করে ঘুমিয়ে ব্রেনটাকে বিশ্রাম দিন। ৪. গান শুনুন : গান শুনতে সবারই অনেক ভালো লাগে বিশেষ করে পরীক্ষার সময়ে। যদি এমন হয়ে থাকে যে আপনি হয়ত অনেকক্ষণ ধরে পড়ছেন কিন্তু এমন একটা সময় উপস্থিত যখন আর পড়া মাথায় ঢুকছে না। এমতাবস্থায় আপনি কিছুক্ষণের জন্য গান শুনতে পারেন। এর ফলে আপনি মানসিকভাবে প্রশান্তি পাবেন এবং দেখবেন পড়ায় পুনরায় মনোযোগ ফিরে এসেছে। ৫. ঘুমিয়ে নিন : অনেকক্ষণ ধরে পড়লে মস্তিষ্কে অনেক চাপ পড়ে। ফলে মস্তিষ্ক আর কাজ করতে পারে না। এক্ষেত্রে আপনি যদি কিছুটা সময় ঘুমিয়ে নেন তাহলে ব্রেনের রিফ্রেশমেন্ট হবে। এর ফলে খুব দ্রুত আবার পড়া ক্যাচ করতে পারবে আপনার ব্রেন। এজন্য অতিরিক্ত চাপ কমাতে অবশ্যই কিছুটা ঘুমিয়ে নিন। ৬. মিষ্টি জাতীয় খাবার খান : মিষ্টি জাতীয় খাবার দেহে যাওয়া মাত্র সারা শরীরকে সতেজ করে তোলে। এছাড়া ব্রেনের কাজ করার ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ৭. মেডিটেশন করুন : মেডিটেশন মন ও শরীর দুইই প্রাণবন্ত করে তোলে। মেডিটেশনের ফলে শরীরের ক্লান্তি দূর হয় এবং কাজ করা ক্ষমতা বেড়ে যায়। এছাড়া মেডিটেশনের ফলে ব্রেন এর রিফ্রেশমেন্ট ঘটে। ফলে পড়া খুব দ্রুত মুখস্ত হয়ে যায় এবং তা বহুক্ষণ মনে থাকে।

3074 views

পড়ায় মন বসানোর উপায় : পড়ায় মন বসানোর জন্য আপনি পবিত্র কোরান কিংবা গীতার আশ্রয় নিতে পারেন ।ওযু বানিয়ে ১মে টেবিলে বসুন। যতক্ষন সম্ভব কোরান তেলাওয়াত কিংবা গীতা পাঠ করুন । পাঠশেষে আপনার পড়ার বইটি আপনার চোখের সামনে রাখুন । তখন পড়তে আপনার এক অসাধারণ অনুভূতি হবে এবং পড়ায় মনযোগ বাড়বে । কারণযখন আমরা একান্ত একাগ্রচিত্তে পবিত্র কোরান পাঠ করে থাকি তখন আমাদের চোখের মনিপ্রসারিত হতে থাকে এবং পরে বই পড়ার সাথে সাথে বইয়ের বাক্যদ্বয়ের মধ্যে আমাদেরফোকাস বাড়তে থাকে, কারণ তখন ঐ প্রসারিত চোখের মনি আস্তে আস্তে সংকোচিত হতে থাকে ।এভাবেকিছুক্ষন পড়ার মাধ্যমে যখন আমরা পড়ালেখার মর্ম বুঝতে পারি তখন নিজেদের মধ্যেঅধ্যবসায়ের একটি গুণ সৃষ্টি করতে পারি ।কিন্তু মনে রাখবেন, যদিও আপনি পারবেন তারপরও সাধ্যের অতিরিক্ত পড়ার চাপ নিবেন্‌না । কারণ আজকের পড়ালেখায় আমি আমার মস্তিস্ক থেকে যে পরিমান ক্যালরি খরচ করেছি তা যদি পরবর্তী দিনে আমার মস্তিস্ককে পুনঃরায় পূরণ করে দিতে না পারি তাহলে তা আমাদের শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতি হবে

3074 views

নিউরোবিজ্ঞানীরা কিছুদিন আগে একটা ইন্টারেস্টিং গবেষণা করেছিলেন। কিছু ছাত্রকে তাদের খুব অপছন্দের কোনো বিষয়ে পড়াশোনা করতে দিয়ে তাদের মস্তিষ্কের উপর রাখছিলেন নজর। কী আশ্চর্য, অল্প একটু পরেই দেখা গেলো, ব্যথা পেলে মানুষের মস্তিষ্কের যে অংশের পেইন রিসেপ্টর স্নায়ুকোষ সক্রিয় হয়ে উঠে,বিরক্তিকর পাঠ্যবই পড়তে গিয়ে ছাত্রদে একই রকমের ব্যথা হচ্ছে। কাজেই ভ্যানভ্যানানি পড়া পড়তে গেলে মাথায় যদি করে ব্যথা, সেটা পড়া ফাঁকি দিতে আপনার আলসেমি বা অজুহাত না, বরং সেটা আপনার দেহের মনের কড়া প্রতিবাদ -- এই চাপিয়ে দেয়া বিরক্তিকর পড়ার বিরুদ্ধে। কিন্তু? পাশ তো করতেই হবে পরীক্ষায়। তবে উপায় কী? আছে। মনকে ফাঁকি দেয়ার কায়দাটা আছে। চলুন, দেই শিখিয়ে। *পোমোডরোটেকনিক কায়দাটা খুব সহজ। পড়া বা এরকম আর কোনো কাজকে ২৫ মিনিটের খণ্ডে ভাগ করে নিন। ঘড়িতে বা মোবাইলে এলার্ম সেট করুন ঠিক ২৫ মিনিট পরে। এর বেশিও না, কমও না। এবং অন্য সব কিছু বন্ধ করে ২৫ মিনিট ধরে কাজটা করুন। যেই মাত্র এলার্ম বাজবে,অমনি কাজ বন্ধ। মিনিট পাঁচেক,দশেক হাওয়া খান, চা খান,সেলফি তুলেন, মন যা চায় তাই করেন। তার পর আবারও ২৫ মিনিটের এলার্ম। এর কারণটা কী? কারণ হলো বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, ২৫ মিনিটের মাথাতেই ব্রেইনের নিউরণগুলাতে বিরক্তিকর পড়ার প্রতিবাদ হিসাবে শুরু হয়ে যায় ব্যথা, আর আপনিও বিরক্ত হয়ে দেন ছেড়ে হালটা। কাজেই ঠিক ২৫ মিনিটের মাথায় যদি অপছন্দের কাজটা থামিয়ে দিতে পারেন,তাহলে নিউরনগুলা থাকবে খোশ মেজাজে। মনকে পারবেন ভোলাতে। আপনিও থাকবেন মেজাজে বেজায় খোশ। কাজটাও হবে, যতোই বিরক্তির হোক না কেনো। মন ভোলানোর এই টেকনিকের নাম পোমোডরো টেকনিক।

3074 views

Related Questions