user-avatar

Sanjoyrand1

◯ Sanjoyrand1

বিশ্বজুড়ে সাধারনত উত্তেজিত লিঙ্গের গড় আকার ৫ থেকে ৬ ইঞ্চি। তবে লিঙ্গের আকার ব্যাক্তি এবং অঞ্চলভেদে অনেক পাথ্যর্ক দেখা যায়। আমাদের দেশ তথা দক্ষিন এশিয়ার পুরুষের জন্য সর্বচ্চো ৬ ইঞ্চি একটি ভাল আকার। বিরল ক্ষেত্রে পারিবারিক (জেনেটিক) এবং হরমোন জনিত সমস্যার কারনে ৩ ইঞ্চির চেয়েও অনেক ছোট লিঙ্গ দেখা যায়।

না, এটা কোনো অসুস্থতার লক্ষণ না। এটিকে বলা হয় কামরস। উত্তেজনার সময়ে এটি বের হয়ে থাকে।

কাম রস হচ্ছে প্রাক-চরমানন্দ-তরল। এটি স্বচ্ছ পানির রঙের আঠালো তরল, যা যৌন চিন্তা/লিঙ্গত্থানের পর পুরুষাঙ্গ থেকে নিঃস্বরিত হয়। কাম রসকে ইংরেজীতে প্রি-কাম, ডগ ওয়াটার কিংবা স্পিড ড্রপ ও বলা হয়। কাম রস এবং বীর্য প্রায় একই প্রকার তরল। এতে শুধু কিছু রাসায়নিক পার্থক্য আছে। এই তরলের পরিমান ব্যক্তিভেদে পার্থক্য হয়। অনেক পুরুষের এটি বিন্দুমাত্রও নির্গত হয়না আবার অনেকের তা ৫ মিঃলিঃ পর্যন্ত হতে পারে।

কাম রসের কাজ সমুহঃ

অম্লিক পরিবেশ শুক্রানুর জন্য ক্ষতিকর। প্রস্রাবের ফলে মুত্রনালীতে কিছুটা রাসায়নিক পদার্থ থেকে যায়। কাম রস সেসব অপ্রয়জোনীয় রাসায়নিক পদার্থকে নিষ্ক্রিয় করে শুক্রানুর জন্য নিরাপদ রাস্তা তৈরি করে।
অপরদিকে নারী যোনী সাধারনত অম্লিয় (এসিডিক), তাই মুল বীর্যপাতের আগে এ তরল যোনীতে প্রবেশ করে যৌনাঙ্গের ভিতরের পরিবেশকে স্বাভাবিক করে যাতে বীর্যের সাথের শুক্রানু যোনীতে জীবিত থাকে। এটি যোনীপথকে পিচ্ছিল করার জন্য লুব্রিকেটর হিসাবে কাজ করে।

সমস্যা সমুহঃ

যদিও কাম রস পরিমানে অতি সামন্য তবুও এর সাথে পুর্বের কিছু শুক্রানু (এমনকি একদিন পুরানো) বেরিয়ে আসতে পারে। তাই নারী-পুরুষের এ ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিৎ যে কাম রস যোনীতে প্রবেশ করলে এর থেকেও গর্ভধারন হয়ে যেতে পারে। কাম রস থেকেও এইডস সহ অন্যান্য যৌন বাহীত রোগ (STD) ছড়াতে পারে।।

প্রাথমিকভাবে গ্লান্ডুলার টিস্যু এবং বিশেষ প্রকার চর্বির সমন্বয়ে নারীর স্তন গঠিত। কোন পরিমান শাররীক ব্যায়াম-ই এর আকার গঠন পরিবর্তীত হয়না। তবে ব্যায়াম এর ফলে বুকে স্তনের নিচের "পেক্‌টরিয়াল পেশী" উন্নত হয়ে মনে হবে স্তনের আকার পরিবর্তন হয়েছে এবং কিছুটা লিপ্ট আপ (উপরের দিকে উন্নত) হয়েছে।

ব্যায়াম গুলো কিভাবে করবেন?

 

ডাম্বল চেষ্ট প্রেসঃ মেঝে বা বেঞ্চে সোজা হয়ে শুয়ে দুই হাতে দুটি ডাম্বল নিয়ে তা বুকের সমতলে ধরুন। লক্ষ্য রাখবেন আপনার দুই হাতের কনুই ঘাড়ের সমান সরলরেখায় থাকে ( ---- )। এবার ডম্বল আস্তে আস্তে সোজা উপরের দিকে উঠান। হাত একেবারে সোজা হয়ে গেলে ১৫ সেকেন্ডের মত সেই অবস্থানে রাখুন। প্রতিদিন এই ব্যায়াম ১০ বার পুনরাবৃত্তি করুন।

Cobra Stretch

কোবরা স্ট্রেচ্ঃ দুই পা একত্র করে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলে ভর দিয়ে পা সোজা রাখুন। দুই হাতের তালু মেঝেতে রাখুন। হাতের তালু কাঁদের সামনে স্থাপন করুন। এবার হাতের উপর ভর রেখে কোমর থেকে মাথা পর্যন্ত শরীরের উপরের অংশ ক্রমশঃ উপরের দিকে উঠান। হাত পুরা সোজা হওয়ার পর পিঠ ধনুকের আকারে আসলে আকাশের (উপরের) দিকে তাকান। আবার আস্তে আস্তে পুর্বের অবস্থানে ফিরে যান। এভাবে ১০ বার পুনরাবৃত্তি করার পর শেষ অবস্থানে (পিঠ ধনুকের মত বাকা থাকা থাকা অবস্থায়) প্রায় ৬০ সেকেন্ডের মত এই অবস্থানে অপেক্ষা করুন। তবে লক্ষ্য রাখবেন এমনভাবে যেন চাঁপ না পড়ে যাতে মেরুদন্ডে ব্যথা অনুভব হয়।

Praise Pose Strech

প্রাইস পোজ স্ট্রেচঃ হাটু গেড়ে নামাজের ভঙ্গিতে বসুন। তবে পায়ের পাতা সোজা না রেখে তা এমনভাবে রাখুন যাতে দুই পায়ের পাতা মেঝেতে ঠেকে থাকে (অনেকটা ক্রস করে রাখার মতো)। এবার দুই হাতের আঙুলে আঙুলে আঁকড়ে ধরে তা মাথার পিছনে স্থাপন করুন। তারপর ক্রমাশঃ মাথাকে যথা সম্ভব হাটুর কাছাকাছি নিয়ে যান। এই অবস্থানে কিছুক্ষন অবস্থান করুন। প্রতিদিন কয়েকবার করে এ ব্যায়ামটি করতে পারেন।

চেষ্ট লিপ্টঃ আপনার জামি'র (চিন) নিচে হাতের পাতা রেখে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। এবার মাথা, বাহু এবং বুক ভুমি থেকে ৫ হতে ৬ ইঞ্চি পরিমানে উপরে উঠান। এ অবস্থানে ১০ সেকেন্ডের মত অপেক্ষা করুন। এ ব্যায়ামটি দিনে ৫ থেকে ১০ বার করতে পারেন।

Downward Dog

ডাউনওয়ার্ড ডগঃ পদ্ধতিটির নাম শুনেই অনুমান করতে পারছেন আপনার হাতের তালু এবং হাটুতে ভর করে কুকুরের/ছোটদের জন্য ঘোড়া যেভাবে সাজি সেই ভঙ্গিতে অবস্থান নিন। এবার শরীরেরে মধ্য অংশ তথা নিতম্ব আকাশ/ছাদের দিকে উচু করতে থাকুন। হাটুর ভর ছেড়ে দিয়ে হাতের তালু এবং পায়ের পাতার উপর ভর দিয়ে নিতম্ব যথা সম্ভব উপরের দিকে উঠান। শেষ অবস্থানটা হবে ইংরেজী "V" অক্ষরের উল্টারুপের মত। এই পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি কয়েকবার করুন।

উপরের ব্যায়মগুলো সকালে ২/৩ রিপিট (পুনরাবৃত্তি) বিকেলে ২/৩ রিপিট না করে ১০ টির এক সেট সুবিধা জনক সময়ে একবারে করুন। যেকোন ব্যায়ামের ফলাফল খুব দ্রুত পাওয়া যায়না। তাই ধর্য্যের সাথে কয়েকমাস নিয়মিত রেওয়াজ করুন।

অনেক মেয়েই তার বড় ব্রেস্ট নিয়ে অনেক সময় সমস্যায় পড়েন। সাধারণত ৩৪/৩৬ মেয়েদের স্ট্যান্ডার্ড ব্রেস্ট সাইজ। যদি ব্রেস্টের মাপ ৩৮ ও হয়, তাতেও সমস্যা নেই।

image

যদি আপনি স্ট্যান্ডার্ড ব্রেস্টের মাপ এর চেয়ে ছোট করতে চান, তবে তা দেখতে বেমানান লাগবে। এ পদ্বতিটি শুধুমাত্র তাদের জন্য যাদের ব্রেস্ট খুবই বড় অথবা অস্বাভাবিক। তাই নিম্নে প্রাকৃতিকভাবে ব্রেস্ট ছোট করার কয়েকটি উপায় আলোচনা করা হলোঃ

অস্বাস্থ্যকর খাবার বর্জন:-

অস্বাস্থ্যকর খাবার, বিশেষ করে ফাস্টফুড খাবার বর্জন করতে হবে। এছাড়া চিনিজাতীয় খাবারও বর্জন করতে হবে। বিভিন্ন সফট ড্রিংক্স, জুস, আইসক্রিম, চিপস, তেলে ভাজা খাবার একদম খাবেন না।

ওজন নিয়ন্ত্রণ:-

মেয়েদের ব্রেস্ট টিস্যুর ৯০% হলো ফ্যাট। তাই শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমিয়ে প্রাকৃতিকভাবে ব্রেস্ট ছোট করা যায়। তবে শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমানোর জন্য শুধুমাত্র ব্রেস্টকেই টার্গেট করা যাবে না। তাই ব্রেস্ট ছোট করার ক্ষেত্রে আপনাকে পুরো শরীরের প্রতি নজর দিতে হবে, যা আপনার ব্রেস্ট ছোট করতে সাহায্য করবে। তাই ফিগার ম্যানটেইন করুন।

পুষ্টি:-

স্বাস্থ্যকর খাবার, বিশেষ করে শাক-সবজী বেশী করে খাবেন। দুই ঘন্টা পর পর লো ক্যালোরীর খাবার খান। এতে আপনার শরীরের অতিরিক্ত ক্যালোরী ঝরে যাবে এবং আপনার শরীরের ওজনও কমে যাবে। এক্ষেত্রে “Kellogg’s Special K” ট্রাই করে দেখতে পারেন। তবে সফট ড্রিংক্স এবং জুস খাওয়া থেকে বিরত থাকুন, কারণ এতে থাকা অতিরিক্ত চিনি আপনার ব্রেস্ট কমানোর বদলে বৃদ্বি করতে সাহায্য করবে।

ব্যায়াম:-

শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমানোর জন্য ব্যায়ামের বিকল্প নেই। নিয়মিত ব্যায়াম করলে এবং নিয়মিত ডায়েট করলে আপনার শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমে যাবে। ব্যায়াম করলে আপনার শরীরের পেশীগুলো নতুন করে সুসংগঠিত হবে, ফলে আপনার ব্রেস্ট ছোট হবে। তবে এধরণের ব্যায়াম পরিমিত করবেন।

এ্যারোবিক্স:-

সপ্তাহে অন্তত ৫-৬ দিন, অর্থাৎ প্রতিদিন আধঘন্টা করে যদি এ্যারোবিক্স করেন, তাহলে শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমে যাবে। তাই ব্রেস্ট ছোট করতে চাইলে এ্যারোবিক্স ট্রাই করতে পারেন।

ডায়েট:-

ব্রেস্ট ছোট করার ক্ষেত্রে ডায়েট করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটা অবহেলা করা উচিত নয়। ডায়েট করতে হলে বিভিন্ন ফল, শাক-সবজী, রুটি খেতে পারেন। তবে বাটার, আইসক্রিম, চিপস, বার্গার এবং বিভিন্ন তেলে ভাজা খাবার বর্জন করতে হবে।

এছাড়া জামা-কাপড় এবং জুয়েলারীর মাধ্যমেও আপনার বড় ব্রেস্টকে ছোট দেখাতে পারেন, যদি আপনি ব্রেস্ট ছোট করার ঝামেলা করতে না চান। এ পদ্বতিটি তাদের জন্য যারা নিজেদের ব্রেস্ট ছোট দেখাতে পছন্দ করেন। উপায়গুলো নিম্নে দেয়া হলোঃ

মিনিমাইজিং ব্রা ব্যবহারঃ যাদের ব্রেস্ট বড়, তারা মিনিমাইজিং ব্রা ব্যবহার করতে পারেন। এর বিভিন্ন ডিজাইন রয়েছে। আপনার ব্রেস্টের মাপ অনুযায়ী ব্রা কিনুন। এ ধরণের ব্রা পরলে আপনার ব্রেস্টকে অন্তত ২ সাইজ কম দেখাবে। এছাড়া মিনিমাইজিং ব্রা পরতে আরামদায়ক এবং ব্রেস্টের সাইজ কম দেখানোর অন্যতম উপায়।

জামা-কাপড় এবং জুয়েলারীর মাধ্যমে ব্রেস্ট ছোট দেখানোঃ জামা-কাপড়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই লম্বা এবং ঢিলেঢালা জামা পরতে পারেন। এছাড়া গাঢ় রংয়ের জামা পরতে পারেন। এতে ব্রেস্টের প্রকৃত মাপ বোঝা যায় না। ব্রেস্টের অধিকাংশ দেখা যায় এমন জামা পরবেন না। এছাড়া বড় গলার ডিজাইন করা এবং শর্ট জামাও পরবেন না। শর্ট জামা পরলে ব্রেস্ট বড় দেখায়। আর জুয়েলারীর ক্ষেত্রে এমন কোন জুয়েলারী পরবেন না যা ব্রেস্টের মাঝখানে এসে ঝুলে থাকে। চাইলে গলায় থাকবে এমন ছোটখাট কোন জুয়েলারী পরুন।

অন্যান্য ব্রা এর মাধ্যমে ব্রেস্ট ছোট দেখানোঃ মিনিমাইজিং ব্রা ছাড়াও অন্যান্য ব্রা এর মাধ্যমেও বড় ব্রেস্টকে ছোট দেখানো যায়। সেক্ষেত্রে পাতলা ধরণের দুটি ব্রা একত্রে পরিধান করুন। এক্ষেত্রে কাপড় বা পাতলা ফোম জাতীয় সঠিক কাপ সাইজের ব্রা পরতে পারেন। এতে আপনার ব্রেস্ট টানটান থাকবে এবং আপনার ব্রেস্ট ছোট দেখাবে। এছাড়া স্পোর্টস ব্রা পরতে পারেন। এতেও ব্রেস্ট ছোট দেখাবে। ভুলেও টাইট ব্রা অথবা ব্লাউজ পরবেন না।

মহিলাদের কনডম : মহিলাদের কনডম প্রধানত যৌনসঙ্গমকালে নারীসংগী দ্বারা ব্যবহৃত এক প্রকার জন্মনিরোধক বস্তু। এটি মূলত গর্ভাধারন ও গনোরিয়া, সিফিলিজ ও এইচআইভি-এর মতো যৌনরোগের প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ল্যাস্সি হেসেল এটি আবিস্কার করেন। যৌনসঙ্গমকালে এটি নারীসংগীর যৌনাংগে পরিধান করা হয় এবং এসময় এটি পুরুষের বীর্যকে স্ত্রীযোনিতে প্রবেশে বাধা দেয় ফলে পুরুষের বীর্যের শুক্রাণুসমূহ নারীর ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করতে পারে না। এছাড়া এটি পায়ুসঙ্গমকালে গ্রাহক সংগী দ্বারা পরিধান হতে পারে। মহিলাদের এই কনডম পাতলা, ঢিলা, নমনীয় আবরন এবং এর দুই প্রান্তে দুটি রিং বিদ্যমান। সূবিধাসমূহ মহিলাদের কনডম ব্যবহারের মাধ্যমে নারীরা তাদের যৌনসাস্থ্যকে নিজ নিজ পছন্দের ও ইচ্ছানুযায়ি নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারেন।এই কনডম ব্যবহারের মাধ্যমে নারী সংগীটি নিজেকে গর্ভধারন থেকে রক্ষা করতে পারে, যখন পুরুষ সংগীটি পুরুষের কনডম ব্যবহারে অনিচ্ছুক থাকে। এছাড়া অনেক ক্ষেত্রে নারী সংগীর এই ধরনের কনডমের ব্যবহার পুরুষ সংগীকে সাধারন কনডমের তুলনায় অধিক পুলকিত করতে সক্ষম হয়। এটি আলার্জি নিরোধী এবং যাদের রাবার ল্যাটেক্স ব্যবহারে সংক্রমনের সম্ভাবনা রয়েছে তাদের জন্য উপযোগী। এই কনডম সংগমের বহু সময় পূর্বেই পরিধান করা যায়। পুরুষদের কনডমের ন্যায় এটি পুরুষাংগের উত্থানের জন্য অপেক্ষা করতে হয় না বা বীর্যস্থলনের সাথে সাথে বের করে নেয়ার প্রয়োজন পড়ে না।এটি আঁটসাঁট নয় এবং শরীরের তাপমাত্রার সাথে সাথে এর উপাদানের তাপমাত্রা পরিবর্তিত হয়। এছাড়া এটি সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায় এমন যৌনরোগ থেকে সুরক্ষা দেয় বলে অনেক গবেষনায় দেখা গেছে। বিশ্বব্যাপী ব্যবহার উন্নত দেশসমূহে এই কনডমের বিক্রি আশানুরুপ না হলেও উন্নয়্নশীল দেশসমূহে জন্মনিয়ন্ত্রন প্রকল্প এবং এইডস প্রতিরোধ প্রকল্পের আওতায় এটির ব্যবহার ক্রমবর্ধমান। এই কনডম পরিধানের ক্ষেথে বিশেষ দক্ষতার প্রয়োজন হয় এবং পুরুষের কনডমের তুলনায় এর ২-৩ গুণ বেশি মূল্যকে এর বিক্রি হ্রাসের কারন হিসেবে মনে করা হয়।অনেক ব্যবহারকারী উল্লেখ করেছেন যে এই কনডম পরে সংগমকালে বাজে শব্দের সৃষ্টি হয় এবং এসময় কনডমের একটি রিং যোনীর বাইরে বের হওয়া অবস্থায় থাকে। এসব পরিস্থিতির কারনে অনেকে এই কনডম ব্যবহার ত্যাগ করেছেন বলে অনেক ব্যবহারকারী অভিযোগ করেন।

চোখের পাতা লাফানোর এই রোগটির নাম ডাক্তারী ভাষায় Myokymia। পেশীর সংকোচনের কারণেই চোখের পাতা লাফায়। দুই একবার হঠাৎ চোখের পাতা লাফালে চিন্তার কিছু নেই। কিন্তু সেটা যদি মাত্রাতিরিক্ত হয় এবং আপনার বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায় তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত। কেননা তা হতে আসলে ৭টি মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যার লক্ষণ।

চোখের পাতা কী কী কারণে লাফায় আসুন তা জেনে নেই—

মানসিক চাপ:

আমরা যখন কঠিন মানসিক চাপের ভেতর দিয়ে যাই তখন শরীর বিভিন্ন উপায়ে তার প্রতিক্রিয়া দেখায়। চোখের পাতা লাফানো মানসিক চাপের লক্ষণ হিসেবে প্রকাশ পেতে পারে।

ক্লান্তি:

পরিমিত ঘুমের অভাব বা অন্য কোন কারণে ক্লান্তি থেকেও চোখের পাতা লাফানো শুরু হতে পারে। ঘুমের অভাবে চোখের পাতা লাফালে পরিমিত ঘুম হলেই সেরে যাবে।

দৃষ্টি সমস্যা:

দৃষ্টিগত কোন সমস্যা থাকলে চোখের উপর চাপ পড়তে পারে। টিভি, কম্পিউটার, মোবাইল ফোনের স্ক্রীনের আলোও চোখের দৃষ্টিতে প্রভাব ফেলতে পারে। আর এই সব সমস্যা থেকে চোখের পাতা লাফানো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

ক্যাফিন এবং এ্যালকোহল:

অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন ক্যাফিন এবং এ্যালকোহল অতিরিক্ত সেবনে চোখের পাতা লাফাতে পারে। তাই ক্যাফিন এবং এ্যালকোহলের ব্যবহার মাত্রা কমিয়ে এনে এ সমস্যা থেকে উদ্ধার পাওয়া সম্ভব।

চোখের শুষ্কতা:

কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলে, অতিরিক্ত এ্যালকোহলের প্রভাবে, চোখে কন্ট্যাক্ট ল্যান্স ঠিকমতো না বসলে কিংবা বয়সজনিত কারণে চোখ শুকিয়ে যেতে পারে। চোখের শুষ্কতা চোখের পাতা লাফানোর জন্য দায়ী বলে চক্ষু চিকিৎসকরা মনে করেন।

পুষ্টির ভারসাম্যহীনতা:

কিছু কিছু প্রতিবেদনে পুষ্টির ভারসাম্যহীনতাকে চোখের পাতা লাফানোর একটি কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। বিশেষ করে ম্যাগনেসিয়ামের অভাব জনিত কারণে এমনটি হতে পারে বলে দাবী করা হয়েছে।

এলার্জি:

যাদের চোখে এলার্জি আছে, তারা চোখ চুলকায় বা হাত দিয়ে ঘষে; ফলে চোখ থেকে পানির সাথে কিছুটা হিস্টামিনও নির্গত হয়। ধারণা করা হয় হিস্টামিন চোখের পাতা লাফানোর জন্য দায়ী।

চোখের পাতা লাফানোর উপর ভালো বা মন্দ সংবাদের কোনটিই জড়িত না থাকলেও যদি মাত্রাতিরিক্ত চোখের পাতা লাফায় তবে সেটি আপনাকে মন্দ সংবাদই দেবে যে— আপনাকে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। আর চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠলে সেটা অবশ্যই হবে সুসংবাদ।

এই ব্যাপারটি আসলে বেশ বিচিত্র। হ্যাঁ, প্রচুর পুরুষের আগ্রহ থাকে কাজের মেয়েদের প্রতি। তবে এগুলোর পেছনে কারণে কখনোই এক হয় না। বরং বিভিন্ন সময়ে সমাজ বিজ্ঞানীদের গবেষণায় বের হয়ে এসেছে বিচিত্র সব কারণ। এবং একেকটার জন্য দায়ী একেক বিষয়, আবার বিবাহিত ও অবিবাহিত পুরুষদের ক্ষেত্রেও কারণ ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। কী রকম? ব্যাখ্যা করছি তেমনই ৬ টি কারণ। ১) বিবাহিত জীবনে কিছু সময় অতিক্রান্ত করার পর বেশিরভাগ পুরুষই স্ত্রীর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। বিশেষ করে সন্তান হবার পর স্ত্রী মোটা হয়ে গেলে পুরুষ তখন ১০০ ভাগ নিশ্চিত যে বাইরে মন দেবেন। এমন সময়ে যারা বাইরে পরকীয়া করতে পারেন না, তাঁরাই কাজের মেয়েটির দিকে নজর দেন। কাজের মেয়ে কিশোরী হোক বা তরুণী, এইসব পুরুষদের লোলুপ দৃষ্টি হতে মুক্তি পান না। ২) অনেক ক্ষেত্রে কাজের মেয়েদেরও সম্মতি থাকে গৃহকর্তার সাথে প্রেমের ব্যাপারে। তারা কী করে, নানান ভাবে বাড়ির পুরুষদের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করে এবং তাঁদের দ্বারা শারীরিক চাহিদা মেটায়। এক্ষেত্রে পুরুষটি প্রলোভনের সশিকার। ৩) এমন পুরুষের সংখ্যা নেহাত কম নেই সমাজে যারা নারী দেখলেই হামলে পড়েন। যেহেতু বাসার কাজের মেয়েটি অসহায়, তাদেরই বাড়িতে থাকছে, তারা বিষয়টির ফায়দা তোলেন ও মেয়েটিকে যৌন নির্যাতন করেন। ৪) অসংখ্য অসুস্থ মানসিকতার পুরুষ আছেন, যারা কিনা শিশু বা কিশোরীদের সাথে যৌন সম্পর্ক করতে লোলুপ হয়ে থাকেন। কাজের মেয়েটিই হয় প্রথম শিকার। ৫) যেহেতু আমাদের সমাজে ছেলে মেয়েদের অবাধ মেলামেশার সুযোগ নেই, সেহেতু উঠতি বয়সী তরুণেরা বাসার কাজের মেয়েটির সাথেই প্রথম যৌন অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করার আশায় থাকেন। প্রচুর তরুণের মাঝে দেখা যায় এই প্রবণতা। ৬) কাজের মেয়ে বেশি সুন্দরী হলেও নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না অধিকাংশ পুরুষ।
স্ত্রী যদি পরকীয়া করে, সেটা হাতেনাতে ধরবো কিভাবে? এমন কোন ফুল প্রুফ উপায় আছে কি?

চিকিত্‍সা

- ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াতে হবে।
- স্টুল সফনার বা ল্যাক্সেটিভ অনেক সময় ব্যবহার করা হয়।
- শিশুকে নিয়মিত নির্দিষ্ট সময়ে বাথরুম করার জন্য মোটিভেট করুন। তবে জোর করবেন না।
- ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী শিশু ব্যায়াম করতে পারে।

সতর্কতা

শিশুর খাবার অভ্যাসে পরিবর্তন আনতে হবে। শিশুকে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াতে হবে। খোসাসহ ফল যেমন আঙুর, পেয়ারা, নাশপাতি ইত্যাদি। এছাড়া যেসব ফলে জলীয় অংশ বেশি থাকে যেমন তরমুজ, শসা ইত্যাদিও খাওয়াতে হবে। এছাড়া পালংশাক, গাজর, আটার রুটি, সালাদ ইত্যাদি খাওয়ানোর অভ্যাস করতে হবে।

তথ্যসূত্র: ডা. অঞ্জন ভট্টাচার্য, আপনার ডাক্তার, ২০১১

- কম ফাইবার এবং অতিরিক্ত ফ্যাট সমৃদ্ধ খাবার খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। - অতিরিক্ত মাত্রায় সর্দি-কাশির, কোলিক বন্ধ করার ওষুধ, আয়রন সাপ্লিমেন্ট ইত্যাদি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। - মা বা নানির যদি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকে তাহলে অনেক ক্ষেত্রেই তা বাচ্চার মধ্যে বংশানুক্রমিকভাবে চলে আসতে পারে। বিশেষ কিছু গোষ্ঠী বা সমষ্টির মধ্যে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বেশি দেখা যায়। - শিশুর যদি হাইপোথাইরয়েডিজম থাকে তাহলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দিতে পারে। শিশুর জন্মের পর যদি স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে জেনে নেয়া যায় যে শিশুর থাইরয়েড সংক্রান্ত সমস্যা আছে কি না, তাহলে শুরুতেই কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করা সহজ হয়ে যায়। - যেসব শিশুদের ডাউনস সিন্ড্রোম (এক ধরনের ক্রোমোজোমাল ডিজঅর্ডার) আছে তাদের ক্ষেত্রে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বেশি করে দেখা যায়। ডাউনস সিন্ড্রোম থাকলে পেশির শক্তি কমে যায় এবং শিশুর স্বাভাবিক হাঁটাচলায় প্রভাব পড়ে। এর ফলে কোলন ভালোভাবে কাজ করে না এবং স্টুল ঠিকমতো বের হতে পারে না। - হার্সপ্রাঙ্গ ডিজিজ থাকলে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। এই রোগ যদি ধরা না পড়ে তাহলে মেগা কোলনের মতো জটিল সমস্যা তৈরি হতে পারে। সাধারণ কোষ্ঠকাঠিন্য এবং হার্সপ্রাঙ্গ ডিজিজের মধ্যে অনেক সাদৃশ্য আছে, ফলে অনেক সময় রোগ নির্ণয় করা মুশকিল হয়ে যায়। হার্সপ্রাঙ্গ ডিজিজ নয় বোঝার একটি বিশেষ উপায় হলো জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাচ্চার প্রথম স্টুল হয়েছে কি না, সেটা খেয়াল রাখা। নবজাত শিশুর ডিসচার্জ সার্টিফিকেটে এই তথ্য থাকা জরুরি। - শিশু যদি কোনোরকম শারীরিক সমস্যা (সেরিব্রাল পালসি, স্পাইনা বিফিডা, হাইপোটোনিয়া) থাকে তা হলেও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা যায়। এছাড়া ইনটেস্টাইন সংক্রান্ত সমস্যা, ম্যালরোটেশন ইত্যাদি থেকেও কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। লক্ষণ - স্টুল শক্ত হয়ে যায়। - স্টুলের সাথে রক্ত পড়তে পারে। নিয়মিত পেট পরিষ্কার হয় না। - বাথরুম করতে কষ্ট হয়, ব্যথা করে। - অনেক সময় পানির মতো পাতলা স্টুল হতে পারে। - পেট পরিষ্কার হতে অনেকক্ষণ সময় লাগে। - দুষ্টুমি বেড়ে যায়, মনঃসংযোগ কমে যায়। - শিশু খেতে চায় না। বমি হতে পারে। - খাওয়ার সাথে সাথে বাথরুম যেতে হয়। - বার বার বাথরুম পায়। - সয়লিং (হঠাত্‍ করে জামাকাপড় নোংরা করে ফেলা)। জটিলতা শারীরিক কষ্ট থাকলে শিশুরা অনেক সময় মানসিক অবসাদে ভোগে। ফলে তারা নিজেদের সবার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে চায়। বন্ধুদের সাথে সহজভাবে মিশতে পারে না। অন্যদের তুলনায় নিজেকে কমজোরি মনে করে, হীনমন্যতায় ভোগে, ক্রমশ একলা হয়ে যায়। এছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণে দেখা দেয় আরো জটিলতা। যেমন পাইলস, মেগা কোলন, ফিস্টুলা, ইনটেস্টিনাল অবস্ট্রাকশন, অবস্টিপেশন, পড়াশোনায় অনীহা, মন না বসা ইত্যাদি।
গোপন ঋতুস্রাবের ক্ষেত্রে বেশ কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায় যেমন - রক্ত জননেন্দ্রিয়ের অভ্যন্তরে জমা হতে পারে এবং এর ফলে নানারূপ লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে ও ঋতুস্রাব বাইরে নির্গত হয় না। অনেক সময় তরুনীদের ঋতুস্রাবের বয়স হওয়া এবং অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলি যথাযথভাবে বৃদ্ধি লাভ করা সত্বেও ঋতুস্রাব হচ্ছে না। প্রস্রাব স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয় কিন্তু স্রাব ঠিকমতো হয় না বা একেবারেই হয় না অথবা দু'এক ফোটা করে হয় মাত্র। মলত্যাগ কালে ব্যথা পায়, বিশেষ করে কোষ্ঠকাঠিন্যে এই ব্যথা অসহ্য হয়ে উঠে। কখনো কখনো দেহের তাপমাত্র বৃদ্ধি পায় এবং জ্বর জ্বর ভাব দেখা দেয়।
বিভিন্ন কারণে এইরূপ অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে যেমন - অনেক সময় নানা রকম পর্দার দ্বারা জরায়ু এবং যোনিমুখ আবৃত থাকার জন্য ঋতুস্রাব ঠিকমতো হতে পারে না। কখনো কখনো জন্মগত কারণে সতীচ্ছেদ একেবারে ছিদ্রশূন্য থাকে। এর ফলে ঋতুস্রাব ঠিকমতো হতে পারে না। আবার কোন কোন ক্ষেত্রে পর্দা জরায়ু মুখকে আটকে রাখে। এছাড়া শারীরিক দুর্বলতা, রক্তশূন্যতা, অপুষ্টি ইত্যাদির জন্য ঠিকমতো রজস্রাব হয় না। অতি সামান্য হয় তা ঠিক বুঝতে পারা যায় না। অনেক সময় আঘাতের জন্য জরায়ু মুখ আটকে থাকে, এর ফলেও ঋতুস্রাব হয় না অথবা এত সামান্য হয় যে ধরা যায় না।

গোপন মাসিক কি?

Sanjoyrand1
Jan 18, 02:36 PM
সাধারণত প্রতি ২৮ দিনে স্ত্রীলোকের ঋতুস্রাব হয়ে থাকে। ইহার ব্যতিক্রম ঘটলে নানাবিধ রোগ লক্ষণ প্রকাশ পায়। অনেক সময় নারীদের ঋতুস্রাব হয় কিন্তু তা এত সামান্য এবং কিঞ্চিতকর যে নির্ণয় করা কঠিন হয়ে যায়। এই প্রকারের ঋতুস্রাবকে গোপন ঋতুস্রাব বা Hidden Menstruation বা Cryptomenorrhoea বলা হয়।
স্বামী-স্ত্রীর ব্লাড গ্রুপ কেমন হওয়া উচিত সে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার আগে প্রথমে আমাদের ব্লাড গ্রুপ সম্পর্কে কিছু কথা জানা দরকার। প্রধানত ব্লাড গ্রুপ কে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। একটা হল ABO system (A, B, AB & O), আরেকটা হল Rh factor {Rh positive(+ve) & Rh negative(-ve)}. অর্থ্যাৎ Rh factor ঠিক করবে ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ হবে না নেগেটিভ হবে। ব্লাড গ্রুপগুলো হলঃ A+ve, A-ve, B+ve, B-ve, AB+ve, AB-ve O+ve, O-ve. জেনে নেয়া যাক, যদি অন্য গ্রুপের ব্লাড কারো শরীরে দেওয়া হয় তাহলে কী হবে? কেন টেস্ট করাবেন? যখন কোনো Rh নেগেটিভ গ্রুপের ব্যক্তিকে Rh পজেটিভ গ্রুপের ব্লাড দেয়া হয় তখন প্রথমবারে সাধারণত কোন সমস্যা হবে না। কিন্তু এর বিরুদ্ধে রোগীর শরীরে এন্টিবডি তৈরী হবে। ফলে রোগী যদি আবার কখনও পজেটিভ ব্লাড শরীরের নেয় তাহলে তার ব্লাড cell গুলো ভেঙ্গে যাবে, এবং মারাত্মক সমস্যা দেখা দেবে। যেমন জ্বর, কিডনি ফেইলিউর, হঠাৎ মৃত্যু ইত্যাদি। এই সমস্যাকে মেডিকেল টার্ম এ বলা হয় ABO। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে স্বামী-স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ কী রকম হওয়া দরকার? যদি স্বামীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হয় তাহলে স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ বা নেগেটিভ যে কোনো একটি হলেই হবে। কিন্তু স্বামীর ব্লাডগ্রুপ যদি পজেটিভ হয়, তাহলে স্ত্রীকেও পজেটিভ ব্লাড গ্রুপের একজন হতে হবে। কোনোভাবেই স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হওয়া চলবে না। অর্থাৎ একজন নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপের নারী কেবলই একজন নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপের পুরুষকে বিয়ে করাই নিরাপদ। রক্তের গ্রুপ মিলে গেলে কোন সমস্যা হয় না। তবে ভিন্ন ব্লাড গ্রুপে স্ত্রী যদি নেগেটিভ হয় আর স্বামী যদি পজিটিভ হয়, তাহলে সন্তান জন্মের সময়ে ‘লিথাল জিন’ বা ‘মারন জিন’ নামে একটি জিন তৈরি হয় যা পরবর্তীতে জাইগোট তৈরিতে বাঁধা দেয় বা জাইগোট মেরে ফেলে। সে ক্ষেত্রে মৃত বাচ্চার জন্ম হয়। যদি স্বামীর ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ হয় তাহলে সাধারনত বাচ্চার ব্লাডগ্রুপও পজেটিভ হবে। যখন কোনো নেগেটিভ ব্লাডগ্রুপের মা ধারন করবে পজেটিভ Fetus(ভ্রুন), তখন সাধারনত প্রথম বাচ্চার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হবে না। কিন্তু ডেলিভারির সময় পজেটিভ Fetus এর ব্লাড, placental barrier ভেদ করে এবং placental displacement এর সময় মায়ের শরীরে প্রবেশ করবে। মায়ের শরীরে ডেলিভারির সময় যে ব্লাড প্রবেশ করবে, তা ডেলিভারি হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই মায়ের শরীরে Rh এন্টিবডি তৈরী করবে।
স্বামী-স্ত্রীর ব্লাড গ্রুপ কেমন হওয়া উচিত সে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার আগে প্রথমে আমাদের ব্লাড গ্রুপ সম্পর্কে কিছু কথা জানা দরকার। প্রধানত ব্লাড গ্রুপ কে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। একটা হল ABO system (A, B, AB & O), আরেকটা হল Rh factor {Rh positive(+ve) & Rh negative(-ve)}. অর্থ্যাৎ Rh factor ঠিক করবে ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ হবে না নেগেটিভ হবে। ব্লাড গ্রুপগুলো হলঃ A+ve, A-ve, B+ve, B-ve, AB+ve, AB-ve O+ve, O-ve. জেনে নেয়া যাক, যদি অন্য গ্রুপের ব্লাড কারো শরীরে দেওয়া হয় তাহলে কী হবে? কেন টেস্ট করাবেন? যখন কোনো Rh নেগেটিভ গ্রুপের ব্যক্তিকে Rh পজেটিভ গ্রুপের ব্লাড দেয়া হয় তখন প্রথমবারে সাধারণত কোন সমস্যা হবে না। কিন্তু এর বিরুদ্ধে রোগীর শরীরে এন্টিবডি তৈরী হবে। ফলে রোগী যদি আবার কখনও পজেটিভ ব্লাড শরীরের নেয় তাহলে তার ব্লাড cell গুলো ভেঙ্গে যাবে, এবং মারাত্মক সমস্যা দেখা দেবে। যেমন জ্বর, কিডনি ফেইলিউর, হঠাৎ মৃত্যু ইত্যাদি। এই সমস্যাকে মেডিকেল টার্ম এ বলা হয় ABO। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে স্বামী-স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ কী রকম হওয়া দরকার? যদি স্বামীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হয় তাহলে স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ বা নেগেটিভ যে কোনো একটি হলেই হবে। কিন্তু স্বামীর ব্লাডগ্রুপ যদি পজেটিভ হয়, তাহলে স্ত্রীকেও পজেটিভ ব্লাড গ্রুপের একজন হতে হবে। কোনোভাবেই স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হওয়া চলবে না। অর্থাৎ একজন নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপের নারী কেবলই একজন নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপের পুরুষকে বিয়ে করাই নিরাপদ। রক্তের গ্রুপ মিলে গেলে কোন সমস্যা হয় না। তবে ভিন্ন ব্লাড গ্রুপে স্ত্রী যদি নেগেটিভ হয় আর স্বামী যদি পজিটিভ হয়, তাহলে সন্তান জন্মের সময়ে ‘লিথাল জিন’ বা ‘মারন জিন’ নামে একটি জিন তৈরি হয় যা পরবর্তীতে জাইগোট তৈরিতে বাঁধা দেয় বা জাইগোট মেরে ফেলে। সে ক্ষেত্রে মৃত বাচ্চার জন্ম হয়। যদি স্বামীর ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ হয় তাহলে সাধারনত বাচ্চার ব্লাডগ্রুপও পজেটিভ হবে। যখন কোনো নেগেটিভ ব্লাডগ্রুপের মা ধারন করবে পজেটিভ Fetus(ভ্রুন), তখন সাধারনত প্রথম বাচ্চার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হবে না। কিন্তু ডেলিভারির সময় পজেটিভ Fetus এর ব্লাড, placental barrier ভেদ করে এবং placental displacement এর সময় মায়ের শরীরে প্রবেশ করবে। মায়ের শরীরে ডেলিভারির সময় যে ব্লাড প্রবেশ করবে, তা ডেলিভারি হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই মায়ের শরীরে Rh এন্টিবডি তৈরী করবে।
জীবন সঙ্গী নিয়ে নারীদের রয়েছে কিছু ব্যক্তিগত পছন্দ- অপছন্দ ও রুচির ব্যাপার-স্যাপার । কেউ কেউ মনে করেন মেয়েরা বুঝি লম্বা, সুদর্শন পুরুষ পছন্দ করে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে পুরুষের শারীরিক সৌন্দর্য থেকে নারীকে বেশি আকৃষ্ট করে তাদের ব্যক্তিত্ব , পুরুষসুলভ আচরণ ও গুণাবলী। পুরুষদেরও জানা উচিত কোন বিষয়গুলো নারীর কাছে পুরুষকে আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে। পরিচ্ছন্ন-গোছগাছ কেবল উচ্চতাই নিজেকে উপস্থাপন করার গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর না। মূল বিষয় হচ্ছে নারী লক্ষ করে কোন পুরুষ নিজের বিষয়ে কতোটা সচেতন। পুরুষকে যথার্থ সতর্ক থাকতে হবে প্রথম দেখায়। হতে হবে নিজের প্রতি যত্নশীল, মনে রাখবেন এলোমেলো চুল, নোংরা নখ, দুর্গন্ধযুক্ত মোজা, কালি ছাড়া জুতা, শার্ট বা জিন্সে দাগ এমন যে কোন বিষয় হতে পারে অপছন্দ করার অন্যতম কারণ। পোষাক জ্ঞান খুব দামী কাপড় পরে নারীর সামনে যেতে হবে এমন কোনো কথা নেই। তবে, পোশাকটি অবশ্যই ফ্যাশনেবল এবং আধুনিক ডিজাইনের হতে হবে। সেই সঙ্গে লক্ষ রাখতে হবে, যেন পোশাকে সাবলিল থাক যায় ।যাতে করে ব্যক্তিত্বের প্রকাশ ঘটে। ব্যাক্তিত্ব জ্ঞান নারীর গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল যে তারা পুরুষের বিচারবুদ্ধি সম্পন্ন রসবোধের বিষয়টি উপভোগ করে। কিন্তু মজা করতে গিয়ে এমন কিছু বলা বা করা যাবে না যা অন্যকে উপহাস করে বা ভদ্রতার সীমা অতিক্রম করে। দায়িত্ববোধ মেয়েরা দায়িত্ববান পুরুষ পছন্দ করে। ছোট ছোট বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। যেমন-পুরুষের দায়িত্ব হচ্ছে নারী সঙ্গীটিকে নিরাপদে রাস্তা পার হতে সাহায্য করা। কখনোই তাকে পেছনে ফেলে নিজে এগিয়ে না যাওয়া। বেড়াতে যাওয়া বা খাবার এমন বিষয়ে তার পছন্দের প্রতি সন্মান প্রদর্শন করা ,গুরুত্ব দেয়া। মনে রাখতে হবে নারীরা গুরুত্ব পেতে ভালোবাসে। তারা সবসময় পুরুষ সঙ্গিটিকে নিজের সর্বোত্তম আশ্রয় ও প্রাপ্তির নিশ্চিত সীমান মনে করে। মেয়েরা তার পুরুষ সঙ্গীর দায়িত্ববোধ নিয়ে সহপাঠী,সমবয়সী ও আত্মীয়দের মাঝে গর্ব করতে ভালবাসে। প্রশংসা নারী সঙ্গীর প্রতি মুগ্ধতা দেখাতে হবে। বাইরে যাওয়ার সময় তার সাজের প্রশংসা করতে হবে। নারী সঙ্গীর দেয়া উপহার সানন্দে গ্রহণ করতে হবে। তার রান্নার প্রশংসা করুন। কখনো যদি পছন্দ মতো নাও হয়, কোনো ভাবেই বিরক্তি প্রকাশ করা যাবে না। মনে রাখতে অনেক আন্তরিকতা নিয়ে কষ্ট করে শুধু পুরুষ সঙ্গীকে খুশি করার জন্যই মেয়েরা ব্যাস্ত থাকে। তার সাথে দেখা হলে প্রথমেই মিষ্টি হাসি ধরে রাখতে হবে। শান্ত স্বভাব অনেক পুরুষের বৈশিষ্ট হচ্ছে তারা খুব অল্পতেই ক্ষিপ্ত হয়ে যায়। কিন্তু খুব সহজেই আবার রাগ কমে যায়। পুরুষের কাজ হবে, কিছুটা সময় শান্ত থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং শান্তিপূর্ণ রাখা। নারীরাও আজকাল রাগী, আক্রমণাত্বক সঙ্গী পছন্দ করে না। রাগ করার মতো সুনির্দিষ্ট কারণ থাকলে নারী সঙ্গীকে শান্তভাবে বুঝিয়ে বলতে হবে। সম্মান প্রদর্শন নারীকে সম্মান করতে হবে। অনেকের মাঝে নারীকে হেয় করে কথা বলার প্রবণতা দেখা যায়। তবে নারীও মানুষ সে পুরুষের সমান গুরুত্ব এবং সম্মান পাওয়ার অধীকার রাখে। ওপরের বিষয়গুলো মেনে চললেই কাঙি্ক্ষত নারীর কাছে এই পুরুষটি অনন্য।

হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থের জন্যে রক্ত লাল হয়। হিমোগ্লোবিন না থাকলে রক্ত সাদা হয়। টিকটিকির দেহে হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থ নেই তাই টিকটিকির গায়ের রঙ সাদা।

জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকাতেই সবচেয়ে বেশি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এই দেশে এক বছরে ৫ লক্ষ ধর্ষণের মামলা দায়ের হয়। অর্থাত্‍‌ প্রতি ১৭ সেকেন্ডে একটি রেপ। এ কারণে দক্ষিণ আফ্রিকাকে পৃথিবীর রেপ ক্যাপিটাল বলা হয়।

লিপ সেকেন্ড লিপ ইয়ারের মত নির্দিষ্ট করে ছাড় বছর পর পর হয় না। তাছাড়াও এটি কোন কোন বছর বাড়ানো হবে তা বিজ্ঞানীরাই ভালো জানেন। ১৯৭২ সাল থেকে চালু হবার পর দেখা গেছে কোন বছর দুবার, পর পর কয়েক বছর, আবার কোন বছরে কোন লিপ সেকেন্ড যুক্ত করা হয় নি। 

Announced leap seconds to date
Year Jun 30 Dec 31
1972 +1 +1
1973 0 +1
1974 0 +1
1975 0 +1
1976 0 +1
1977 0 +1
1978 0 +1
1979 0 +1
1980 0 0
1981 +1 0
1982 +1 0
1983 +1 0
1984 0 0
1985 +1 0
1986 0 0
1987 0 +1
1988 0 0
1989 0 +1
1990 0 +1
1991 0 0
1992 +1 0
1993 +1 0
1994 +1 0
1995 0 +1
1996 0 0
1997 +1 0
1998 0 +1
1999 0 0
2000 0 0
2001 0 0
2002 0 0
2003 0 0
2004 0 0
2005 0 +1
2006 0 0
2007 0 0
2008 0 +1
2009 0 0
2010 0 0
2011 0 0
2012 +1 0
2013 0 0
2014 0 0
2015 +1  
Year Jun 30 Dec 31
Total 11 15
26
Current TAI − UTC
35 (until June 2015)
সিলেটের শ্রীমঙ্গল

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাঁড়ায় :- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ক্ষেত্রে, অর্থাৎ আমাদের ইমিয়্যুন সিস্টেম ঠিক রাখতে সাহায্য করে আমদের শারীরিক মিলন প্রক্রিয়া৷ রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে এটি থেরাপির মত কাজ করে, এর মাধ্যমে পাচনকার্য ঠিক হওয়ার ফলে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা সুদৃঢ় হয়৷

ভালো ব্যায়াম :- শারীরিক মিলনের সময়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ যেভাবে সঞ্চালিত হয়, তার মাধ্যমে ব্যয়াম কার্য খুব ভালোভাবে সম্পাদিত হয়৷ এর মাধ্যমে প্রচুর ক্যালোরি খরচ হয়, ফলে কোলেস্টেরলের মাত্রা কম হয়, রক্তপ্রবাহ ভালো হয়, শারীরিক মিলনকার্যে আপনি ৩০ মিনিট লিপ্ত থাকলে আপনার ৮৫ ক্যালোরি খরচ হয়৷ আপনি এক সপ্তাহ নিয়মিত হাঁটা-চলা করলে যে পরিমান ক্যালোরি খরচ হয়, সপ্তাহে তিন দিন নিয়মিত ভাবে শারীরিক মিলনে লিপ্ত হলে আপনার সেই পরিমান ক্যালোরি খরচ হবে৷ সারা বছর নিয়মিত রূপে শারীরিক মিলনে লিপ্ত হতে পারলে ৭৫ মাইল জগিং করার সমান ক্যালোরি আপনার শরীর থেকে নির্গত হবে৷

জীবন কাল বাড়ে :- নিয়মিত সেক্স্যুয়াল অ্যাক্টিভিটি আপনার আয়ু বাঁড়ায়৷ এর মাধ্যমে শরীরের সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এবং সব তন্ত্র খুব ভালোভাবে কাজ করে৷ কারণ শারীরিক কার্যকলাপ শরীরের বিভিন্ন কোষের মধ্যে অক্সিজেনের মাত্রা বৃদ্ধি করে বিভিন্ন অঙ্গগুলিকে সচল রাখতে সাহায্য করে৷ একদিকে যেখানে সেক্স্যুয়াল অ্যক্টিভিটির মাধ্যমে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক থাকে, তেমনি কোলেস্টেরলের মাত্রা ধীরে ধীরে কমতে থাকে৷ সপ্তাহের তিন বার বা তার থেকে বেশী বার শারীরিক মিলন হার্টঅ্যাটাকের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়৷
 

ব্যাথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় :- বিভিন্ন গবেষণায় জানা গেছে, শারীরিক মিলনের ফলে মাথা এবং হাড়ের জয়েণ্টের ব্যাথার ক্ষেত্রে আরাম পাওয়া যায়৷ অর্গাজমের আগে অক্সিটোসিন হরমোনের স্তর সামান্য থেকে পাঁচ গুন বেঁড়ে যাওয়ায় এন্ড্রোফিন হরমোন নিঃসৃত হতে থাকার ফলে মাথা ব্যাথা, মাইগ্রেন আর আর্থারাইটিসএর ব্যাথা থেকে আরাম পাওয়া যায়৷ তাই ব্যাথা কমানোর ওষুধ না খেয়ে শারীরিক মিলনের আনন্দ উপভোগ করুন আর ব্যাথা থেকে নিষ্কৃতি পান৷


নারীদের পিরিয়ডের সময় ব্যাথা কম হয় :- যে সব মহিলাদের সেক্স্যুয়াল লাইফ খুব ভালো হয় তাদের পিরিয়ডের ক্ষেত্রে সমস্যা কম হয়৷ সাধারণত পিরিয়ডের সময় মহিলাদের খুব বেশী ব্যাথা হযে থাকে৷ যাদের সেক্স্যুয়াল লাইফে কোন প্রকার অসুবিধা থাকে না, তাদের এই সময়ে ব্যাথার অনুভূতি কম হয়৷ আর শারীরিক মিলনের দিক ঠিক থাকলে পিরিয়ডের আগে মহিলাদের মধ্যে অনেক সময় যে সমস্যা দেখা যায় তাও থাকে না৷
 

মানসিক অশান্তি থেকে মুক্তি :- মানসিক প্রশান্তি আনার দিক থেকে নিয়মিত শারীরিক মিলনের অভ্যাস সবচেয়ে ভালো৷ কারণ শারীরিক মিলনের ফলে মন উৎফুল্ল থাকে ফলে মানসিক অশান্তি কম হয়৷
 

ভালোবাসা বাড়ে :- শারীরিক মিলনের আকর্ষনের ফলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব কম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মনে খুশী সঞ্চারিত হয়৷ মনের উদাসিনতা দূর করতে এই কার্যকারীতা ভীষণ জরূরী৷ মানসিক দিক থেকে বিরক্তির নানা কারণ শারীরিক মিলনের ফলে দূর হয়ে যায়৷ এই সান্নিধ্যের ফলে সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো হয় এবং দুজনের মধ্যে ভালোবাসা বাড়ে৷ যে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক উন্নতমানের তারা তাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোন সমস্যায় পড়লে তার সমাধান একসঙ্গে করতে পারেন৷ 

 

ভালো ঘুম হয় :- শারীরিক মিলনের ফলে অক্সিটোসিন হরমোন রিলিজ হয়, ফলে মিলনের পরে ঘুমও খুব ভালো হয়৷ তাই যাদের ঘুমের ক্ষেত্রে কোন অসুবিধা আছে তারা অতি অবশ্যই এই পদ্ধতি অবলম্বন করে দেখতে পারেন৷
 

আত্মবিশ্বাস বাড়ে :- শারীরিক মিনলের ফলে ব্যক্তির মনে স্বকারাত্মক চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়ে৷ তার ভেতরকার সন্তুষ্টি তার মানসিক প্রশান্তি তার মধ্যে আত্মবিশ্বাসের পরিমান বাড়িয়ে তোলে৷
 

বিস্বস্ততা বাড়ে :- স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক মিলনের বোঝা পড়া ঠিক থাকলে তার একে ওপরকে কখনও ঠকায় না৷ তাদের ঘনিষ্ঠতা তাদের এমন কাজ করতে দেয় না৷

 

কাজ করার ক্ষমতা বাড়ে :- শারীরিক মিলনের সময় হরমোন নিঃসরণ হয় তাই মন শান্ত থাকে আর নিরন্তর কাজের ক্ষমতা বাড়তে থাকে৷ নিয়মিতভাবে শারীরিক মিলনের ফলে ব্যক্তির যৌবন অনেক দিন পর্যন্ত বর্তমান থাকে৷ এর মাধ্যমে ফিটনেস লেবেল বাড়ে৷ শারীরিক মিলনের ফলে ব্যক্তি সারাদিন স্ফুর্তি অনুভব করে৷ সারাদিনের কাজে এই স্ফুর্তির প্রভাব দেখা যায়৷ এর দ্বারা সারাদিনের ক্লান্তি থেকে এবং নানা রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷

 

ওজন কমে :- শারীরিক মিলনের ফলে প্রচুর পরিমান ক্যালোরি কমে যায়, ফলে ব্যক্তির ওজন কম হয়৷ নিয়মিতভাবে শারীরিক মিলনের ফলে পেটের স্থূলতা কম হয়, আর মাংসপেশীতে জড়তা কম দেখা যায়৷
 

সৌন্দর্য্য বাড়ে :- শারীরিক মিলনকালে হরমোন নিঃসরনের ফলে রক্তপ্রবাহের মাত্রা বেড়ে যাওয়াতে তার প্রভাব পড়ে ত্বকের ওপরে৷ তার ফলে সৌন্দর্য্য বেড়ে ওঠে৷ আপনার সারা শরীরের মাদকতা আপনার মধ্যে গ্লো আনে৷ শারীরিক মিলনকালে মহিলাদের শরীর থেকে এস্ট্রোজেন হরমোন নিঃসৃত হতে থাকে, যার ফলে তাদের চুল এবং ত্বক আকর্ষনীয় হয়ে ওঠে৷
 

ভালো ত্বক :- শারীরিক মিলনের সময় সারা শরীরে একপ্রকার ম্যাসাজ চলে। তার মাধ্যমে রিল্যাক্সেশনের ফলে শরীরে কোন প্রকার দাগ থাকে না বা তা ধীরে ধীরে লুপ্ত হতে থাকে৷
 

প্রোস্টেটে ক্যান্সার প্রবণতা কম হয় :- নিয়মিত শারীরিক মিলনের ফলে প্রোস্টেটে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়৷
 

হাপানি বা জ্বর থেকে মুক্তি :- শারীরিক মিলনকে ন্যাচারাল অ্যাণ্টি হিস্টামাইন রূপে দেখা হয়৷ এর দ্বারা নাক বন্ধ থাকলে তা খুলে যায়৷ আর যাদের ফুসফুসের সমস্যা বা জ্বর হয় তাদের সমস্যার সমাধানও হয়ে থাকে৷
 

রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধি পায় :- শারীরিক মিলনের সময় ব্যক্তির উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে তার সারা শরীরে রক্তপ্রবাহের মাত্রা বেড়ে যায়৷ এর ফলে সারা শরীরের প্রতিটি কোষে সঠিক মাত্রায় অক্সিজেন পৌঁছায়৷

 

কার্ডিওভাস্কুলারের ক্ষেত্রে উন্নতি :- মহিলারা শারীরিক মিলনের সময় উত্তেজিত হয়ে উঠলে তাদের হার্টের গতি বেড়ে যায়, ফলে তাদের কার্ডিওভাস্কুলার এর সমস্যার সমাধান হয়ে থাকে৷

অনেক তরুনদের মনেই এই প্রশ্নটা থাকে যে - যৌন মিলনে পুরুষের স্থায়ীত্ব কতটুকু হলে ভালো হয় অর্থাৎ বেস্ট সেক্স এর সময়কাল সাধারনত কত মিনিট হয়ে হবে। বস্তুত যৌন মিলনে পুরুষের স্থায়ীত্ব নিয়ে ধরা-বাধা কোন সময়কাল থাকে না। তবে এ সংক্রান্ত অনেক গবেষণা লব্ধ তথ্য এবং উপাত্ত রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞরা এক সমীক্ষাতে জানিয়েছেন বেস্ট সেক্সুয়াল ইন্টারকোর্স ৭-১৩ মিনিটের মধ্যে হয়৷ সমীক্ষা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছে সাধারণত ৩ মিনিটের সেক্স পর্যাপ্ত সময় হয়৷ এই সমীক্ষা করা হয়েছিল পেনিট্রেটিব সেক্সের জন্য আদর্শ সময় কি এটা বার করার জন্য৷ আমেরিকা ও কানাডার লোকেদের উপর সমীক্ষাতে রায় পাওয়া গেছে ৭-১৩ মিনিটের মত সময় সবচেয়ে বাঞ্ছনীয় হয়৷ সমীক্ষাতে আরও জানা গেছে ইন্টারকোর্স চলার সময় ৩-৭ মিনিট আদর্শ৷ সেক্সের জন্য এর থেকে কম সময়কে 'সবচেয়ে কম সময়' ও ১৩ মিনিটের অধিক সময়কে 'বেশি লম্বা' বলা হয়েছে৷ এই সমীক্ষা 'শান্ত স্বভাবের' জুটির পক্ষে আদর্শ যারা বুঝতে পারে স্বাস্থ্যকর সেক্স অনেকক্ষণ সময় ধরেই চলা উচিত৷ এই সমীক্ষাতে আরও জানা গেছে বেশিরভাগ অস্ট্রেলিয়ার পুরুষরা সেক্সের জন্য বেশিক্ষণ সময় চায় সেখানে অস্ট্রেলিয়ান মহিলাদের ক্ষেত্রে কিছু এসে যায় না সেক্সের সময় তাডাতাড়ি শেষ হল না দেরী হল৷ সাধারণত বেশিরভাগ মহিলারা ৭-১৩ মিনিট পর্যন্ত চলা সময়টাতেই খুশী থাকে, সেখানে পুরুষদের ক্ষেত্রে এরকম কিছু থাকে না৷

মধুময় দাম্পত্য জীবনের জন্য আমাদের সকলেরই যৌনতা বিষয়ে কিছুটা জ্ঞান থাকা প্রয়োজন বিশেষ করে পুরুষদের। কারন কিছু ভুল আপনার দাম্পত্য জীবনকে ক্ষতিগ্রস্থ করে দিতে পারে, আর পুরুষরাই এই ধরনের মারাত্মক কিছু ভুল করে থাকে। যেসব পুরুষেরা সখের বসে বা নিয়মিত সহবাসের পূর্বে হারবাল, কবিরাজি বা ভেষজ নামধারী যৌন উত্তেজক ঔষধ, ইয়াবা অথবা ইন্ডিয়ান ট্যাবলেট সেবন করেন, তাদের জন্য একটি পরামর্শ -  সেক্স বাড়ানো জন্য যৌন শক্তি বর্ধক ট্যাবলেট বা অন্য কোন ঔষধ খাবেন না। এই ঔষধগুলি পুরুষকে একসময় ধ্বজভংগ রোগের দিকে ঠেলে দেয় আবার কিছু ক্ষেত্রে মৃত্যুর দিকেও ঠেলে দেয়।

আপনারা অনেকেই এটি জানেন না যে যৌন শক্তি বাড়ানো জন্য কোন ঔষধ সেবনের প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র ক্ষেত্র বিশেষে ডাক্তাররা কিছুদিন ঔষধ সেবনের উপদেশ দিয়ে থাকেন। গবেষনায় দেখা যায় পুরুষরা পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়ার মাধ্যমে যৌন শক্তি পেয়ে থাকে। এক্ষেত্রে মধু, খাঁটি দুধ ও ডিমের ভূমিকা অসাধারন। ডিমের ক্ষেত্রে হাসের ডিম এবং দুধের ক্ষেত্রে ছাগলের দুধকে প্রাধান্য দিতে পারেন। আবার যৌন দুর্বলতা দূরীকরণে হোমিওপ্যাথিক রিমেডি গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখে। কারণ হোমিও ঔষধ পুরুষের যৌন দুর্বলতা সৃষ্টির পেছনের যাবতীয় কারণসমূহকে তার রুট লেভেল থেকে নির্মূল করে সমস্যাটি দূর করে দেয়। এতেই আক্রান্ত ব্যক্তি পুরুপুরি সুস্থ হয়ে উঠেন। তার জন্য হারবাল, কবিরাজি বা ভেষজ ঔষধের মত হোমিও ঔষধ সব সময় খেয়ে যেতে হয় না। এক বারের প্রপার হোমিওপ্যাথিক ট্রিটমেন্টের ফলেই সমস্যাটি দূর হয়ে যায়। তবে অবশ্যই অভিজ্ঞ হোমিও চিকিত্সকের পরামর্শ নিতে হবে।

রাস্তাঘাট বা ফুটপাত থেকে যৌন শক্তিবর্ধক ট্যাবলেট ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন। শুনলে হয়তো আপনার গা শিউরে উঠবে যে - কি ক্ষতিকর উপাদান এতে মেশানো হয়ে থাকে !! অনেক অসাধু হারবাল ঔষধ বিক্রেতা তাদের ঔষধে উত্তেজক অ্যালোপ্যাথি ঔষধ পাউডার করে মিশিয়ে থাকে (যেগুলি ডাক্তাররা ক্ষেত্র বিশেষে কিছু দিনের জন্য রোগীদের দিয়ে থাকেন) আবার কেউ কেউ ইয়াবা জাতীয় মাদকদ্রব্যও মিশিয়ে থাকে। এইসব হারবাল নামধারী ঔষধগুলির ক্রিয়া কাল ২/৩ ঘন্টার বেশি থাকে না আর এই গুলির যৌন দুর্বলতা দূর করার মত স্থায়ী কোন গুনও নেই। সবচেয়ে খারাপ দিক হলো যারা এই উত্তেজক ঔষধগুলি নিয়মিত সেবন করেন, তারা খুব সহজেই এর উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন এবং উত্তেজক ঔষধ সেবন করা ছাড়া যৌন মিলন বা সহবাস করতে পারেন না। আর দীর্ঘদিন যাবৎ চালিয়ে যাবার কারণে একসময় এই ঔষধগুলির মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাবগুলি প্রকাশ পেতে থাকে। কোন কোন পুরুষ পুরুপুরি যৌন ক্ষমতায় অক্ষম হয়ে পড়েন। এক সময় ঐ ঔষধ গুলিও শরীরে আর কাজ করে না। সাথে সাথে অনেকের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলিও বিরূপ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার শিকার হয়। অবস্থা এমন হয়ে দাড়ায় যে এইগুলির মারাত্মক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় পুরুষের যৌন জীবন বিপর্যস্থ হয়ে উঠে।
জনসচেতনতার জন্য তথাকথিত হারবাল, কবিরাজি, ভেষজ চিকিৎসার নামকরে মারাত্মক ক্ষতিকর, জীবন ধ্বংসকারী এবং ভেজাল মাদক মিশ্রিত উত্তেজক ঔষধ বিক্রির কলাকৌশল সম্পর্কে নিম্নে কিছু সংবাদের লিংক তুলে ধরা হলো। আশা করি আপনারা সচেতন হবেন এবং সংশ্লিষ্ট ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও আইন শৃঙ্খলা বিভাগ বিষয়টির প্রতি সুদৃষ্টি দিবেন।

আমাদের একটি বিষয় অবশ্যই মনে রাখতে হবে - সুস্বাস্থ হল এক অমূল্য সম্পদ। অসচেতন বা ভুলের বসে এই সম্পদকে হারাবেন না। তাই যৌনতা বা যৌন সংক্রান্ত যে কোন সমস্যায় কোন প্রকার সংকোচ না করে রেজিষ্টার্ড চিকিত্সকের পরামর্শ নিন। অযথা সখের বসে বা টেস্ট করতে গিয়ে অথবা লোভের বসে ক্ষতিকর যৌন উত্তেজক ঔষধ খেয়ে খেয়ে আপনার যৌন জীবন বিপর্যস্থ করবেন না। আপনার সমস্যাসমূহ পর্যবেক্ষণ করে রেজিষ্টার্ড চিকিত্সকই বুঝবেন আপনার জন্য কি প্রয়োজন।

কৃতজ্ঞতায়ঃ বাংলা সেক্স হেলথ ডট কম।

মধুময় দাম্পত্য জীবনের জন্য আমাদের সকলেরই যৌনতা বিষয়ে কিছুটা জ্ঞান থাকা প্রয়োজন বিশেষ করে পুরুষদের। কারন কিছু ভুল আপনার দাম্পত্য জীবনকে ক্ষতিগ্রস্থ করে দিতে পারে, আর পুরুষরাই এই ধরনের মারাত্মক কিছু ভুল করে থাকে। যেসব পুরুষেরা সখের বসে বা নিয়মিত সহবাসের পূর্বে হারবাল, কবিরাজি বা ভেষজ নামধারী যৌন উত্তেজক ঔষধ, ইয়াবা অথবা ইন্ডিয়ান ট্যাবলেট সেবন করেন, তাদের জন্য একটি পরামর্শ -  সেক্স বাড়ানো জন্য যৌন শক্তি বর্ধক ট্যাবলেট বা অন্য কোন ঔষধ খাবেন না। এই ঔষধগুলি পুরুষকে একসময় ধ্বজভংগ রোগের দিকে ঠেলে দেয় আবার কিছু ক্ষেত্রে মৃত্যুর দিকেও ঠেলে দেয়।

আপনারা অনেকেই এটি জানেন না যে যৌন শক্তি বাড়ানো জন্য কোন ঔষধ সেবনের প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র ক্ষেত্র বিশেষে ডাক্তাররা কিছুদিন ঔষধ সেবনের উপদেশ দিয়ে থাকেন। গবেষনায় দেখা যায় পুরুষরা পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়ার মাধ্যমে যৌন শক্তি পেয়ে থাকে। এক্ষেত্রে মধু, খাঁটি দুধ ও ডিমের ভূমিকা অসাধারন। ডিমের ক্ষেত্রে হাসের ডিম এবং দুধের ক্ষেত্রে ছাগলের দুধকে প্রাধান্য দিতে পারেন। আবার যৌন দুর্বলতা দূরীকরণে হোমিওপ্যাথিক রিমেডি গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখে। কারণ হোমিও ঔষধ পুরুষের যৌন দুর্বলতা সৃষ্টির পেছনের যাবতীয় কারণসমূহকে তার রুট লেভেল থেকে নির্মূল করে সমস্যাটি দূর করে দেয়। এতেই আক্রান্ত ব্যক্তি পুরুপুরি সুস্থ হয়ে উঠেন। তার জন্য হারবাল, কবিরাজি বা ভেষজ ঔষধের মত হোমিও ঔষধ সব সময় খেয়ে যেতে হয় না। এক বারের প্রপার হোমিওপ্যাথিক ট্রিটমেন্টের ফলেই সমস্যাটি দূর হয়ে যায়। তবে অবশ্যই অভিজ্ঞ হোমিও চিকিত্সকের পরামর্শ নিতে হবে।

রাস্তাঘাট বা ফুটপাত থেকে যৌন শক্তিবর্ধক ট্যাবলেট ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন। শুনলে হয়তো আপনার গা শিউরে উঠবে যে - কি ক্ষতিকর উপাদান এতে মেশানো হয়ে থাকে !! অনেক অসাধু হারবাল ঔষধ বিক্রেতা তাদের ঔষধে উত্তেজক অ্যালোপ্যাথি ঔষধ পাউডার করে মিশিয়ে থাকে (যেগুলি ডাক্তাররা ক্ষেত্র বিশেষে কিছু দিনের জন্য রোগীদের দিয়ে থাকেন) আবার কেউ কেউ ইয়াবা জাতীয় মাদকদ্রব্যও মিশিয়ে থাকে। এইসব হারবাল নামধারী ঔষধগুলির ক্রিয়া কাল ২/৩ ঘন্টার বেশি থাকে না আর এই গুলির যৌন দুর্বলতা দূর করার মত স্থায়ী কোন গুনও নেই। সবচেয়ে খারাপ দিক হলো যারা এই উত্তেজক ঔষধগুলি নিয়মিত সেবন করেন, তারা খুব সহজেই এর উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন এবং উত্তেজক ঔষধ সেবন করা ছাড়া যৌন মিলন বা সহবাস করতে পারেন না। আর দীর্ঘদিন যাবৎ চালিয়ে যাবার কারণে একসময় এই ঔষধগুলির মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাবগুলি প্রকাশ পেতে থাকে। কোন কোন পুরুষ পুরুপুরি যৌন ক্ষমতায় অক্ষম হয়ে পড়েন। এক সময় ঐ ঔষধ গুলিও শরীরে আর কাজ করে না। সাথে সাথে অনেকের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলিও বিরূপ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার শিকার হয়। অবস্থা এমন হয়ে দাড়ায় যে এইগুলির মারাত্মক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় পুরুষের যৌন জীবন বিপর্যস্থ হয়ে উঠে।
জনসচেতনতার জন্য তথাকথিত হারবাল, কবিরাজি, ভেষজ চিকিৎসার নামকরে মারাত্মক ক্ষতিকর, জীবন ধ্বংসকারী এবং ভেজাল মাদক মিশ্রিত উত্তেজক ঔষধ বিক্রির কলাকৌশল সম্পর্কে নিম্নে কিছু সংবাদের লিংক তুলে ধরা হলো। আশা করি আপনারা সচেতন হবেন এবং সংশ্লিষ্ট ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও আইন শৃঙ্খলা বিভাগ বিষয়টির প্রতি সুদৃষ্টি দিবেন।

আমাদের একটি বিষয় অবশ্যই মনে রাখতে হবে - সুস্বাস্থ হল এক অমূল্য সম্পদ। অসচেতন বা ভুলের বসে এই সম্পদকে হারাবেন না। তাই যৌনতা বা যৌন সংক্রান্ত যে কোন সমস্যায় কোন প্রকার সংকোচ না করে রেজিষ্টার্ড চিকিত্সকের পরামর্শ নিন। অযথা সখের বসে বা টেস্ট করতে গিয়ে অথবা লোভের বসে ক্ষতিকর যৌন উত্তেজক ঔষধ খেয়ে খেয়ে আপনার যৌন জীবন বিপর্যস্থ করবেন না। আপনার সমস্যাসমূহ পর্যবেক্ষণ করে রেজিষ্টার্ড চিকিত্সকই বুঝবেন আপনার জন্য কি প্রয়োজন।

কৃতজ্ঞতায়ঃ বাংলা সেক্স হেলথ ডট কম।

দেখা গেছে অধিকাংশ পুরুষরাই রাতের বেলা যৌন মিলন বা সহবাস করা এড়িয়ে চলতে চায় । এ ক্ষেত্রে সকালের দিকটাকেই তারা বেছে নেয়। অন্যদিকে নারীরা রাতের বেলায় সেক্স করতে আগ্রহী। দেখা যায়, রাতের বেলায় নারীরা যখন সেক্স করার জন্য বেপরোয় হয়ে উঠে ঠিক তখন পুরুষরা নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে। আবার সকাল বেলা যখন পুরুষরা সেক্স করতে চায় তখন নারীদের এ নিয়ে তেমন কোনো আগ্রহ থাকেনা।

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে আসলে এমনটি কেন হয়। শনিবার ভারত ভিত্তিক গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানুষের হরমোনের কারণে এমনটি দেখা যায়। আসুন দেখা যাক, কোন সময় মানুষের যৌন প্রণোদনা কেমন হয়।

ভোর পাঁচটা :- যখন একজন পুরুষ ঘুম থেকে ওঠে তখন তার টেসটোসটেরনের মাত্রা সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে। এসময় এটির মাত্রা থাকে ২৫-৩০ শতাংশের মধ্যে। এটি দিনের অন্য যেকোন সময়ের চেয়ে বেশি। এছাড়া পুরুষের সেক্স হরমোন উৎপাদনের জন্যে যে পিটুইটারি গ্রন্থি কাজ করে সেটি রাতে চালু হয়। ভোরের দিকে এটি বাড়তে থাকে।

অন্যদিকে, নারীদেরও প্রধান সেক্স হরমোন টেসটোসটেরন রাতের বেলায় কাজ করে। কিন্তু এটি অল্প পরিমাণে বাড়ে। এটি ওয়েস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরোনের মাধ্যমে ভারসাম্য বজায় রাখে।

সকাল ছয়টা :- ভাল ঘুম উত্তেজনা বৃদ্ধির একটি কারণ। গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ সময় গভীরভাবে একটি ঘুম দিলে টেসটোসটেরনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ৫ ঘণ্টার বেশি ঘুম পুরুষের টেসটোসটের মাত্রা অতিরিক্ত ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি করে।

সকাল সাতটা :- যখন পুরুষরা সকালে ঘুম থেকে ওঠে তখন তাদের সেক্স হরমোনের মাত্রা সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে। এসময় নারীদের সেক্স হরমোনের মাত্রা সর্বনিম্ন পর্যায়ে থাকে। ওয়েস্ট বার্মিংহাম হাসপাতালের স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ গ্যাব্রিয়েল ডৌনি বলেছেন, দিনের অপরভাগে নারী ও পুরুষের টেসটোসটেরনের মাত্রা সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে। তবে ঋতুস্রাবের কারণে নারীদের সেক্স হরমোন ব্যাপকভাবে ওঠানামা করে।

সকাল আটটা :- এসময় নারী ও পুরুষ উভয়ই দিনের কাজের জন্যে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। তাদের স্ট্রেস হরমোন করটিসলের পরিমাণ বাড়তে থাকে। এটি মানুষের সেক্স হরমোনের প্রভাবকে কমিয়ে আনে।

দুপুর বারোটা :- এসময় সামনে দিয়ে সুন্দরী রমণী হেঁটে বেড়ালেও কোনো ধরনের যৌন প্রণোদনা তৈরি হয় না। এ সময় হয়ত কাউকে দেখলে মনের মধ্যে ভালো লাগা তৈরি হয়। এসময় সেক্স হরমোন বাড়তে অনেক সময় নেয়।


বেলা একটা :- এসময় যদি কোনো নারী তার সঙ্গীকে নিয়ে চিন্তা করে তাহলে তার টেসটোসটেরনের মাত্রাটা দ্রুত বাড়ে। কিন্তু পুরুষদের এসময় সেক্স হরমোন অনেক ধীরে কাজ করে।

সন্ধ্যা ছয়টা :- এই সময়ে নারীদের টেসটোসটেরনের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। অন্যদিকে পুরুষদের টেসটোসটের মাত্রা কমতে থাকে। তবে একটি গবেষণায় দেখা গেছে, জিম করার পর নারী ও পুরুষ উভয়েরই কামশক্তি বাড়ে।

সন্ধ্যা সাতটা :- জাপানের নারা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, এসময় মিউজিক নারীদের সেক্স হরমোন বৃদ্ধি করে। কিন্তু পুরুষের ক্ষেত্রে তেমন কোনো প্রভাব পড়ে না।

রাত আটটা :- এসময় যদি পুরুষরা টেলিভিশনে উত্তেজনাপূর্ণ কোনো খেলা দেখে তাহলে সেটি তার সেক্স হরমোন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। উথাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক লালা গবেষণায় দেখা গেছে, এমন সময় যদি কেউ বিশ্বকাপের মত কোনো একটি উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ দেখে এবং তার পছন্দের দল জিতে তাহলে তার সেক্স হরমোন ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। আর যদি তার দল হারে তাহলে তার সেক্স হরমোন ২০ শতাংশ কমে যায়। অন্যদিকে, নারীরা খেলা দেখার চেয়ে খেলা করলে তার সেক্স হরমোন বেশি বৃদ্ধি পায়।


রাত নয়টা :- এসময় নারীদের সেক্স হরমোন সাধারণত বৃদ্ধি পায়। তবে যদি নারীরা মনে করে যে তাকে দেখতে খুব খারাপ দেখাচ্ছে তাহলে সে সেক্স করতে তেমন আগ্রহী হয় না।

রাত দশটা :- এসময় যদিও পুরুষদের টেসটোসটেরনের মাত্রা কম থাকে তারপরও তারা সঙ্গীনির সাথে সেক্স করতে চায়। এসময় নারীদেরও যৌন চাহিদা বেশি থাকে।

নারী-পুরুষের যৌন প্রণোদনা তাদের ব্যক্তিগত ইচ্ছার উপর নির্ভর করে না। হরমোনই এটির প্রধান চালিকা শক্তি। একারণে পুরুষ ও নারীর যৌন চাহিদার মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়।

দেখা গেছে অধিকাংশ পুরুষরাই রাতের বেলা যৌন মিলন বা সহবাস করা এড়িয়ে চলতে চায় । এ ক্ষেত্রে সকালের দিকটাকেই তারা বেছে নেয়। অন্যদিকে নারীরা রাতের বেলায় সেক্স করতে আগ্রহী। দেখা যায়, রাতের বেলায় নারীরা যখন সেক্স করার জন্য বেপরোয় হয়ে উঠে ঠিক তখন পুরুষরা নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে। আবার সকাল বেলা যখন পুরুষরা সেক্স করতে চায় তখন নারীদের এ নিয়ে তেমন কোনো আগ্রহ থাকেনা।

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে আসলে এমনটি কেন হয়। শনিবার ভারত ভিত্তিক গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানুষের হরমোনের কারণে এমনটি দেখা যায়। আসুন দেখা যাক, কোন সময় মানুষের যৌন প্রণোদনা কেমন হয়।

ভোর পাঁচটা :- যখন একজন পুরুষ ঘুম থেকে ওঠে তখন তার টেসটোসটেরনের মাত্রা সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে। এসময় এটির মাত্রা থাকে ২৫-৩০ শতাংশের মধ্যে। এটি দিনের অন্য যেকোন সময়ের চেয়ে বেশি। এছাড়া পুরুষের সেক্স হরমোন উৎপাদনের জন্যে যে পিটুইটারি গ্রন্থি কাজ করে সেটি রাতে চালু হয়। ভোরের দিকে এটি বাড়তে থাকে।

অন্যদিকে, নারীদেরও প্রধান সেক্স হরমোন টেসটোসটেরন রাতের বেলায় কাজ করে। কিন্তু এটি অল্প পরিমাণে বাড়ে। এটি ওয়েস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরোনের মাধ্যমে ভারসাম্য বজায় রাখে।

সকাল ছয়টা :- ভাল ঘুম উত্তেজনা বৃদ্ধির একটি কারণ। গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ সময় গভীরভাবে একটি ঘুম দিলে টেসটোসটেরনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ৫ ঘণ্টার বেশি ঘুম পুরুষের টেসটোসটের মাত্রা অতিরিক্ত ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি করে।

সকাল সাতটা :- যখন পুরুষরা সকালে ঘুম থেকে ওঠে তখন তাদের সেক্স হরমোনের মাত্রা সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে। এসময় নারীদের সেক্স হরমোনের মাত্রা সর্বনিম্ন পর্যায়ে থাকে। ওয়েস্ট বার্মিংহাম হাসপাতালের স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ গ্যাব্রিয়েল ডৌনি বলেছেন, দিনের অপরভাগে নারী ও পুরুষের টেসটোসটেরনের মাত্রা সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে। তবে ঋতুস্রাবের কারণে নারীদের সেক্স হরমোন ব্যাপকভাবে ওঠানামা করে।

সকাল আটটা :- এসময় নারী ও পুরুষ উভয়ই দিনের কাজের জন্যে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। তাদের স্ট্রেস হরমোন করটিসলের পরিমাণ বাড়তে থাকে। এটি মানুষের সেক্স হরমোনের প্রভাবকে কমিয়ে আনে।

দুপুর বারোটা :- এসময় সামনে দিয়ে সুন্দরী রমণী হেঁটে বেড়ালেও কোনো ধরনের যৌন প্রণোদনা তৈরি হয় না। এ সময় হয়ত কাউকে দেখলে মনের মধ্যে ভালো লাগা তৈরি হয়। এসময় সেক্স হরমোন বাড়তে অনেক সময় নেয়।


বেলা একটা :- এসময় যদি কোনো নারী তার সঙ্গীকে নিয়ে চিন্তা করে তাহলে তার টেসটোসটেরনের মাত্রাটা দ্রুত বাড়ে। কিন্তু পুরুষদের এসময় সেক্স হরমোন অনেক ধীরে কাজ করে।

সন্ধ্যা ছয়টা :- এই সময়ে নারীদের টেসটোসটেরনের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। অন্যদিকে পুরুষদের টেসটোসটের মাত্রা কমতে থাকে। তবে একটি গবেষণায় দেখা গেছে, জিম করার পর নারী ও পুরুষ উভয়েরই কামশক্তি বাড়ে।

সন্ধ্যা সাতটা :- জাপানের নারা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, এসময় মিউজিক নারীদের সেক্স হরমোন বৃদ্ধি করে। কিন্তু পুরুষের ক্ষেত্রে তেমন কোনো প্রভাব পড়ে না।

রাত আটটা :- এসময় যদি পুরুষরা টেলিভিশনে উত্তেজনাপূর্ণ কোনো খেলা দেখে তাহলে সেটি তার সেক্স হরমোন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। উথাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক লালা গবেষণায় দেখা গেছে, এমন সময় যদি কেউ বিশ্বকাপের মত কোনো একটি উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ দেখে এবং তার পছন্দের দল জিতে তাহলে তার সেক্স হরমোন ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। আর যদি তার দল হারে তাহলে তার সেক্স হরমোন ২০ শতাংশ কমে যায়। অন্যদিকে, নারীরা খেলা দেখার চেয়ে খেলা করলে তার সেক্স হরমোন বেশি বৃদ্ধি পায়।


রাত নয়টা :- এসময় নারীদের সেক্স হরমোন সাধারণত বৃদ্ধি পায়। তবে যদি নারীরা মনে করে যে তাকে দেখতে খুব খারাপ দেখাচ্ছে তাহলে সে সেক্স করতে তেমন আগ্রহী হয় না।

রাত দশটা :- এসময় যদিও পুরুষদের টেসটোসটেরনের মাত্রা কম থাকে তারপরও তারা সঙ্গীনির সাথে সেক্স করতে চায়। এসময় নারীদেরও যৌন চাহিদা বেশি থাকে।

নারী-পুরুষের যৌন প্রণোদনা তাদের ব্যক্তিগত ইচ্ছার উপর নির্ভর করে না। হরমোনই এটির প্রধান চালিকা শক্তি। একারণে পুরুষ ও নারীর যৌন চাহিদার মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়।

ঘুমের সময় টা আসলে নির্ভর করে মানুষের বয়স,শারীরিক পরিশ্রম, লাইফ স্টাইল,সাস্থ্য ইত্যাদির উপর...এগুলোর উপর ভিত্তি করে মানুষের ঘুমের সময় কম বেশি হতে পারে... কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত ঘুম শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর... অতিরিক্ত ঘুমানো আসলে একটা রোগ যাকে Hypersomnia বলা হয়ে থাকে... এ রোগ হয়ে থাকলে মানুষ সাধারণত দিনে বা রাতে খুব বেশি পরিমানে ঘুমিয়ে থাকে...মানুষ খুব বেশি পরিমানে ঘুমালে অলস হয়ে যায়, কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়...অতিরিক্ত ঘুম স্থুলতা,daibetes,মাথা বেথা,শরীরের বেথা,হতাশার অন্যতম কারণ...এছাড়া অতিরিক্ত ঘুমানের ফলে আপনার হার্ট এর অসুখ ও বাড়িয়ে দিবে,ব্লাড প্রেসার বাড়াবে,রক্তে কলেস্টেরল এর মাত্র বাড়িয়ে দিবে...আপনার শরীরের ন্যাচারাল বডি ডিফেন্স কে নষ্ট করে দিবে... জরিপে দেখা গেছে যে কোনো প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ যদি রাতে ৯ ঘন্টা বা তার অধিক সময় ঘুমায় তার মৃত্যর ঝুকি ৭-৮ ঘন্টা ঘুমানো মানুসের তুলনায় বেশি থাকে...তাই ঘুমুতে যতই ভালো লাগুক, অতিরিক্ত ঘুম কখনো ই না..
অনেকগুলো নিউরন কোষের সমন্বয়ে তৈরি হয় মানুষের মস্তিষ্ক। নিউরন কোষগুলো সংকেত প্রেরণ করে বিদ্যুত-তরঙ্গের মাধ্যমে । জেগে থাকা, আধঘুম -আধজাগরণ, গভীর ঘুম, উত্তেজিত ইত্যাদি অবস্থায় মস্তিষ্কের বিদ্যুতিয় তরঙ্গের বিভিন্ন রকমফের দেখা যায়। মস্তিষ্ক সাধারণত চার ধরনের বৈদ্যুতিক তরঙ্গ তৈরি করে – ডেল্টা, থেটা, আলফা ও বেটা। মানুষ ঘুমের একটা বিশেষ পর্যায়ে স্বপ্ন দেখে। ঘুমের একটা পর্যায়ে দেখা যায় মানুষের চোখের পাতা নড়ছে। এই পর্যায়কে বলে Rapid Eye Movement বা রেম ঘুম।এই রেম ঘুমের সময় মস্তিষ্কের বিদ্যুতিয় তরঙ্গের কারণে ই মানুষ স্বপ্ন দ্যাখে। আদিমকালে মানুষ ভাবতো ঘুমের মধ্যে মানুষের আত্মা দেহ থেকে বের হয়ে আসে। তারপর ঘুরে বেড়ায় চারপাশের জগতে। তাই মানুষ স্বপ্ন দেখে। প্রাচীন গ্রীক-রোমানরা ভাবতো স্বপ্ন বিশ্লেষণ করলে হয়তো ভবিষ্যত সম্পর্কে জানা যাবে। শুধু গ্রীক-রোমানরাই নয়, প্রতিটি সভ্যতাই স্বপ্নের বিভিন্ন ব্যাখ্য দেয়ার চেষ্টা করতো। অবশ্য স্বপ্নের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেয়ার জন্য মানুষকে অপেক্ষা করতে হয়েছে উনবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত। এই শতাব্দীতে সিগমুন্ড ফ্রয়েড এবং কার্ল জাঙ প্রথম স্বপ্নের উপর বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব নির্মান করেন। ফ্রয়েডের মতে, প্রত্যেক মানুষের মধ্যে কিছু অবদমিত কামনা থাকে। স্বপ্নের মাধ্যমে আমাদের অবচেতন মন সেই অবদমিত কামনা নিয়ে নাড়াচাড়া করে। ফ্রয়েডেরই ছাত্র কার্ল জাঙ মনে করেন স্বপ্নের মনস্তাত্ত্বিক গুরুত্ব আছে। অবশ্য তিনি স্বপ্নের অর্থ সম্পর্কে ভিন্ন তত্ত্বের অবতারণা করেছিলেন।ফ্রয়েডের পরবর্তী সময়ে প্রযুক্তির বিকাশের সাথে সাথে স্বপ্ন নিয়ে অন্যান্য তত্ত্বও গড়ে ওঠে।“এক্টিভেশন-সিন্থেসিস” একটি তত্ত্ব বলে যে স্বপ্নের আসলে কোন অর্থই নেই। ঘুমের সময় মস্তিষ্কে বিদ্যুৎ প্রবাহের কারণে আমাদের স্মৃতি থেকে বিভিন্ন চিন্তা এবং আবেগ উঠে আসে। এই চিন্তা এবং আবেগগুলো খাপছাড়া। অর্থাৎ এদের মধ্যে কোন সম্পর্ক নেই। বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞানের মতে, স্বপ্নের কোন অর্থ থাকুক বা না থাকুক, জীবনধারণের জন্য স্বপ্নের একটি বিশেষ তাৎপর্য আছে। “থ্রেট স্টিমুলেশন”- তত্ত্ব অনুযায়ী জীবজগতে স্বপ্ন একটি প্রাচীন প্রতিরক্ষা পদ্ধতি।
সুবিধা অসুবিধা দুটোই আছে . সুবিধা হলো বউ শাশুড়ি কোন্দল কম হয় .দুজনের একটু দিধা থাকে .স্বামী-স্ত্রী আগে থেকেই দুজন দুজনকে চেনেন জানেন .ফ্যামিলি সম্পর্কে জানা থাকে . পরিবারে ভুল বুঝাবুঝি কম হয় . আর অসুবিধা হলো সবাই সবার দুর্বলতা জানে. বেশি কাছের কাজিনদের মধ্যে বিয়ে হলে সন্তান হতে প্রবলেম হতে পারে তাই বিয়ের আগে ব্লাড টেস্ট করে নেয়া ভালো . এই ধরনের বিয়েতে সম্পর্ক ভালো হলে খুব ভালো হয় আবার খারাপ হলেও বেশি খারাপ হয় তাই রিস্ক না নেয়ায় ভালো.