user-avatar

Sanjoyrand1

Sanjoyrand1

Sanjoyrand1 এর সম্পর্কে
যোগ্যতা ও হাইলাইট
পুরুষ
Unspecified
Unspecified
প্রশ্ন-উত্তর সমূহ 7.25M বার দেখা হয়েছে এই মাসে 185.29k বার
জিজ্ঞাসা করেছেন 2.00k টি প্রশ্ন দেখা হয়েছে 5.29M বার
দিয়েছেন 1.50k টি উত্তর দেখা হয়েছে 1.97M বার
0 টি ব্লগ
0 টি মন্তব্য
টাইমলাইন
বিশ্বজুড়ে সাধারনত উত্তেজিত লিঙ্গের গড় আকার ৫ থেকে ৬ ইঞ্চি। তবে লিঙ্গের আকার ব্যাক্তি এবং অঞ্চলভেদে অনেক পাথ্যর্ক দেখা যায়। আমাদের দেশ তথা দক্ষিন এশিয়ার পুরুষের জন্য সর্বচ্চো ৬ ইঞ্চি একটি ভাল আকার। বিরল ক্ষেত্রে পারিবারিক (জেনেটিক) এবং হরমোন জনিত সমস্যার কারনে ৩ ইঞ্চির চেয়েও অনেক ছোট লিঙ্গ দেখা যায়।

না, এটা কোনো অসুস্থতার লক্ষণ না। এটিকে বলা হয় কামরস। উত্তেজনার সময়ে এটি বের হয়ে থাকে।

কাম রস হচ্ছে প্রাক-চরমানন্দ-তরল। এটি স্বচ্ছ পানির রঙের আঠালো তরল, যা যৌন চিন্তা/লিঙ্গত্থানের পর পুরুষাঙ্গ থেকে নিঃস্বরিত হয়। কাম রসকে ইংরেজীতে প্রি-কাম, ডগ ওয়াটার কিংবা স্পিড ড্রপ ও বলা হয়। কাম রস এবং বীর্য প্রায় একই প্রকার তরল। এতে শুধু কিছু রাসায়নিক পার্থক্য আছে। এই তরলের পরিমান ব্যক্তিভেদে পার্থক্য হয়। অনেক পুরুষের এটি বিন্দুমাত্রও নির্গত হয়না আবার অনেকের তা ৫ মিঃলিঃ পর্যন্ত হতে পারে।

কাম রসের কাজ সমুহঃ

অম্লিক পরিবেশ শুক্রানুর জন্য ক্ষতিকর। প্রস্রাবের ফলে মুত্রনালীতে কিছুটা রাসায়নিক পদার্থ থেকে যায়। কাম রস সেসব অপ্রয়জোনীয় রাসায়নিক পদার্থকে নিষ্ক্রিয় করে শুক্রানুর জন্য নিরাপদ রাস্তা তৈরি করে।
অপরদিকে নারী যোনী সাধারনত অম্লিয় (এসিডিক), তাই মুল বীর্যপাতের আগে এ তরল যোনীতে প্রবেশ করে যৌনাঙ্গের ভিতরের পরিবেশকে স্বাভাবিক করে যাতে বীর্যের সাথের শুক্রানু যোনীতে জীবিত থাকে। এটি যোনীপথকে পিচ্ছিল করার জন্য লুব্রিকেটর হিসাবে কাজ করে।

সমস্যা সমুহঃ

যদিও কাম রস পরিমানে অতি সামন্য তবুও এর সাথে পুর্বের কিছু শুক্রানু (এমনকি একদিন পুরানো) বেরিয়ে আসতে পারে। তাই নারী-পুরুষের এ ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিৎ যে কাম রস যোনীতে প্রবেশ করলে এর থেকেও গর্ভধারন হয়ে যেতে পারে। কাম রস থেকেও এইডস সহ অন্যান্য যৌন বাহীত রোগ (STD) ছড়াতে পারে।।

প্রাথমিকভাবে গ্লান্ডুলার টিস্যু এবং বিশেষ প্রকার চর্বির সমন্বয়ে নারীর স্তন গঠিত। কোন পরিমান শাররীক ব্যায়াম-ই এর আকার গঠন পরিবর্তীত হয়না। তবে ব্যায়াম এর ফলে বুকে স্তনের নিচের "পেক্‌টরিয়াল পেশী" উন্নত হয়ে মনে হবে স্তনের আকার পরিবর্তন হয়েছে এবং কিছুটা লিপ্ট আপ (উপরের দিকে উন্নত) হয়েছে।

ব্যায়াম গুলো কিভাবে করবেন?

 

ডাম্বল চেষ্ট প্রেসঃ মেঝে বা বেঞ্চে সোজা হয়ে শুয়ে দুই হাতে দুটি ডাম্বল নিয়ে তা বুকের সমতলে ধরুন। লক্ষ্য রাখবেন আপনার দুই হাতের কনুই ঘাড়ের সমান সরলরেখায় থাকে ( ---- )। এবার ডম্বল আস্তে আস্তে সোজা উপরের দিকে উঠান। হাত একেবারে সোজা হয়ে গেলে ১৫ সেকেন্ডের মত সেই অবস্থানে রাখুন। প্রতিদিন এই ব্যায়াম ১০ বার পুনরাবৃত্তি করুন।

Cobra Stretch

কোবরা স্ট্রেচ্ঃ দুই পা একত্র করে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলে ভর দিয়ে পা সোজা রাখুন। দুই হাতের তালু মেঝেতে রাখুন। হাতের তালু কাঁদের সামনে স্থাপন করুন। এবার হাতের উপর ভর রেখে কোমর থেকে মাথা পর্যন্ত শরীরের উপরের অংশ ক্রমশঃ উপরের দিকে উঠান। হাত পুরা সোজা হওয়ার পর পিঠ ধনুকের আকারে আসলে আকাশের (উপরের) দিকে তাকান। আবার আস্তে আস্তে পুর্বের অবস্থানে ফিরে যান। এভাবে ১০ বার পুনরাবৃত্তি করার পর শেষ অবস্থানে (পিঠ ধনুকের মত বাকা থাকা থাকা অবস্থায়) প্রায় ৬০ সেকেন্ডের মত এই অবস্থানে অপেক্ষা করুন। তবে লক্ষ্য রাখবেন এমনভাবে যেন চাঁপ না পড়ে যাতে মেরুদন্ডে ব্যথা অনুভব হয়।

Praise Pose Strech

প্রাইস পোজ স্ট্রেচঃ হাটু গেড়ে নামাজের ভঙ্গিতে বসুন। তবে পায়ের পাতা সোজা না রেখে তা এমনভাবে রাখুন যাতে দুই পায়ের পাতা মেঝেতে ঠেকে থাকে (অনেকটা ক্রস করে রাখার মতো)। এবার দুই হাতের আঙুলে আঙুলে আঁকড়ে ধরে তা মাথার পিছনে স্থাপন করুন। তারপর ক্রমাশঃ মাথাকে যথা সম্ভব হাটুর কাছাকাছি নিয়ে যান। এই অবস্থানে কিছুক্ষন অবস্থান করুন। প্রতিদিন কয়েকবার করে এ ব্যায়ামটি করতে পারেন।

চেষ্ট লিপ্টঃ আপনার জামি'র (চিন) নিচে হাতের পাতা রেখে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। এবার মাথা, বাহু এবং বুক ভুমি থেকে ৫ হতে ৬ ইঞ্চি পরিমানে উপরে উঠান। এ অবস্থানে ১০ সেকেন্ডের মত অপেক্ষা করুন। এ ব্যায়ামটি দিনে ৫ থেকে ১০ বার করতে পারেন।

Downward Dog

ডাউনওয়ার্ড ডগঃ পদ্ধতিটির নাম শুনেই অনুমান করতে পারছেন আপনার হাতের তালু এবং হাটুতে ভর করে কুকুরের/ছোটদের জন্য ঘোড়া যেভাবে সাজি সেই ভঙ্গিতে অবস্থান নিন। এবার শরীরেরে মধ্য অংশ তথা নিতম্ব আকাশ/ছাদের দিকে উচু করতে থাকুন। হাটুর ভর ছেড়ে দিয়ে হাতের তালু এবং পায়ের পাতার উপর ভর দিয়ে নিতম্ব যথা সম্ভব উপরের দিকে উঠান। শেষ অবস্থানটা হবে ইংরেজী "V" অক্ষরের উল্টারুপের মত। এই পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি কয়েকবার করুন।

উপরের ব্যায়মগুলো সকালে ২/৩ রিপিট (পুনরাবৃত্তি) বিকেলে ২/৩ রিপিট না করে ১০ টির এক সেট সুবিধা জনক সময়ে একবারে করুন। যেকোন ব্যায়ামের ফলাফল খুব দ্রুত পাওয়া যায়না। তাই ধর্য্যের সাথে কয়েকমাস নিয়মিত রেওয়াজ করুন।

অনেক মেয়েই তার বড় ব্রেস্ট নিয়ে অনেক সময় সমস্যায় পড়েন। সাধারণত ৩৪/৩৬ মেয়েদের স্ট্যান্ডার্ড ব্রেস্ট সাইজ। যদি ব্রেস্টের মাপ ৩৮ ও হয়, তাতেও সমস্যা নেই।

image

যদি আপনি স্ট্যান্ডার্ড ব্রেস্টের মাপ এর চেয়ে ছোট করতে চান, তবে তা দেখতে বেমানান লাগবে। এ পদ্বতিটি শুধুমাত্র তাদের জন্য যাদের ব্রেস্ট খুবই বড় অথবা অস্বাভাবিক। তাই নিম্নে প্রাকৃতিকভাবে ব্রেস্ট ছোট করার কয়েকটি উপায় আলোচনা করা হলোঃ

অস্বাস্থ্যকর খাবার বর্জন:-

অস্বাস্থ্যকর খাবার, বিশেষ করে ফাস্টফুড খাবার বর্জন করতে হবে। এছাড়া চিনিজাতীয় খাবারও বর্জন করতে হবে। বিভিন্ন সফট ড্রিংক্স, জুস, আইসক্রিম, চিপস, তেলে ভাজা খাবার একদম খাবেন না।

ওজন নিয়ন্ত্রণ:-

মেয়েদের ব্রেস্ট টিস্যুর ৯০% হলো ফ্যাট। তাই শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমিয়ে প্রাকৃতিকভাবে ব্রেস্ট ছোট করা যায়। তবে শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমানোর জন্য শুধুমাত্র ব্রেস্টকেই টার্গেট করা যাবে না। তাই ব্রেস্ট ছোট করার ক্ষেত্রে আপনাকে পুরো শরীরের প্রতি নজর দিতে হবে, যা আপনার ব্রেস্ট ছোট করতে সাহায্য করবে। তাই ফিগার ম্যানটেইন করুন।

পুষ্টি:-

স্বাস্থ্যকর খাবার, বিশেষ করে শাক-সবজী বেশী করে খাবেন। দুই ঘন্টা পর পর লো ক্যালোরীর খাবার খান। এতে আপনার শরীরের অতিরিক্ত ক্যালোরী ঝরে যাবে এবং আপনার শরীরের ওজনও কমে যাবে। এক্ষেত্রে “Kellogg’s Special K” ট্রাই করে দেখতে পারেন। তবে সফট ড্রিংক্স এবং জুস খাওয়া থেকে বিরত থাকুন, কারণ এতে থাকা অতিরিক্ত চিনি আপনার ব্রেস্ট কমানোর বদলে বৃদ্বি করতে সাহায্য করবে।

ব্যায়াম:-

শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমানোর জন্য ব্যায়ামের বিকল্প নেই। নিয়মিত ব্যায়াম করলে এবং নিয়মিত ডায়েট করলে আপনার শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমে যাবে। ব্যায়াম করলে আপনার শরীরের পেশীগুলো নতুন করে সুসংগঠিত হবে, ফলে আপনার ব্রেস্ট ছোট হবে। তবে এধরণের ব্যায়াম পরিমিত করবেন।

এ্যারোবিক্স:-

সপ্তাহে অন্তত ৫-৬ দিন, অর্থাৎ প্রতিদিন আধঘন্টা করে যদি এ্যারোবিক্স করেন, তাহলে শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমে যাবে। তাই ব্রেস্ট ছোট করতে চাইলে এ্যারোবিক্স ট্রাই করতে পারেন।

ডায়েট:-

ব্রেস্ট ছোট করার ক্ষেত্রে ডায়েট করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটা অবহেলা করা উচিত নয়। ডায়েট করতে হলে বিভিন্ন ফল, শাক-সবজী, রুটি খেতে পারেন। তবে বাটার, আইসক্রিম, চিপস, বার্গার এবং বিভিন্ন তেলে ভাজা খাবার বর্জন করতে হবে।

এছাড়া জামা-কাপড় এবং জুয়েলারীর মাধ্যমেও আপনার বড় ব্রেস্টকে ছোট দেখাতে পারেন, যদি আপনি ব্রেস্ট ছোট করার ঝামেলা করতে না চান। এ পদ্বতিটি তাদের জন্য যারা নিজেদের ব্রেস্ট ছোট দেখাতে পছন্দ করেন। উপায়গুলো নিম্নে দেয়া হলোঃ

মিনিমাইজিং ব্রা ব্যবহারঃ যাদের ব্রেস্ট বড়, তারা মিনিমাইজিং ব্রা ব্যবহার করতে পারেন। এর বিভিন্ন ডিজাইন রয়েছে। আপনার ব্রেস্টের মাপ অনুযায়ী ব্রা কিনুন। এ ধরণের ব্রা পরলে আপনার ব্রেস্টকে অন্তত ২ সাইজ কম দেখাবে। এছাড়া মিনিমাইজিং ব্রা পরতে আরামদায়ক এবং ব্রেস্টের সাইজ কম দেখানোর অন্যতম উপায়।

জামা-কাপড় এবং জুয়েলারীর মাধ্যমে ব্রেস্ট ছোট দেখানোঃ জামা-কাপড়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই লম্বা এবং ঢিলেঢালা জামা পরতে পারেন। এছাড়া গাঢ় রংয়ের জামা পরতে পারেন। এতে ব্রেস্টের প্রকৃত মাপ বোঝা যায় না। ব্রেস্টের অধিকাংশ দেখা যায় এমন জামা পরবেন না। এছাড়া বড় গলার ডিজাইন করা এবং শর্ট জামাও পরবেন না। শর্ট জামা পরলে ব্রেস্ট বড় দেখায়। আর জুয়েলারীর ক্ষেত্রে এমন কোন জুয়েলারী পরবেন না যা ব্রেস্টের মাঝখানে এসে ঝুলে থাকে। চাইলে গলায় থাকবে এমন ছোটখাট কোন জুয়েলারী পরুন।

অন্যান্য ব্রা এর মাধ্যমে ব্রেস্ট ছোট দেখানোঃ মিনিমাইজিং ব্রা ছাড়াও অন্যান্য ব্রা এর মাধ্যমেও বড় ব্রেস্টকে ছোট দেখানো যায়। সেক্ষেত্রে পাতলা ধরণের দুটি ব্রা একত্রে পরিধান করুন। এক্ষেত্রে কাপড় বা পাতলা ফোম জাতীয় সঠিক কাপ সাইজের ব্রা পরতে পারেন। এতে আপনার ব্রেস্ট টানটান থাকবে এবং আপনার ব্রেস্ট ছোট দেখাবে। এছাড়া স্পোর্টস ব্রা পরতে পারেন। এতেও ব্রেস্ট ছোট দেখাবে। ভুলেও টাইট ব্রা অথবা ব্লাউজ পরবেন না।

মহিলাদের কনডম : মহিলাদের কনডম প্রধানত যৌনসঙ্গমকালে নারীসংগী দ্বারা ব্যবহৃত এক প্রকার জন্মনিরোধক বস্তু। এটি মূলত গর্ভাধারন ও গনোরিয়া, সিফিলিজ ও এইচআইভি-এর মতো যৌনরোগের প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ল্যাস্সি হেসেল এটি আবিস্কার করেন। যৌনসঙ্গমকালে এটি নারীসংগীর যৌনাংগে পরিধান করা হয় এবং এসময় এটি পুরুষের বীর্যকে স্ত্রীযোনিতে প্রবেশে বাধা দেয় ফলে পুরুষের বীর্যের শুক্রাণুসমূহ নারীর ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করতে পারে না। এছাড়া এটি পায়ুসঙ্গমকালে গ্রাহক সংগী দ্বারা পরিধান হতে পারে। মহিলাদের এই কনডম পাতলা, ঢিলা, নমনীয় আবরন এবং এর দুই প্রান্তে দুটি রিং বিদ্যমান। সূবিধাসমূহ মহিলাদের কনডম ব্যবহারের মাধ্যমে নারীরা তাদের যৌনসাস্থ্যকে নিজ নিজ পছন্দের ও ইচ্ছানুযায়ি নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারেন।এই কনডম ব্যবহারের মাধ্যমে নারী সংগীটি নিজেকে গর্ভধারন থেকে রক্ষা করতে পারে, যখন পুরুষ সংগীটি পুরুষের কনডম ব্যবহারে অনিচ্ছুক থাকে। এছাড়া অনেক ক্ষেত্রে নারী সংগীর এই ধরনের কনডমের ব্যবহার পুরুষ সংগীকে সাধারন কনডমের তুলনায় অধিক পুলকিত করতে সক্ষম হয়। এটি আলার্জি নিরোধী এবং যাদের রাবার ল্যাটেক্স ব্যবহারে সংক্রমনের সম্ভাবনা রয়েছে তাদের জন্য উপযোগী। এই কনডম সংগমের বহু সময় পূর্বেই পরিধান করা যায়। পুরুষদের কনডমের ন্যায় এটি পুরুষাংগের উত্থানের জন্য অপেক্ষা করতে হয় না বা বীর্যস্থলনের সাথে সাথে বের করে নেয়ার প্রয়োজন পড়ে না।এটি আঁটসাঁট নয় এবং শরীরের তাপমাত্রার সাথে সাথে এর উপাদানের তাপমাত্রা পরিবর্তিত হয়। এছাড়া এটি সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায় এমন যৌনরোগ থেকে সুরক্ষা দেয় বলে অনেক গবেষনায় দেখা গেছে। বিশ্বব্যাপী ব্যবহার উন্নত দেশসমূহে এই কনডমের বিক্রি আশানুরুপ না হলেও উন্নয়্নশীল দেশসমূহে জন্মনিয়ন্ত্রন প্রকল্প এবং এইডস প্রতিরোধ প্রকল্পের আওতায় এটির ব্যবহার ক্রমবর্ধমান। এই কনডম পরিধানের ক্ষেথে বিশেষ দক্ষতার প্রয়োজন হয় এবং পুরুষের কনডমের তুলনায় এর ২-৩ গুণ বেশি মূল্যকে এর বিক্রি হ্রাসের কারন হিসেবে মনে করা হয়।অনেক ব্যবহারকারী উল্লেখ করেছেন যে এই কনডম পরে সংগমকালে বাজে শব্দের সৃষ্টি হয় এবং এসময় কনডমের একটি রিং যোনীর বাইরে বের হওয়া অবস্থায় থাকে। এসব পরিস্থিতির কারনে অনেকে এই কনডম ব্যবহার ত্যাগ করেছেন বলে অনেক ব্যবহারকারী অভিযোগ করেন।