4 Answers
এজন্য খাবার হতে হবে পরিমিত এবং পুষ্টিকর। আপনার বর্তমান এবং কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যের ওপর নির্ভর করে তৈরি করতে হবে খাদ্যাভাস। খাবার নিয়মিত খেতে হবে, সময়মতো খেতে হবে। কোনো প্রকার ভাজাপোড়া, অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া যাবে না। ঘুমের ব্যাপারে সিরিয়াস হতে হবে। সময়মতো নির্দিষ্ট সময় ধরে নিশ্চিন্তভাবে ঘুমাতে হবে। ঘুমের পরিবেশও ভালো রাখতে হবে যেন ঘুম ঘন হয়। প্রতিদিন পরিশ্রম করতে হবে। অত্যবশকীয় কাজে পরিশ্রমের পাশাপাশি হালকা ব্যায়ামের মাধ্যমেও ঘাম ঝরাতে হবে। এতে শরীর বেশি সুস্থ থাকতে হবে। প্রতিদিন গোসল করতে হবে এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন থাকতে হবে। সপ্তাহে দুই-তিনবার সাবান-শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে। খাবার আগে পরে হাত পরিষ্কার করতে হবে। নখ কাটতে হবে। এরূপ কিছু ভালো অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে এবং সকল প্রকার খারাপ অভ্যাস দূর করতে হবে। প্রতিদিন দুধ, বাদাম, কিশমিশ, খেজুর, মধু, লেবু ইত্যাদি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুললে তা সুন্দর স্বাস্থ্য রাখতে সহায় হবে।
বেশি করে ঘুম পারুন পর্যাপ্ত পরিমান পানি পান করু বেশি করে পুষ্টিকর খাবার খান আগের চেয়ে বেশি খান এবং অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি আপনি আটার রুটি খাবেন আশা করি আপনার স্বাস্থর উন্নতি হবে।
৩ বেলা ঠিকমতো খাবেন, প্রতিদিন অবশ্যই প্রোটিন যুক্ত খাবার খাবেন বিশেষ করে মাছ ডেইলি খাওয়ার চেষ্টা করবেন. প্রতিদিন হালকা পাতলা ব্যায়াম বা আধা ঘন্টা হাঁটবেন, কোষ্টকাঠিন্য থাকলে শাক সবজি বেশি খাবেন এবং ভুষি খাবেন. রাত জাগবেন না, বেশি করে পানি খাবেন তবে খাওয়ার সাথে সাথে পানি খাবেন না. আজেবাজে খাবার বা বাইরের খাবার খেয়ে মোটা হওয়ার চেষ্টা করবেন না. খাওয়ার আগেই ও পরে চা খাওয়ার অভ্যাস থাকলে বাদ দিন. যেগুলো বলেছি সেগুলো মেনে চললেই আশা করি ২ মাসের মধ্যে স্বাস্থ্যবান হয়ে যাবেন। সতর্কতাঃ ভুলেও মোটা হবার জন্য কোনো ধরণের ওষুধের উপর বিশ্বাস করবেন না। কারণ মোটা হবার জন্য সাধারণত যে ওষুধগুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে সেগুলো কেবল মাত্র মৃত্যু শয্যায় জীবনের শেষ চিকিৎসা হিসাবেই রোগীকে দেয়া হয়। যার ফলে রোগীর সুস্হ্য হয়ে ওঠার ক্ষীণ সম্ভাবনা থাকে শুধু। স্বাভাবিক লোক এমন ওষুধ ব্যবহারের ফলে মোটা হলেও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হিসাবে তার জীবনী শক্তি কমে যায়।
খাবারের পরিমাণ বাড়ান।
জিমে যাওয়া অভ্যাস করুন।
ঘুমাবার ঠিক আগেই দুধ ও মধু খান।
খাদ্য তালিকায় যোগ করুন কিছু বিশেষ খাবার।যেমন- ঘি/মাখন, ডিম, চিজ/পনির, কোমল পানীয়, গরু-খাসির মাংস, আলু ভাজা, মিষ্টি জাতীয় খাবার, চকলেট, মেয়নিজ ইত্যাদি।
প্রচুর শাক সবজি ও ফল খান -
যেমন- আম, কাঁঠাল, লিচু, কলা, পাকা পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া, মিষ্টি আলু, কাঁচা কলা ইত্যাদি। ফল ও সবজি খেলে স্বাস্থ্য জম্ন ভালো থাকবে, তেমনি ওজনও বাড়বে।
যদি এইসব করেও আপনার স্বাস্থ্য বৃদ্ধি না পায়, তাহলে অবশ্যই একজন ভালো ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। কেননা হতে পারে আপনার মাঝে কোন সুপ্ত অসুখ কাজ করছে যার ফলে আপনি রুগ্ন ও ভগ্ন স্বাস্থ্যের অধিকারী।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy