1 Answers

১.বুকের এক্সরেঃ প্রাথমিক ভাবে ফুসফুস ক্যান্সার নির্ণয়ের জন্য বুকের এক্সরে এর সাথে ফ্লুরস্কপি, বুকের সম্মুখ এবং পার্শ্বীয় রেডিওগ্রাফ এবং পার্শ্বীয় টমোগ্রাম করা হয়। ২.বুকের সি.টি. স্ক্যানতি এক্ষেত্রে বুকের সি.টি. স্ক্যান এর সাথে সি.টি. এর অধীনে ফুস্ফুসের পারকিউটেনিয়াস বায়প্সি করা হয়। ৩. বায়প্সিঃ বায়প্সি এর মধ্যে রয়েছে মেটাসটাসিস লসিকার বায়প্সি, প্লুরা এর বায়প্সি বক্ষ নিরীক্ষণ। চামড়ার নিচে থাকা মেটাসটাটিক অর্বুদের বায়প্সি, ব্রঙ্কস্কপি এর পরে বায়প্সি, অপারেশনের সময় ফ্রজেন সেকশনের থেরাপি এবং সি.টি. দ্বারা পরিচালিত পারকিউটেনিয়াস লাঙ্গ পাঙ্কচার এসপিরেশন বায়প্সি। ৪.ব্রঙ্কস্কপিঃ এর মাধ্যমে ব্রঙ্কাইয়াল এন্ডওমেম্ব্রেন এবং লুমেন এ কোন অস্বাভাবিক পরিবর্তন থাকলে তা বোঝা যায়। এছাড়াও ব্রঙ্কস্কপি এর অধীনে টিউমারের বায়প্সি করানো যায় অথবা সাইটোলজিক পরীক্ষার জন্য শ্বাসনালী থেকে রস ও নেয়া হয়। ৫.স্পিউটাম মাইটোলজিঃ প্রাথমিক ফুসফুস ক্যান্সারের ক্ষেত্রে অনেক রোগীর লালা বা থুতু পরীক্ষা করেও ক্যান্সার কোষ সনাক্ত করা যায়। স্পিউটাম সাইটোলজি এর দ্বারা কেন্দ্রীয় ফুসফুস ক্যান্সার সফল ভাবে ধরা পড়ার হার ৭০%-৯০% আর প্রান্তস্থ বা পেরিফেরাল ফুসফুস ক্যান্সার এর ক্ষেত্রে এই হার ৫০%। এর অর্থ হল যাদের স্পিউটাম সাইটোলজির দ্বারা ক্যান্সার ধরা পড়ে না তাদের ক্যান্সার আছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য অন্য পরীক্ষা করাতে হবে।

2546 views