আমি কিভাবে ভাল রেসাল্ট করতে পারি?

আমার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা সামনে,৩ এপ্রিল।অথচ আমার প্রস্তুতি খুবই খারাপ। তো কোন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ যদি আমার কম সময়ে ভাল রেসাল্ট করার চাবিকাঠি দেন তো আমার বড়ই উপকার হয়।
3055 views

6 Answers

ভালভাবে মনোযোগ সহকারে লেখা পড়া করেন এবং আপনার শিক্ষকের কাছ থেকে পরামর্শ নেন

3055 views Answered

সামনেই তোমার পরীক্ষা, তাই তোমার কোন সময় নষ্ট করা উচিৎ নয়। পড়ার মনযোগ না থাকলেও সামনে বই নিয়ে থাকতে হবে এবং পরীক্ষা নিয়ে ভাবতে পারো। এতে আপনা আপনিই পড়ার প্রতি মনযোগ চলে আসবে। এই সময়ে বাইরের যাবতীয় যতো চিন্তা আছে সব কিছু বাক্সে বন্দি করে রাখো। যেহেতু তোমার ভালো রেজাল্ট করার প্রবণতা আছে, তাই তুমি পারবে। এখনও যা সময় আছে সেই সময় টা কাজে লাগাও। সময় অতি মূল্যবান জেনে রাখো। পরে হাজার কেঁদে মরলেও এই সময় আর ফিরে পাবেনা। তোমাকে ভাবতে হবে রেজাল্টের দিনের কথা। একজন স্টুডেন্ট এর কাছে রেজাল্টের মুহূর্ত টা অনেক ভয়াবহ। যখন তুমি দেখবে তোমার পাশের বন্ধু এ+ পেয়ে লাফাচ্ছে আর তুমি কোন মতে টেনে টুনে পাশ করেছো, তখন এখন কার সময়ের মূল্য টা বুঝবে। সো, দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা দাও। সব ধান্দা বাদ দিয়ে পড়ার টেবলে লেগে যাও। বেস্ট অফ লাক।

3055 views Answered

আপনি যদি চান ভাল একটি রেজাল্ট করতে তাহলে আগে নিজে মনস্থির করুন ।একটি রুটিন তৈরি করুন আর রোবটের মত সেই রুটিন ফলো করুন| নিয়মিত ক্লাস করুন আর ক্লাসের লেকচার মন দিয়ে শুনুন ।স্যারের দেওয়া কাজ মন দিয়ে করুন ব্যাস আপনি ভাল রেজাল্ট করবেন ইনসাআল্লাহ আর একটি কথা সবসময় সৃষ্টি কর্তাকে স্বরন করবেন|

3055 views Answered

আপনি টেনশন না নিয়ে মাথা ঠান্ডা করে বেশি সময় নিয়ে মনোযোগ দিয়ে প্রতিটি সাবজেটেই পড়ুন প্রতিদিন কমপক্ষে ৮-১০ ঘন্টা পড়ুন পরিমিত ঘুমান । আর পরিক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত মোবাইল ফোন, কম্পিউটার হাতে নিবেননা।

3055 views Answered

পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করার কিছু পথ-পদ্ধতি, দিকনির্দেশনা নিচে আলোচনা করা হলঃ পরীক্ষা পূর্ব প্রস্তুতিঃ ১। পড়ার কৌশলঃ ছাত্র-ছাত্রীরা হল অধ্যয়ণ জগতের কারিগর। কিভাবে পড়লে ভাল করা যাবে এটা তাদের নিজেদের আবিষ্কার করতে হবে। একটানা বসে না পড়ে দাঁড়িয়ে পড়ার অভ্যাস করতে হবে। মাঝে মাঝে হাঁটা-হাঁটা করে নিতে হবে। এতে করে পড়ায় মন বসবে। ২। পাঠে মনোযোগঃ পড়ার টেবিলে নিখিল বিশ্বের চিনাত ভাবনা ছেড়ে দিয়ে মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে। অনেক বষয় নিয়ে চিন্তা আসতে পারে, কিন্তু এটা এ মুহূর্তে আমার কাজ নয় বলে মনকে বোঝাতে হবে। ৩। বুঝে পড়াঃ শুধু তোতা পাখির মত না বুঝে মুখস্থ করলে তা কখনোই স্থায়ী হবে না। চিত্র থাকলে তা মিল করে পড়তে হবে। ৪। সময় নির্ধারণঃ সময় হল বিশ্বের দ্রুততম মানবের জুতার মত। এটার যথাযথ মূল্যায়ণ না দিলে সাফল্য কোনদিন আসবে না। বেশি রাত না জেগে ভোরে উঠে পড়া উত্তম। ৫। প্রশ্ন নির্বাচনঃ পাঠ্য বইয়ের প্রত্যেকটা বিষয়ের উপর যথেষ্ট ধারণা রাখার চেষ্টা করতে হবে। শয়নে-স্বপনে এর ধ্যান করতে হবে। তবে পরীক্ষায় ভাল করার জন্য বিশেষ কিছু প্রশ্নের উপর থাকতে হবে অসাধারণ দখল। তাই বলে এই নয় যে পরীক্ষায় ভাল করলেই সব হয়ে গেল। এখন ভিত কাচা হলে পরে সাফল্য অসম্ভব হয়ে পড়বে। আর শেষ ভাল যার সব ভাল তার। ৬। মুখস্থ করার কৌশলঃ কিছু বিষয় আছে যা সর্বদা মুখস্থ রাখতে হয়। এক্ষেত্রে যদি কোন কিছুর সাথে সাদৃশ্য করা যায় তবে তা ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। যেমন- “মিছাইল মানব” বলা হয় ‘আবুল কালাম আজাদ‘ কে। আপনার ভাইয়ের নাম ধরুন আজাদ। তখন তার সাথে এই তথ্যের মিল করে পড়তে পারেন। ৭। স্থান নির্ধারণঃ শান্ত নিরিবিলি পরিবেশ মানিসিক স্বাস্থের জন্য ভাল। তাই পড়ার স্থানটা এমন হলে খুবই ভাল হয়। যদি এটা সম্ভব না হয় তবে পারিবারিক সাহায্য একান্ত কাম্য হবে। ৮। নির্ভুল লেখাঃ বাসায় বসে বারংবার লিখে নিজেকে যাচাই করে নিতে হবে। লেখা ভুল হবে তখনই যখন আপনি তা লিখে অভ্যস্ত নন। সুতরাং নির্ভুল লেখার একমাত্র শর্ত বারবার অনুশীলন। ৯। নোট তৈরিঃ নিজে নোট তৈরি করে পড়ার কোন বিকল্প নেই। নিজে কষ্ট করে কিছু করলে সেটা একদিকে যেমন বোঝা যায় তেমনি মনেও থাকে। তাই নিয়মিত নোট তৈরি করা ভাল ফলাফল সহজতর হয়। ১০। আল্লাহর সাহায্য কামনাঃ প্রতি ওয়াক্ত নামজের শেষে মহান আল্লাহর সাহায্য কামনা করতে হবে।

3055 views Answered

পরীক্ষার আগের রাতের পড়া পরীক্ষার আগের দিন রাতে খুব বেশি রাত করে পড়ালেখা করা উচিত্ না। নতুন কোন টপিক শুরু না করে পূবের্র পড়াগুলো অধ্যয়ন করা উচিত্। অনেক রাত জেগে পড়ার কারনে পরীক্ষার সময় ক্লান্তি অনুভব হতে পারে এবং স্বরণ শক্তি হরাস পেতে পারে। পরীক্ষার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহ ও মনে করে পরীক্ষার কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া পরীক্ষার প্রয়োজনীয় কলম, পেন্সিল, সাইন পেন, স্ক্যাল, ক্যালকুলেটর, প্রবেশপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ড সহ অনুমোদিত অন্যান্য সরঞ্জাম মনে করে নিয়ে যেতে হবে। অতিরিক্ত কলম নিয়ে ইত্যাদি নিয়ে যাওয়া উচিত। এতে একটি সমস্যা হলে অন্যটি দিয়ে কাজ করা যাবে। প্রয়োজনে সরঞ্জামগুলো পরীক্ষা করে, দেখে পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে। সঠিক সময়ে উপস্থিত হওয়া পরীক্ষার ২০-২৫ মিনিট কেন্দ্রে আসা উচিত্, আর পরীক্ষা কেন্দ্র দূরে হলে আরও কিছু বাড়তি সময় নিয়ে আসতে হবে, পথে কোন সমস্যা (জানজট ইত্যাদি) হলে যাতে সমস্যা না হয়। খাতায় মার্জিন টানা খাতা দেয়ার পর এবং প্রশ্ন পাওয়ার পূবের্র সময়টাতে কিছু কাজ করতে হয়। খাতা সুন্দর করে মার্জিন টানতে হবে। পেন্সিল দিয়ে মার্জিন টানা ভালো। খাতায় ভাজ করে কোন দাগ না দিয়েও মার্জিন চিহ্নিত করা যায়। অনেকে খাতায় পৃষ্ঠানম্বর যুক্তও করে।

3055 views Answered

Related Questions

Next steps