বিনা ব্যায়ামে শুধুমাত্র খাবার কন্ট্রোল করে আমি কিভাবে ৬/৭ মাসে আমার ওজন কমাতে পারি?
6 Answers
হ্যাঁ কমবে তবে খুব কম|আপনি ব্যায়াম করলে বেশী ফল পাবেন|আর ফ্যাট জাতীয় খাবার কম খাবেন|আর খাবার পর কিছু সময় হাটবেন|
এত দ্রুত ওজন কমানো সম্ভব না তবে নিচের নিয়ম অনুসরণ করলে ওজন সহজে কমানো যাবে বলে আশা করি . পানি পানে দিন শুরু করুন। সকালে উঠেই পানি পান করুন এবং গোসল করে শরীরের বিষাক্ত পদার্থ ধুয়ে ফেলুন। ওজন কমানোর সহায়ক হিসেবে পানি পেশীতে এবং রক্তে নতুন কোষ সৃষ্টিতে সাহায্য করে। ২. সকালে নাস্তা করুন। ভালো পরিমাণ নাস্তা আপনার ক্ষুধা কমিয়ে আনে এবং স্বাস্থ্যকর খাবারে আগ্রহ বাড়ায়। ভালো পরিমাণ নাস্তা গ্রহণে সারাদিন ফুরফুরে মেজাজ থাকে। ৩. খাদ্য তালিকায় প্রোটিনের পরিমাণ বৃদ্ধি করুন। প্রোটিন হজম হতে অন্যান্য খাদ্যের তুলনায় বেশি সময় নেয়। ফলে পাকস্থলী খাদ্যশূন্য হতে বেশি সময় নেয়। একইসঙ্গে আদর্শ ওজন ধরে রাখতে প্রোটিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৪. ফল খান। পানি এবং ফলের আঁশ আমাদের খাদ্য ঘাটতি পূরণ করে। ফল শরীর থেকে ক্ষতিকর চিনি অপসারণ এবং ক্যালরি নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। তবে জুস করে নয়, আস্ত ফল খেতে হবে। ৫. খাবার তালিকায় মৌসুমী সবজি রাখুন। সবজির আঁশও খাবার হজম এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে। যে কারণে প্রতিদিন কমপক্ষে তিন থেকে চার ধরনের সবজি খাওয়া উচিৎ। সে ক্ষেত্রে সবজির সালাদ খাওয়া সবচেয়ে নিরাপদ। ৬. বাড়িতে খান। স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া ক্যালরি নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বেশি খাওয়ার কারণে মূলত আমাদের ওজন বৃদ্ধি পায়। কখনো কখনো স্বাস্থ্যকর খাবারেও অপ্রয়োজনীয় ক্যালরি যোগ হয়। এক সপ্তাহে যদি পাঁচবার আপনার বাইরে খাওয়ার অভ্যাস থাকে, একবার কমিয়ে মাত্র চার বারে নিয়ে এলে পরবর্তী এক সপ্তাহে আপনি পার্থক্য ধরতে পারবেন। ৭. গম থেকে উৎপন্ন খাবার বেশি খান। কারণ এতে পুষ্টির পারিমাণ অনেক বেশি। আরো পড়তে নিচের লিংকে দেখুন http://www.m.banglanews24.com/detailnews2.php?nid=354369&cid=1022
আপনার অনিয়মিত মাসিকের জন্য ভাল একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন.... ডায়েট ও ব্যায়াম না করেই ওজন কমানো কীভাবে সম্ভব সেটাই ভাবছেন, তাই না? কিন্তু চাইলে অনেক কিছুই সম্ভব। আমরা অনেকেই অনেক কিছু করে থাকি ওজন কমানোর জন্য। কিন্তু ওজন কমানোর জন্য না খেয়ে কঠোর ডায়েট করে, ব্যায়াম করে কত কষ্টটাই না করতে হয় আমাদের। কিন্তু আমরা চাইলেই তিনবেলা পরিমাণ মত খেয়ে ও ব্যায়াম না করে শুধু মাত্র ২টি জাদুকরী পানীয় দিয়েই ওজন কমাতে পারি। চলুন আজ জেনে নিই কীভাবে শুধু মাত্র পানীয় দিয়েই ওজন কমানো সম্ভব। প্রচুর পরিমানে পানি পান করুন আমাদের দেহে পানি উপকারিতা অনেক বেশি। প্রতিদিন ৭-৮ গ্লাস তরল খাবার (পানি হলে সবচাইতে ভালো) শুধু আমাদের সুস্থই রাখেনা, সাথে আমাদের দেহের ত্বক ভালো রাখে এবং ওজনও রাখে নিয়ন্ত্রণে। পানি আমাদের দেহের হজম ক্রিয়ায় সাহায্য করে এবং আপনি যখন কাজ করেন তখন ঘামের মাধ্যমে আপনার শরীর থেকে ঘামের পাশাপাশি চর্বিও খরচ হয়। তাই বেশি করে পানি পান করুন। তাছাড়া প্রচুর পরিমানে পানি পান করলে তা আপনার বার বার ক্ষুধা লাগার সমস্যাও দূর করবে। অন্যদিকে বিপাক ক্রিয়ার উন্নতি হবে, ফলে শরীরে বাড়তি ফ্যাট জমবে না। গ্রিন টি:- পানি একমাত্র জিনিস নয় যা হজম ক্রিয়াতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে প্রতিদিন ৪ কাপ গ্রিন টি পানের ফলে প্রতি সপ্তাহে অতিরিক্ত ৪০০ ক্যালরি পর্যন্ত ক্ষয় করা সম্ভব। এবং গ্রিন টি-তে আছে প্রচুর পরিমানে এন্টিঅক্সিডেন্ট যা আমাদের দেহের ওজন ঠিক রাখতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন গ্রিন টি অবশ্যই পান করুন।
মানুষ মোটা হয় শর্করা ও স্নেহজাতীয় পদার্থের ফলে। প্রতিদিন স্বাভাবিকের চেয়ে ৫০০ ক্যালরি খাবার কম খেলে প্রায় ১ পাউন্ড ওজন কমানো যায়। দেহের চাহিদার অতিরিক্ত খাওয়া বিশেষ করে ফ্যাট, কালসিয়াম ও ক্যালরিযুক্ত খাবার বেশি হলে ওজন বৃদ্ধি পায়। মদ্যপান, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, অতিরিক্ত ঘুম, স্টেরয়েড এবং অন্যান্য নানা ধরনের ওষুধ গ্রহনের ফলেও ওজন বাড়তে পারে। অতিরিক্ত আরাম আয়েশ ও শরীরিক পরিশ্রম কম ফলে দেহে চর্বিজমে এবং ধীরে ধীরে ওজন বাড়তে থাকে। এক মাসে ৫ কেজি ওজন কমানোর ডায়েট চাটঃ সকাল ৮:০০ – সেদ্ধ ডিম ১ টি সাদা অংশ (৫২ ক্যালরি) – এক বাটি জাম্বুরা( জুস করে বা এমনি খেতে পারেন) (৯৬ ক্যালরি) – ২ টি রুটি (২১০ ক্যালরি) – ভেজিটেবল সুপ (১৫০ ক্যালরি) সকাল ১১:০০ – এক কাপ গ্রিন টি চিনি ছাড়া (কোন ক্যালরি নেই) – একটি আপেল (৮১ ক্যালরি) / একটি কমলা (৮৬ ক্যালরি) দুপুর ২:০০ – ভাত ১ কাপ (২১৬ ক্যালরি) / ২ টি রুটি (২১০ ক্যালরি) – ১ বাটি মিক্স্ড ভেজিটেবল (৮৫ ক্যালরি) – ১ কাপ ডাল (২২০ ক্যালরি) / এক টুকরা মাছ (১৪২ ক্যালরি) বিকেল ৫:০০ – এক কাপ গ্রিন টি (চিনি ছাড়া) – ২ টি ক্রিম ছাড়া বিস্কিট (৩০ ক্যালরি) সন্ধ্যা ৭:০০ – ডাবের পানি (৪৬ ক্যালরি) অথবা ৮-১০ টি পেস্তা বাদাম (৭০ক্যালরি) রাত ৮:৩০ – ভাত ১ কাপ (২১৬ ক্যালরি) / ২ টি রুটি (২১০ ক্যালরি) – ১ কাপ সালাদ (৫০ ক্যালরি) – ১ কাপ সবজি (৮৫ ক্যালরি) / আধা কাপ টক দই (৬৫ ক্যালরি) এই হলো মোটামুটি ১৫০০ ক্যালরির একটি ডায়েট চার্ট। তবে এই ডায়েট চার্ট মেনে চলার পাশাপাশি শারীরিক ব্যায়াম করা অত্যাবশ্যক। কারণ এর মাধ্যমে আপনি দেহের অতিরিক্ত ক্যালরি বার্ণ করতে পারবেন। যেকোনো ব্যায়াম ক্যালরি বার্ণ করতে সহায়ক। শুরুতে হালকা ব্যায়াম দিয়ে শুরু করুন। প্রতিদিন ৪৫ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করূন। এছাড়াও ফ্রি হ্যান্ড এক্সার্সাইজ় করতে পারেন।
প্রতিদিন শত মিনিট হেঁটে যে পরিমাণ ওজন কমানো যায়, এর চেয়েও কম সময়ে ওজন কমানো সম্ভব যদি জীবনপদ্ধতি পাল্টানো যায়। কিছু সফল উপায় উল্লেখ করা হলো, যেগুলো খুব দ্রুত চর্বি পোড়াতে আপনাকে সাহায্য করবে। * পছন্দের জুসের সঙ্গে অর্ধেক গ্লাস খাবার পানি মিশিয়ে খান। * হাঁটতে যাওয়ার আগে গ্রিন টি খান। এটি শরীরকে ফ্যাটি এসিড মুক্ত করে সহজেই চর্বি পোড়াতে সাহায্য করবে পলিফ্যানোল (অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট কম্পাউন্ড) গ্রিন টি ক্যাফেইনের সঙ্গে মিলে ক্যালোরি তাড়াতাড়ি বার্ন করতে সাহায্য করে। যাদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে, তাদের জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়। * শরীরে পানি বাড়ান। বড় একটা পানির বোতল সব সময় সঙ্গে রাখুন যেন ঘন ঘন পানি খেতে পারেন, তাতে ক্ষুধা কম লাগবে। * খাবার জিনিস অল্প কিনবেন, তাহলেই অল্প খাওয়া হবে। জরিপে দেখা গেছে, বেশি কিনলেই বেশি খেতে ইচ্ছা করে। * দিনে অন্তত পাঁচবার পরিমিত খেলে ৩০০ ক্যালরি পর্যন্ত ওজন কমানো সম্ভব। * মাখন বাদ দিয়ে পাউরুটি অলিভ অয়েলে ভেজে খেলে ওজন কমবে। * বিভিন্ন ধরনের সিরিয়াল, ওট কিংবা কর্নফ্লেক্স শরীরে ফাইবারের চাহিদা পূরণ করে, ক্যালোরিও কমাতে সাহায্য করবে। * ডাক্তারের কাছ থেকে জেনে নিন আপনার থাইরয়েড প্রবলেম রয়েছে কি না। সাধারণত প্রতি ১২ জন মহিলার মধ্যে একজনের এই সমস্যা থাকে। এটি ওজন কমাতে বাধা সৃষ্টি করে। * প্রতিদিন যা যা খাবার খান, এর একটি তালিকা করুন। তাহলেই ভারী খাবারগুলো বাদ দিতে পারবেন। * প্রচুর সালাদ খাওয়া শুরু করুন, যা আপনার ক্যালরি কমাতে সাহায্য করবে অনেকখানি। * হালকা খাবার বেশি খেয়ে পেট ভরিয়ে ফেলতে পারেন যেমন- কমলা, আঙুর, রান্না করা পালং শাক, ব্রকোলি ইত্যাদি। * মেন্যুতে বেশি বেশি মাছ যোগ করার চেষ্টা করুন। মাছে আছে ওমেগা থ্রি, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। * ডায়েট করার সময় লক্ষ রাখবেন যেন শরীরের জন্য ক্ষতিকর খাবারগুলো মেন্যু থেকে বাদ দেওয়া হয়। যেমন- রেডমিট, ভাজাপোড়া, আইসক্রিম, চকোলেট, জাংক বা ফাস্ট ফুড ইত্যাদি।