4 Answers

শারীরিক ব্যায়ামের মাধ্যমে ।

2974 views

আকর্ষণীয় শরীরের জন্য ব্যায়ামের বিকল্প নেই। শক্তপোক্ত শরীর গঠনের যেমন সহজ কোনো পথ নেই, তেমনি অনিয়মিত ব্যায়ামে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো কঠিন। তার পরও সহজ কিছু উপায় আছে। তবে যেনতেন শরীরে তা সম্ভব নয়। শরীরের ন্যূনতম শেপ থাকতে হবে। থাকতে হবে সহ্যক্ষমতা। তাহলেই দ্রুত সুন্দর ও আকর্ষণীয় শরীর গঠন করা সম্ভব। অনুশীলনের জন্য সপ্তাহে এক দিন অন্তর তিন দিন বুক আর পিঠের ব্যায়াম। একইভাবে দুই দিন কাঁধ আর হাতের ব্যায়াম। এক দিন পায়ের ব্যায়াম। এক দিন বিরতি। বুকের ব্যায়ামগুলো হলো সুইস বলে ডাম্বেল চেস্ট প্রেস, ইনক্লাইন বেঞ্চ প্রেস, সুইস বল পুশ-আপ, কেবল স্ট্যান্ডিং ফ্লাই। পুল-আপ, কোর রো, রেনিগেড রো পিঠের ব্যায়াম। টানা তিন সপ্তাহ এসব অনুশীলনের পর একটু হালকা ব্যায়াম করতে হবে। যেন শরীর ‘রিকভার’ করার সুযোগ পায়। এ জন্য খাদ্যের পরিমাণও বাড়ানো দরকার। ডিমের সাদা অংশ, মুরগির গ্রিল করা মাংস, টোন্ড মিল্ক, রাজমা, কাজুবাদাম ইত্যাদি পরিমাণমতো খেতে হবে। কেননা পেশির ভিতই হলো প্রোটিন। হঠাৎ করে চেহারায় বদল আনতে চাইলে হিতে বিপরীত হওয়ার শঙ্কা থাকে। তবে সপ্তাহে তিন-চার দিন শরীরচর্চা করলেই কিছু মেদ ঝরবেই। পেশিও তৈরি হবে। শরীরটা আগের থেকে অনেক ঝরঝরে লাগবে। এটি করতে সপ্তাহে তিন দিন শরীরের ওপরের অংশের ব্যায়াম এবং দুই দিন নিচের অংশের ব্যায়াম করতে হবে। একটি দিন নিজের প্রিয় খেলায় অংশ নেওয়া যেতে পারে। অন্যদিন বিশ্রাম। জিমে শক্তি বাড়ানোর বিভিন্ন ব্যায়াম করা যেতে পারে। শক্তি বাড়ানোর ব্যায়ামে পেশিতন্তু বাড়ে, মেদও ঝরে। পেশি যত বাড়বে, ততই শরীর আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। বিরতি নিয়ে তীব্র গতির দৌড়, জাম্পিং জ্যাঙ্ক বা বার্পি জাম্পের মতো কার্ডিও করলে শরীরের বিপাকের হার বাড়ে, ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ে এবং এইচজিএইচ হরমোন তৈরি হয়। অন্যদিকে প্রিয় খেলায় অংশ নিলেও মন শান্ত হবে।

2974 views

ফিটনেস বাড়ানোর জন্য প্রথমত, আপনার খাবারের প্রতি যত্ন নেওয়া উচিত।। আর দ্বিতীয়ত, ব্যায়ামাগারে গিয়ে ব্যায়াম করতে হবে।। তবে বাড়িতেও কিছু ব্যায়াম করতে পারেন।। যেমন বুকডন, ঝুলানো, জগিং ইত্যাদি।। নিয়মিত ব্যায়াম গুলো করুন ফল পেয়ে যাবেন।।

2974 views

ফিটনেস বাড়াতে হলে আপনাকে হলে আপনাকে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধির অনুশীলনের নিয়মগুলো মেনে চলতে হবে । ব্যক্তিগত সুস্বাস্থ্যের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়মকানুনঃ সুষম খাদ্য~ আপনার খাদ্যে শর্করা বা শ্বেতসার জাতীয় খাদ্য, চর্বিযুক্ত, প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ ও পানি সঠিক অনুপাতে থাকতে হবে । ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি~খাবার আগে হাত ধোয়া । প্রতিদিন গোসল করুন এবং পরিষ্কা কাপড় পরিধান করুন । প্রতিদিন আপনার দাঁত ব্রাশ করুন । আপনার নখ লম্বা হতে দেবেন না । এগুলো নিয়মিত কেটে ফেলুন । ঘুমাতে যাওয়ার আগে আপনার হাত-পা ধুয়ে নিন । ঘরবাড়ি পরিচ্ছন্ন রাখাঃ আপনার ঘরবাড়ি ও পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন রাখা উচিত । পরিষ্কার খাদ্য ও পানি ব্যবহারঃ আপনার প্রতিদি৭ উচিত টাটকা, পরিষ্কার এবং সঠিকভাবে রান্না ও বিশুদ্ধ পানি পান করা । ব্যায়াম করাঃ আপনার বিভিন্ন খেলাধুলা ও ক্রীড়ায় অংশ নেয়া এবং নিয়মিতভাবে ব্যায়াম করা । নিয়মিত বিশ্রামঃ আপনার সঠিক মাত্রায় ঘুমানো ও বিশ্রাম নেয়া উচিত ।

2974 views

Related Questions