1 Answers

১. ফাইবারেন্ডস্কপিঃ এই পরীক্ষাটি হজম তন্ত্রের রোগ নির্ণয়ের জন্য ব্যপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ২. ডাইজেসটিভ ট্র্যাক্ট এন্ডসকোপিক আলট্রাসনোগ্রাফিঃ এটির সাহায্যে খাদ্যনালীর প্রাচীরে কোন ক্ষত থাকলে তা সনাক্ত করা যায়। লসিকাগ্রন্থি অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে গেলে তাও সনাক্ত করা যায় এবং খাদ্যনালীর প্রাচীরে ঠিক কোন স্থানে ক্ষত আছে তাও জানা যায়। ৩. এক্সরে ব্যারিয়াম মিল পরিক্ষাঃ এটির সাহায্যে ক্ষত স্থানের আকৃতি ও অবস্থান সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায় এবং কোন ক্যান্সার সেল আছে কিনা তাও জানা যায়। ৪. সি.টি.ঃ এটি ক্যান্সার নির্ণয় করতে না পারলেও খাদ্যনালী এবং এর সংলগ্ন মেডিয়েসটিনাম এর সম্পর্ক নির্ণয়ে সাহায্য করে। তবে সি.টি. স্ক্যান এর সাথে এক্সরে করা হলে তা ক্যান্সার ও এর পর্যায় নির্ণয়ে সাহায্য করে। ৫. এসোফ্যারিঙ্গিয়াল এক্সফ্লয়টেটিভ সাইটোলজি এক্সামিনেশন ঃ সহজ সুবিধাজনক এবং স্বল্পব্যথা বিশিষ্ট এই থেরাপি খাদ্যনালীর ক্যান্সার দ্রুত নির্ণয়ের জন্য একটি প্রধান পরীক্ষা।

2952 views