1 Answers

  ১। সিস্টোস্কোপঃএর মাধ্যমে সরাসরি অবস্থান, আকার, পরিমাণ, ক্যান্সারের আকৃতি এবং পরিমাণ জানা যায়। রোগনির্ণয়ের বা পরীক্ষার জন্য জীবদেহ থেকে কোষকলা কেটে নেওয়া হয় এই পরীক্ষার জন্য।      ২। সিটি স্ক্যানঃ লিম্ফ নোডস বা লসিকা বা টিউমার থাকার সম্ভাবনা পরীক্ষায় ৮০ % সঠিকতা নির্দেশ যায়।      ৩। আলট্রা সাউন্ড বিঃ এর মাধ্যমে টিউমারের সাইজ, অবস্থান, ইনফ্লাশন ডিগ্রি বা থলির সম্প্রসারণ সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাওয়া যায়।      ৪। রে- কনট্রাস্ট পরীক্ষনঃ এর মাধ্যমে ডাক্তাররা জানতে পারেন থলি খালি অথবা অনুপ্রবেশের অবস্থায় আছে কিনা। Pyelography এবং ureterography সঙ্গে মিশ্রন, hydronephrosis, মূত্রনালী এর অনুপ্রবেশের অবস্থা নিশ্চিত করা যায়।

2804 views